ডেস্ক : চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে গেস্ট হাউসে নিয়ে গিয়ে বাঙালি তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সাতজন মিলে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেছে বলে জানা গেছে। অফিসে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সেখানে নিয়ে যায় অভিযুক্তদেরই একজন। এই ঘটনায় সাতজনের বিরুদ্ধে এফআইআর হলেও, এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি। ঘটনাটি ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের গুরগাঁও জেলার গুরগাঁও শহরের।
পুলিশের কাছে দায়ের হওয়া অভিযোগ অনুযায়ী, গুরগাঁওয়ের বিভিন্ন গেস্ট হাউসে শুধু এ বছরেই চারটি যৌন নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে। ফলে, মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়েও এবার প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
পুলিশের কাছে দায়ের হওয়া অভিযোগে জানা যায়, বছর তেইশের ওই তরুণীর বাড়ি বর্ধমানে হলেও, স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর চাকরি খুঁজতে গুরগাঁওয়ে আসেন। তাঁর একটি বাচ্চাও রয়েছে। চাকরির টোপ দিয়ে গত বুধবার সন্ধ্যায় তরুণীকে ডাকা হয় গুরগাঁওয়ের ডিএলএফ ৪-এ, এক গেস্ট হাউসে। সেখানেই তাঁকে সাত জন মিলে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ। পরদিন কপিল যাদব সহ মোট সাত জনের নামে তিনি এফআইআর করেন। পুলিশ জানিয়েছে, ভারতীয় দ-বিধির ৩৭৬ডি ও ৫০৬ ধারায় দুটি মামলা দায়ের হয়েছে।
পুলিশের বক্তব্য, গুরগাঁওয়ের গেস্ট হাউসগুলোয় কোনও রকম রেকর্ড রাখা হয় না। ফলে, সেখানে কারা আসছেন, কোথা থেকে আসছেন, কিছুই জানা যায় না। যে কারণে কোনও অপরাধ ঘটলে, পুলিশের পক্ষে দোষীদের নাগাল পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এর আগে একবার গেস্ট হাউস ও বাড়ির মালিকদের সতর্ক করা হলেও, ছবিটা বিশেষ বদলায়নি বলেই দাবি পুলিশের।
নিগৃহীতা জানান, তিনি অভিযুক্তদের কাউকেই চেনেন না। গুরগাঁওয়ে এক বন্ধুর বাড়িতে থেকেই মরিয়া হয়ে চাকরি খুঁজছেন। ঘটনার দিন বিকেলে সুশান্ত লোকের একটি মার্কেটে, জুস বারের সামনে দাঁড়িয়ে একজনের সঙ্গে চাকরি নিয়ে কথা বলছিলেন। সে সময় এক ব্যক্তি কপিল যাদব পরিচয় দিয়ে তরুণীকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন। জানান, তাঁর অফিসে একটি পোস্ট খালি রয়েছে। যদি তিনি চাকরি করতে ইচ্ছুক হন, তা হলে তাঁর সঙ্গে একবার অফিসে যেতে হবে। ওই ব্যক্তির কথা শুনে সন্দেহজনক কিছু মনে হয়নি তরুণীর। এর পর, অফিসে না নিয়ে গিয়ে ওই ব্যক্তি তরুণীকে নিয়ে আসেন গুরগাঁওয়ের ওই গেস্ট হাউসে। হ্যামিলটন কোর্টের সামনেই ওই গেস্ট হাউসটি। সেখানকার ৩০৪ নম্বর রুমে তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। তরুণী পুলিশকে জানান, ওই ব্যক্তি হুমকি দেন, ঘটনার কথা কাউকে জানালে, তাঁকে খুন করা হবে। এর পর, তাঁকে রুমে আটকে রেখে, রাতে ফোন করে বন্ধুদের ডেকে আনে ওই ব্যক্তি। রাত ১০টা নাগাদ আসে আরও ৬জন। সারারাত ধরে তারা তরুণীকে ধর্ষণ করে বলে এফআইআরে জানিয়েছেন তরুণী। অভিযুক্তদের একজন আবার মুখে বন্দুকও ধরে রেখেছিল। পরদিন সকালে ওই অভিযুক্তরাই তাঁকে বাড়ির সামনে নামিয়ে দিয়ে যায়। তার পরই পুলিশের কাছে গিয়ে তিনি অভিযোগ দায়ের করেন।
প্রকাশক - ফারুক আহমেদ, যোগাযোগ : হাজী এম.এ গফুর স্কয়ার মার্কেট, দ্বিতীয় তলা , ষ্টাফ কোয়ার্টার, ডেমরা, ঢাকা- ১৩৬০। ফোন:০২ ৯৩৪৭৬৯, মোবাইল :০১৭৬১৮৮৫৯১৫,০১৯১২৭৭১০৫৪,০১৮১০১২৭২০৯, ইমেইল:banglarkhabar24@gmail.com, তথ্য মন্ত্রনালয় নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল, নিবন্ধন নম্বর: ৫৪.
বাংলার খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান