ঢাকা: সারাদেশে এখন চলছে মানুষের ঘরে ফেরার পালা। একদিক থেকে যেমন পশুবাহী ট্রাক আসছে হাটের উদ্দেশে, ঠিক তেমনি অন্যদিকে বাস ও ট্রেন ভর্তি মানুষ যাচ্ছে তাদের প্রিয়জনদের কাছে। হাটে কোরবানির পশু কিনতে মানুষ একটু যে স্বস্তি আর আনন্দ পাবে তার ওপর বাগড়া দিয়েছে অসময়ের বৃষ্টি। হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি আর রীতিমত বজ্রপাতে যেন শ্রাবনের মেঘ ভর করেছে আকাশে। এ বৃষ্টির জলকাদায় হাটের অবস্থা একেবারে যাচ্ছে তাই।
সারাদেশের হাটগুলোতে উঠেছে বিপুল সংখ্যক পশু। শেষ বেলায় এসে আগের চেয়ে কম দাম চাইছে বিক্রেতারা। ক্রেতারা এখন পর্যন্ত দাম যাচাই করছেন। ঈদের আগের দিন বৃহস্পতিবার পুরোদমে কেনাবেচা শুরু হবে। তবে পশু বিক্রেতাদের এ আশা গুড়ে বালিতে পরিণত হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে হাটগুলোতে ক্রেতা সমাগম কম থাকায় ক্ষতির আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। পশু আনতে গিয়ে চাঁদাবাজির কারণে খরচ বেড়েছে আর নানা ঝক্কি ঝামেলা বাদে দুটি পয়সা নিয়ে ব্যাপারীরা বাড়ি ফিরতে পারবেন কি না এমন অজানা আশঙ্কায় তাদের দুশ্চিন্তা পেয়ে বসেছে।
ভারত থেকে গরু না আসায় প্রথম দিকে পশুর দাম ছিল চড়া। আর এ কারণেই বেশি দামের আশা করছিলো গরু বিক্রেতারা। কিন্তু সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় কমে গেছে দাম। সীমান্ত জেলা লালমনিরহাটের হাটগুলো ছেয়ে আছে ভারতীয় গরুতে। আর এতে বিপাকে দেশি গরুর বিক্রেতারা।
বৈরী আবহাওয়ায় ক্রেতা কম থাকায় জমে ওঠেনি খুলনার পশুর হাটগুলো। চট্টগ্রামে তো গরু কিনলে তেল ফ্রি এমন হাঁকডাক চলছে।
এছাড়া লক্ষ্মীপুর, ফরিদপুর, বাগেরহাট, চুয়াডাঙ্গা, নোয়াখালী, ভোলা, নওগাঁসহ বিভিন্ন এলাকার শহর ও গ্রামের পশুহাটগুলো মুখর ক্রেতা-বিক্রেতার পদচারণায়।
সব জায়গায় একই চিত্র এমন মন্তব্য করে ক্রেতারা বলেছেন, দাম বেশি, আর দাম নিয়ে নাখোশ বিক্রেতা। তাও যদি বৃষ্টি না থাকত হয়ত বেশ কিছুটা রেহাই পেত সবাই।
প্রকাশক - ফারুক আহমেদ, যোগাযোগ : হাজী এম.এ গফুর স্কয়ার মার্কেট, দ্বিতীয় তলা , ষ্টাফ কোয়ার্টার, ডেমরা, ঢাকা- ১৩৬০। ফোন:০২ ৯৩৪৭৬৯, মোবাইল :০১৭৬১৮৮৫৯১৫,০১৯১২৭৭১০৫৪,০১৮১০১২৭২০৯, ইমেইল:banglarkhabar24@gmail.com, তথ্য মন্ত্রনালয় নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল, নিবন্ধন নম্বর: ৫৪.
বাংলার খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান