ডেস্ক : ২০১১ সালে সন্ত্রাসী সংগঠন আল কায়েদা প্রধান ওসামা বিন লাদেনকে ধরার গোপন মার্কিন অভিযানের সময় পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদের তার গোপন আবাসস্থল থেকে উদ্ধার করা শতাধিক নথি প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ
বুধবার এসব নথি প্রকাশ করা হয়। জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালকের কার্যালয় (ওডিএনআই) থেকে এর মুখপাত্র জেফ আনচুকাইটিস বলেন, ‘আজকে ওডিএনআই অভিযানের সময়ে উদ্ধার করা বেশ বড় একতাড়া নথি প্রকাশ করেছে।’
১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে টুইন টাওয়ার হামলার ১০ বছর পূর্তি উদযাপনের লক্ষ্যে লাদেন বিভিন্ন গণমাধ্যমের সঙ্গে যোগাযোগের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিলেন। লাদেন তার মিত্রদের কাছে এ বিষয়টি জানিয়ে চিঠিও লিখেছিলেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হামলা অব্যাহত রাখতে সচেষ্ট ছিলেন।
প্রকাশিত নথি অনুযায়ী এক চিঠিতে লাদেন লিখেছিলেন, 'আমরা নিউইয়র্ক ও ওয়াশিংটনে আশীর্বাদধন্য হামলার ১০ বছর পূর্তি উদযাপনের অপেক্ষায় রয়েছি। চিঠিতে টুইন টাওয়ার হামলার বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রচারের গুরুত্বও মিত্রদের বোঝানোর চেষ্টা করেন লাদেন।
শেষ দিনগুলোয় লাদেনকে মার্কিন নজরদারি তাড়িয়ে বেড়াত। এ বিষয়ে তিনি আতঙ্কে থাকতেন। এ জন্য তার পরিবারের সদস্যদের ভ্রমণেও সতর্ক থাকতে বলেন। এমনকি ইন্টারনেট ব্যবহার না করে কুরিয়ারের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান করার নির্দেশ দেন লাদেন।
প্রকাশিত এসব নথির মধ্যে লাদেনকে লেখা দুটি চিঠি রয়েছে। এ চিঠি দুটি লিখেছে তার ছেলে ২২ বছর বয়সী হামজা। তাছাড়া আরেকটি চিঠি রয়েছে, যা হামজার মায়ের লেখা, লিখেছেন লাদেনকেই। চিঠিতে বলা হয়েছে, হামজা তার বাবার পথই অনুসরণ করতে আগ্রহী। পরবর্তী সময়ে হামজাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে সেও আল কায়দার সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কে যোগ দেয়।
ধারণা করা হয়, বাবার ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্তদের একজন হয়ে ওঠার লক্ষ্যে হামজা তরুণ বয়েসেই সন্ত্রাসী হামলায় অংশ নিয়েছিল। একই লক্ষ্য নিয়ে সেই সময়ে সে অপপ্রচারমূলক ভিডিও তৈরি করেছিল। হামজা বেশ কয়েক বছর ধরে কোনো ভিডিও প্রকাশ করেনি। প্রকাশ্যেও আসেনি।
সূত্র : ওয়াশিংটন
প্রকাশক - ফারুক আহমেদ, যোগাযোগ : হাজী এম.এ গফুর স্কয়ার মার্কেট, দ্বিতীয় তলা , ষ্টাফ কোয়ার্টার, ডেমরা, ঢাকা- ১৩৬০। ফোন:০২ ৯৩৪৭৬৯, মোবাইল :০১৭৬১৮৮৫৯১৫,০১৯১২৭৭১০৫৪,০১৮১০১২৭২০৯, ইমেইল:banglarkhabar24@gmail.com, তথ্য মন্ত্রনালয় নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল, নিবন্ধন নম্বর: ৫৪.
বাংলার খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান