চট্টগ্রাম: সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছোটভাই সাইফুদ্দীন কাদের চৌধুরীর জানাজায় অংশ নেয়াকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দু’গ্রুপের ব্যাপক সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে রাউজান উপজেলার গহিরা হাই স্কুল মাঠে এ ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও রাউজান পৌর সভার মেয়র আব্দুল্লাহ আল হাসানকে মেরে পুলিশে দিয়েছে ছাত্রলীগ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, যুদ্ধাপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছোট ভাই ও দেশের শীর্ষ স্থানীয় শিপিং ব্যবসায়ী সাইফুদ্দীন কাদের চৌধুরী বুধবার ভোর ৬টায় মারা যান। বৃহস্পতিবার আছরের নামাজের পর নিজ গ্রাম রাউজানের গহিরা হাইস্কুল মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় রাউজানের সাংসদ ও সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর আত্মীয় এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী সেখানে উপস্থিত হন। তিনি মরহুম সাইফুদ্দীন চৌধুরীর মরদেহ কাঁধে নিতে চাইলে বাধা দেন সাকা পরিবারের সদস্যরা। এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। একপর্যায়ে উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও রাউজান পৌর সভার মেয়র আব্দুল্লাহ আল হাসানকে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। তবে পুলিশের গাড়িতে করে কিছু দূর নেয়ার পর তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।
পরবর্তীতে দু’গ্রুপের লোকজন সংঘটিত হয়ে ব্যাপক সংঘর্ষে জড়ায়। উভয়পক্ষ প্রায় আধাঘণ্টা ধরে পাল্টাপাল্টি গুলি ছঁড়ে। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে সন্ধ্যা ৭টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
উত্তর জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক নুরুল আলম নুরু বলেন, ‘জানাজায় অংশ নেয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ-যুবলীগ আমাদের পৌরসভার মেয়রকে মেরে পুলিশে দিয়েছে। পরে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর ব্যাপক গুলি ছোঁড়ে।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঘটনাস্থল থেকে একজন জানান, মূলত রাউজানের সাংসদ ফললে করিম চৌধুরীকে সাইফুদ্দীন কাদের চৌধুরীর মরদেহ স্পর্শ করতে না দেয়ার জের ধরে এ ঘটনা ঘটে।
প্রকাশক - ফারুক আহমেদ, যোগাযোগ : হাজী এম.এ গফুর স্কয়ার মার্কেট, দ্বিতীয় তলা , ষ্টাফ কোয়ার্টার, ডেমরা, ঢাকা- ১৩৬০। ফোন:০২ ৯৩৪৭৬৯, মোবাইল :০১৭৬১৮৮৫৯১৫,০১৯১২৭৭১০৫৪,০১৮১০১২৭২০৯, ইমেইল:banglarkhabar24@gmail.com, তথ্য মন্ত্রনালয় নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল, নিবন্ধন নম্বর: ৫৪.
বাংলার খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান