অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

বিমানবন্দর ছেড়ে অজ্ঞাত স্থানে লতিফ সিদ্দিকী

ঢাকা: হজ ও তাবলিগ জামায়াত নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগে দেশের বিভিন্ন আদালতের জারি করা সমন মাথায় নিয়ে ঢাকায় ফেরা আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বিমানবন্দর ছেড়ে অজ্ঞাত স্থানে চলে গেছেন। এর আগে রোববার রাত আটটা ৪০ মিনিটে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমানে শাহজালাল বিমানবন্দরে নামেন তিনি।

এপিবিএনের একটি সূত্র লতিফ সিদ্দিকীর আগমনের কথা নিশ্চিত করে বলেছিল, তিনি বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে অবস্থান করছেন। সেখানে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) নজরদারিতে রয়েছেন আওয়ামী লীগের এই সাবেক নেতা ও মন্ত্রী।

কিন্তু রাত সোয়া ১০টার দিকে আর একটি সূত্র জানায়, লতিফ সিদ্দিকী বিমানবন্দর ছেড়ে চলে গেছেন। তবে তিনি কোথায় গেছেন তা জানা যায়নি।

হজ ও তাবলিগ জামায়াত নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন ডাক ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী ব্যাপক ক্ষোভের মুখে পড়েন। তাকে গ্রেফতার ও বিচারের মুখোমুখি করার দাবি ওঠে দেশের বিভিন্ন মহলে। দেশের বিভিন্ন আদালতে তিন ডজনের মতো মামলা হয় তার বিরুদ্ধে। এসব মামলায় তার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি আছে ডজনখানেক।

ব্যাপক সমালোচনার মুখে সরকার লতিফ সিদ্দিকীকে মন্ত্রিসভা থেকে ও দলের প্রেসিডিয়ামের পদ থেকে তাকে অপসারণ করে। পরে দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকেও তাকে বহিষ্কার করা হয়।

বিতর্কিত বক্তব্যের পর আমেরিকা-কানাডা ঘুরে লতিফ সিদ্দিকী ভারতের কলকাতায় অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকেই রোববার রাত আটটা ৪০ মিনিটে দেশে ফেরেন এই বিতর্কিত নেতা।

গত ২৮ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে টাঙ্গাইল সমিতি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় লতিফ সিদ্দিকী হজ, মহানবী (সা.), তাবলিগ জামাত এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় সম্পর্কে কটূক্তি করেন। তিনি বলেন, “আমি কিন্তু হজ আর তাবলিগ জামাতের ঘোরতর বিরোধী। হজে যে কত ম্যান পাওয়ার নষ্ট হয়। হজে যারা যায় তাদের কোনো প্রোডাকশন নাই, শুধু ডিডাকশন দিচ্ছে। তারা খাচ্ছে আর দেশের টাকা বিদেশে দিয়ে আসছে।”

তাবলিগ জামাত নিয়ে লতিফ সিদ্দিকী বলেন, “তাবলিগ জামাত প্রতিবছর ২০ লাখ লোকের জমায়েত করে। নিজেদের তো কোনো কাজ নেই। সারা দেশের গাড়ি-ঘোড়া তারা বন্ধ তরে দেয়।”

প্রধানমন্ত্রীর ছেলে জয়কে নিয়ে লতিফ সিদ্দিকীর বক্তব্য ছিল, “জয় কে? কথায় কথায় আপনারা জয়কে টানেন কেন? জয় সরকারের কেউ নন।”

তার এসব বক্তব্যে দেশে-বিদেশে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে তোলপাড় শুরু হয়। দেশের বিভিন্ন জেলায় তার বিরুদ্ধে ধর্ম অবমানার অভিযোগে অনেক মামলা হয়।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

বিমানবন্দর ছেড়ে অজ্ঞাত স্থানে লতিফ সিদ্দিকী

আপডেট টাইম : ০৬:৫৮:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৪

ঢাকা: হজ ও তাবলিগ জামায়াত নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগে দেশের বিভিন্ন আদালতের জারি করা সমন মাথায় নিয়ে ঢাকায় ফেরা আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বিমানবন্দর ছেড়ে অজ্ঞাত স্থানে চলে গেছেন। এর আগে রোববার রাত আটটা ৪০ মিনিটে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমানে শাহজালাল বিমানবন্দরে নামেন তিনি।

এপিবিএনের একটি সূত্র লতিফ সিদ্দিকীর আগমনের কথা নিশ্চিত করে বলেছিল, তিনি বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে অবস্থান করছেন। সেখানে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) নজরদারিতে রয়েছেন আওয়ামী লীগের এই সাবেক নেতা ও মন্ত্রী।

কিন্তু রাত সোয়া ১০টার দিকে আর একটি সূত্র জানায়, লতিফ সিদ্দিকী বিমানবন্দর ছেড়ে চলে গেছেন। তবে তিনি কোথায় গেছেন তা জানা যায়নি।

হজ ও তাবলিগ জামায়াত নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন ডাক ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী ব্যাপক ক্ষোভের মুখে পড়েন। তাকে গ্রেফতার ও বিচারের মুখোমুখি করার দাবি ওঠে দেশের বিভিন্ন মহলে। দেশের বিভিন্ন আদালতে তিন ডজনের মতো মামলা হয় তার বিরুদ্ধে। এসব মামলায় তার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি আছে ডজনখানেক।

ব্যাপক সমালোচনার মুখে সরকার লতিফ সিদ্দিকীকে মন্ত্রিসভা থেকে ও দলের প্রেসিডিয়ামের পদ থেকে তাকে অপসারণ করে। পরে দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকেও তাকে বহিষ্কার করা হয়।

বিতর্কিত বক্তব্যের পর আমেরিকা-কানাডা ঘুরে লতিফ সিদ্দিকী ভারতের কলকাতায় অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকেই রোববার রাত আটটা ৪০ মিনিটে দেশে ফেরেন এই বিতর্কিত নেতা।

গত ২৮ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে টাঙ্গাইল সমিতি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় লতিফ সিদ্দিকী হজ, মহানবী (সা.), তাবলিগ জামাত এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় সম্পর্কে কটূক্তি করেন। তিনি বলেন, “আমি কিন্তু হজ আর তাবলিগ জামাতের ঘোরতর বিরোধী। হজে যে কত ম্যান পাওয়ার নষ্ট হয়। হজে যারা যায় তাদের কোনো প্রোডাকশন নাই, শুধু ডিডাকশন দিচ্ছে। তারা খাচ্ছে আর দেশের টাকা বিদেশে দিয়ে আসছে।”

তাবলিগ জামাত নিয়ে লতিফ সিদ্দিকী বলেন, “তাবলিগ জামাত প্রতিবছর ২০ লাখ লোকের জমায়েত করে। নিজেদের তো কোনো কাজ নেই। সারা দেশের গাড়ি-ঘোড়া তারা বন্ধ তরে দেয়।”

প্রধানমন্ত্রীর ছেলে জয়কে নিয়ে লতিফ সিদ্দিকীর বক্তব্য ছিল, “জয় কে? কথায় কথায় আপনারা জয়কে টানেন কেন? জয় সরকারের কেউ নন।”

তার এসব বক্তব্যে দেশে-বিদেশে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে তোলপাড় শুরু হয়। দেশের বিভিন্ন জেলায় তার বিরুদ্ধে ধর্ম অবমানার অভিযোগে অনেক মামলা হয়।