ডেস্ক : গুলশানে উগ্রবাদীদের হামলার চার মাস ১৩ দিন পর হোলি আর্টিজান বেকারি মালিক পক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
রোববার বিকেলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে হোলি আর্টিজান বেকারির ওই ভবনটির মালিক শামীমা রহমান ও তার পার্টনারদের কাছে হস্তান্তর করে। গুলশান হামলার পর থেকে পুরো ভবনটি এতদিন পুলিশের তত্ত্বাবধানে ছিলো। তদন্তের স্বার্থে সেখানে পুলিশের বিভিন্ন টিম বিভিন্ন নানা আলামত সংগ্রহ করেছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান জানান, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আজ সোয়া চারটার দিকে পুলিশ রেস্টুরেন্টটি মালিককে বুঝিয়ে দিয়েছে। নিরাপত্তা ও তদন্তের আলামত রক্ষার স্বার্থে এতদিন ভবনটি পুলিশের তত্ত্বাবধায়নে ছিলো।
এদিকে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষের একজন শাদাত মেহেদী সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ রেস্টুরেন্টসহ ভবনটি মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেছে। তবে এই ভবনে পুনরায় হোলি আর্টিজান রেস্টুরেন্ট চালু করা হবে না। এটা বাসা হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে।
তিনি আরো বলেন, হোলি আর্টিজান রেস্টুরেন্ট পরিচালনার জন্য গুলশানের অন্য জায়গায় জমি নেয়া হয়েছে। সেখানে এটি নতুন করে চালু করা হবে।
চলতি বছরের ১ জুলাই রাতে উগ্রবাদিরা গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালায়। ওই ঘটনায় দুজন পুলিশ কর্মকর্তা, ১৭ জন বিদেশিসহ ২২ জনকে হত্যা করে তারা। পরে সেখানে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে কমান্ডো অভিযানে পাঁচ হামলাকারীসহ ছয়জন নিহত হয়। ঘটনার পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া পাহারায় ছিল হলি আর্টিজান।
রেস্তোরাঁয় সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। তদন্তের প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং পরিদর্শনের জন্য পুলিশের অনুমতি সাপেক্ষে বিদেশী নাগরিকেরা সেখানে প্রবেশ করতে পারতেন। আলমত যেন নষ্ট না হয়, সেজন্য এই বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আওতায় রাখা হয়েছিল।
প্রকাশক - ফারুক আহমেদ, যোগাযোগ : হাজী এম.এ গফুর স্কয়ার মার্কেট, দ্বিতীয় তলা , ষ্টাফ কোয়ার্টার, ডেমরা, ঢাকা- ১৩৬০। ফোন:০২ ৯৩৪৭৬৯, মোবাইল :০১৭৬১৮৮৫৯১৫,০১৯১২৭৭১০৫৪,০১৮১০১২৭২০৯, ইমেইল:banglarkhabar24@gmail.com, তথ্য মন্ত্রনালয় নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল, নিবন্ধন নম্বর: ৫৪.
বাংলার খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান