ডেস্ক : ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মোকাবেলায় গভীর সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় তিন স্তরের উদ্ধার ও ত্রাণ সহায়তায় প্রস্তুত রয়েছে নৌবাহিনীর ২৬টি জাহাজ। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিগপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে।
খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে আজ মঙ্গলবার শেষরাত থেকে আগামীকাল বুধবার বিকেল বা সন্ধ্যার মধ্যে বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি। ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম, খুলনা ও মংলা নৌঅঞ্চলে নৌবাহিনীর ২৫টি জাহাজ সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় দ্রুততম সময়ে জরুরী উদ্ধার, ত্রাণ এবং চিকিৎসা সহায়তা প্রদানের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, ঘুর্ণিঝড় পরবর্তী সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় অনুসন্ধান কাজের জন্য নৌবাহিনীর দুটি মেরিটাইম পেট্রোল এয়ার ক্রাফট এবং দুটি হেলিকপ্টার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। সেইসাথে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুরসহ উপকূলীয় দূর্গত এলাকাগুলোতে মোতায়েনের জন্য নৌ কন্টিনজেন্ট প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এরই মধ্যে আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে উপকূলীয় ১১টি জেলায় ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত সরিয়ে ৭ নম্বর বিপত্সংকেত দেখাতে বলেছে। ঘূর্ণিঝড় ও অমাবস্যার প্রভাবে ১৪টি জেলার নিম্নাঞ্চলে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে চার-পাঁচ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে উপকূলীয় জেলাগুলোয় ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। প্রায় ৫১ লাখ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ইতোমধ্যে সাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাব শুরু হয়ে গেছে। বেলা আড়াইটা থেকে শুরু হয় ঝড়ো হাওয়া। ধীরে ধীরে বাড়ছে এর গতিবেগ।
প্রকাশক - ফারুক আহমেদ, যোগাযোগ : হাজী এম.এ গফুর স্কয়ার মার্কেট, দ্বিতীয় তলা , ষ্টাফ কোয়ার্টার, ডেমরা, ঢাকা- ১৩৬০। ফোন:০২ ৯৩৪৭৬৯, মোবাইল :০১৭৬১৮৮৫৯১৫,০১৯১২৭৭১০৫৪,০১৮১০১২৭২০৯, ইমেইল:banglarkhabar24@gmail.com, তথ্য মন্ত্রনালয় নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল, নিবন্ধন নম্বর: ৫৪.
বাংলার খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান