বাংলার খবর২৪.কম
: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী বলেছেন, প্রতিবন্ধী শিক্ষা এখনও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে। অথচ এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের থাকা উচিত। কারণ প্রতিবন্ধী শিক্ষা কোনো দাতব্য কার্যক্রম নয়।
পিকেএসএফ’র ২৫ বছর পদার্পণ উপলক্ষে সোমবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বিল্ডিং হিউম্যান ক্যাপাসিটি : অ্যাডুকেশন প্রোগ্রাম ফর দ্যা এক্সক্লুডেড’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি একথা বলেন।
রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে ঝরে পড়ার বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে। বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া রোধ করতে শ্রেণীকক্ষে দ্বিপাক্ষিক চিত্তাকর্ষক শিক্ষাদান প্রয়োজন। পাশাপাশি ইভটিজিং বন্ধ করে মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য রাস্তাঘাট নিরাপদ, বাল্যবিবাহ রোধ, শিক্ষার্থীদের অপুষ্টি দূর এবং অভিভাবকদের সচেতন করতে হবে।
তিনি বলেন, এনজিওদের এত কার্যক্রম ও প্রশিক্ষণের পরেও দেশে বাল্যবিবাহ হার এখনও অনেক বেশি। সরকারের একার পক্ষে বাল্যবিবাহ বন্ধ করা সম্ভব নয়।
এ ধরনের সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয় ও ব্যাধী দূর করতে এনজিওগুলো কাজ করতে পারে বলেও জানান তিনি।
শিক্ষাখাতে বাজেট বরাদ্দ দিনদিন কমছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষাখাতের বিনিয়োগকে ব্যয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। কিন্তু এইখাতের বরাদ্দকে ব্যয় হিসেবে না দেখে বিনিয়োগ হিসেবে দেখা উচিত। বাংলাদেশে গবেষণার জন্য তেমন কোনো বরাদ্দ থাকে না। বিশেষ করে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ দেখাই যায় না।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও পিকেএসএফ-এর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ড. এ. কে. এম. নূর-উন-নবী। টিএমএসএস-এর নির্বাহী পরিচালক ড. হোসনে আরা বেগম এবং সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট ইনোভেশন এন্ড প্র্যাকটিসেস (সিদীপ)-এর নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ ইয়াহিয়া দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
উল্লেখ্য, পিকেএসএফ’র ২৫ বছর পদার্পণ উপলক্ষে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বর্ষব্যাপী রজতজয়ন্তী উদযাপন ও সপ্তাহ উন্নয়ন মেলা চলছে। আগামী ১ নভেম্বর পর্যন্ত এ মেলা চলবে। পাশাপাশি প্রতিদিন দুটি করে সেমিনার অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
প্রকাশক - ফারুক আহমেদ, যোগাযোগ : হাজী এম.এ গফুর স্কয়ার মার্কেট, দ্বিতীয় তলা , ষ্টাফ কোয়ার্টার, ডেমরা, ঢাকা- ১৩৬০। ফোন:০২ ৯৩৪৭৬৯, মোবাইল :০১৭৬১৮৮৫৯১৫,০১৯১২৭৭১০৫৪,০১৮১০১২৭২০৯, ইমেইল:banglarkhabar24@gmail.com, তথ্য মন্ত্রনালয় নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল, নিবন্ধন নম্বর: ৫৪.
বাংলার খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান