অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো সার্কেল-২ এ পেশাদার মোটরযান চালকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম Logo মাদক থেকে তরুণ প্রজন্মকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী দুলু Logo গোল্ডেন জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংসদ ভবন ঘুরিয়ে দেখাবেন এমপি রাজিব প্রধান Logo প্রেমের আড়ালে প্রতারণার ফাঁদ, বড় পর্দায় আসছে সুমন পলাশের ‘ফিল্টার’ Logo লালমনিরহাট সীমান্তে ৬১ বিজিবির অভিযানে ২৮ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য ও মাদক আটক Logo পাটগ্রাম সীমান্তে বিজিবির অভিযান, ১২ গরু ও মোটরসাইকেল জব্দ Logo প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে লালমনিরহাটে যুবদলের হুইলচেয়ার বিতরণ Logo পাটগ্রামে গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ, স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক Logo লালমনিরহাট সনাকের নতুন সভাপতি ডা. কাসেম আলী, সহসভাপতি আবু হাসনাত রানা Logo সারের দাবিতে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ, ডিলারের বিরুদ্ধে কালোবাজারির অভিযোগ

ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

ডেস্ক: ঢাকার আদাবরে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রলোভনে চারদিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে প্রেমিক ফটোগ্রাফার নামীন আশরাফ মনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫-এর বিচারক মো. মনিরুজ্জামানের আদালতে মামলাটি করেন ভুক্তভোগীর বড় বোন রাজিয়া সুলতানা।

বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক মো. মনিরুজ্জামান মামলার অভিযোগের বিষয়ে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশকে তদন্ত করে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলার আসামিরা হলেন ফটোগ্রাফার নামিম আশরাফ মনি, তার বাবা আশরাফউদ্দিন ও মা শাহনাজ বেগম।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বাদীর বোন সাদিয়া ইয়াসফিয়া (২৪) মেকআপ আর্টিস্টের কাজ করতেন। অপরদিকে, মূল আসামি নামীম আশরাফ (৩৭) ফটোগ্রাফির কাজ করতেন। ২০২৪ সালে একটি প্রোগ্রামের শুটিংয়ে নামীন ও সাদিয়ার পরিচয় হয়। এভাবে বিভিন্ন প্রোগ্রামের শুটিংয়ে তারা একসঙ্গে কাজ করতে থাকেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ প্রেমের সম্পর্ক হয়।

এতে আরও বলা হয়, প্রেমের সম্পর্ক থাকা অবস্থায় তারা বিয়ের জন্য কথাবার্তা বলেন। উভয়ের পরিবার বিষয়টি জানত। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৬ জুন সাদিয়ার বড় বোন, বড় ভাই ও পরিবারের সদস্যরা বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসামিদের গেন্ডারিয়ার ঢালকানগর গলির বাসায় যান। ওই বাসায় নামীম আশরাফের মা-বাবা বিয়ের প্রস্তাব নাকচ করে দেন। তাদের ছেলের সঙ্গে সাদিয়াকে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে হিতে বিপরীত হবে বলে হুমকি দেন।

মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ১০ জুন রাতে নামিম ভুক্তভোগী সাদিয়াকে ডেকে নিয়ে আদাবরের শেখেরটেক-১২ নম্বর রোডের একটি ভবনের ২য় তলায় তার নিজস্ব ফটো স্টুডিও ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। কিন্তু নামিম ভুক্তভোগীকে বান্ধবীর বাসায় আছেন বলে পরিবারকে জানাতে বাধ্য করেন।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, আসামি নামিম ১০ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত আদাবরের ভুক্তভোগীকে আটকে রেখে অনবরত ধর্ষণ করেন এবং ১৪ জুন হত্যা করেন। পরে আসামি নামিম নিজেকে বাঁচাতে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে প্রচারণা চালান। এ ঘটনায় পুলিশের সুরতাল প্রতিবেদনে ভুক্তভোগীের শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাত ও ধর্ষণের আলামত পেয়েছে বলেও জানান বাদী।

এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

Tag :

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো সার্কেল-২ এ পেশাদার মোটরযান চালকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম

ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৬:৪১:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

ডেস্ক: ঢাকার আদাবরে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রলোভনে চারদিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে প্রেমিক ফটোগ্রাফার নামীন আশরাফ মনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫-এর বিচারক মো. মনিরুজ্জামানের আদালতে মামলাটি করেন ভুক্তভোগীর বড় বোন রাজিয়া সুলতানা।

বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক মো. মনিরুজ্জামান মামলার অভিযোগের বিষয়ে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশকে তদন্ত করে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলার আসামিরা হলেন ফটোগ্রাফার নামিম আশরাফ মনি, তার বাবা আশরাফউদ্দিন ও মা শাহনাজ বেগম।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বাদীর বোন সাদিয়া ইয়াসফিয়া (২৪) মেকআপ আর্টিস্টের কাজ করতেন। অপরদিকে, মূল আসামি নামীম আশরাফ (৩৭) ফটোগ্রাফির কাজ করতেন। ২০২৪ সালে একটি প্রোগ্রামের শুটিংয়ে নামীন ও সাদিয়ার পরিচয় হয়। এভাবে বিভিন্ন প্রোগ্রামের শুটিংয়ে তারা একসঙ্গে কাজ করতে থাকেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ প্রেমের সম্পর্ক হয়।

এতে আরও বলা হয়, প্রেমের সম্পর্ক থাকা অবস্থায় তারা বিয়ের জন্য কথাবার্তা বলেন। উভয়ের পরিবার বিষয়টি জানত। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৬ জুন সাদিয়ার বড় বোন, বড় ভাই ও পরিবারের সদস্যরা বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসামিদের গেন্ডারিয়ার ঢালকানগর গলির বাসায় যান। ওই বাসায় নামীম আশরাফের মা-বাবা বিয়ের প্রস্তাব নাকচ করে দেন। তাদের ছেলের সঙ্গে সাদিয়াকে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে হিতে বিপরীত হবে বলে হুমকি দেন।

মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ১০ জুন রাতে নামিম ভুক্তভোগী সাদিয়াকে ডেকে নিয়ে আদাবরের শেখেরটেক-১২ নম্বর রোডের একটি ভবনের ২য় তলায় তার নিজস্ব ফটো স্টুডিও ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। কিন্তু নামিম ভুক্তভোগীকে বান্ধবীর বাসায় আছেন বলে পরিবারকে জানাতে বাধ্য করেন।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, আসামি নামিম ১০ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত আদাবরের ভুক্তভোগীকে আটকে রেখে অনবরত ধর্ষণ করেন এবং ১৪ জুন হত্যা করেন। পরে আসামি নামিম নিজেকে বাঁচাতে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে প্রচারণা চালান। এ ঘটনায় পুলিশের সুরতাল প্রতিবেদনে ভুক্তভোগীের শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাত ও ধর্ষণের আলামত পেয়েছে বলেও জানান বাদী।

এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।