সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ): পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দিয়েও লোভী স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতন থেকে রেহাই পেলোনা গৃহবধূ নারগিছ আক্তার।
যৌতুকের আশায় স্বামী আমিন সম্প্র্রতি দ্বিতীয় বিয়ে করায় গৃহবধূ নারগিছের জীবনে নেমে এসেছে চরম হতাশা।
জানা যায়, ২০১২ সালের ১০ আগস্ট ইসলামী শরীয়া অনুযায়ী এক লাখ টাকা কাবিনে উপজেলার মোগরাপাড়া ইউপির দমদমা এলাকার নুরুল ইসলাম ওরফে লালু ব্যাপারীর ছেলে আমিন (৪০) এর সঙ্গে বিয়ে হয় পিরোজপুর ইউপির আষাঢ়িয়ারচর এলাকার মোতালিবের মেয়ে নারগিছ আক্তারের। বিয়ের পরপরই যৌতুকের আশায় স্ত্রীর ওপর নির্যাতন শুরু করে আমিন ও তার আত্মীয়স্বজনরা। এতে ভুক্তভোগী নারগিছ তার অভিভাবকদের কাছ থেকে স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থসহ কয়েক দফায় ৫ লাখ টাকার মালামাল এনে দেয়। কিন্তু তার পরেও যৌতুকের দাবি বন্ধ না হওয়ায় গৃহবধূ নারগিছ বাদী হয়ে স্বামী আমিন ও তার বড় ভাই মাদক সম্রাট ও স্থানীয় সন্ত্রাসীদের গডফাদার ফেরদৌসের নামে একটি যৌতুক মামলা করে। পরে পুলিশ আমিনকে গ্রেফতার করলে সে স্ত্রীর সঙ্গে আপোষের অঙ্গীকার করে জামিনে ছাড়া পায়। কিন্তু জামিনে এসে সে পুনরায় স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি করার পাশাপাশি তার অনুমতি ব্যাতীত বন্দরের মরিয়ম নামের এক মহিলাকে বিয়ে করে এবং গত ২৪ নভেম্বর ৩ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে নারগিছকে বেদম মারধর করে।
এ ঘটনায় নারগিছ সোনারগাঁ থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলার পরপরই আরো বেপরোয়া হয়ে উঠে স্বামী আমিন ও তার বড় ভাই মাদক সম্রাট ফেরদৌস। সম্প্রতি তারা গৃহবধূ নারগিছ ও তার পরিবারের সদস্যদের দেখে নেয়ার হুমকি দিচ্ছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা ন্যায় বিচারের আশায় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের সাহায্য কামনা করেছেন।
এ ব্যাপারে সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামরুল ইসলাম জানান, গৃহবধূ নারগিছের যৌতুকের মামলার আসামি আমিনকে গ্রেফতার করতে ইতিমধ্যে কয়েক দফা অভিযান চালিয়েছে পুলিশ এবং তাকে দ্রুত গ্রেফতার করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
প্রকাশক - ফারুক আহমেদ, যোগাযোগ : হাজী এম.এ গফুর স্কয়ার মার্কেট, দ্বিতীয় তলা , ষ্টাফ কোয়ার্টার, ডেমরা, ঢাকা- ১৩৬০। ফোন:০২ ৯৩৪৭৬৯, মোবাইল :০১৭৬১৮৮৫৯১৫,০১৯১২৭৭১০৫৪,০১৮১০১২৭২০৯, ইমেইল:banglarkhabar24@gmail.com, তথ্য মন্ত্রনালয় নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল, নিবন্ধন নম্বর: ৫৪.
বাংলার খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান