পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

বড় পুকুরিয়া মামলা সচল আবেদনের রায় ১৫ মার্চ

ঢাকা : খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বড় পুকুরিয়া কয়লার খনির দুর্নীতির মামলা সচলের আবেদনের রায়ের দিন ১৫ মার্চ দিন ধার্য করা হয়েছে।

রোববার খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আবেদন করায় বিচারপতি মো. মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।

খালেদার পক্ষে ব্যারিস্টার রফিক উল হক, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার এহসানুর রহমানসহ অন্যান্য আইজীবীরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

গত ৫ মার্চ দুদকের পক্ষে শুনানি শেষে আদালত এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য ১০মার্চ দিন ঠিক করা হয়। তবে সেখানে খালেদার পক্ষে কোনো আইনজীবী শুনানি করেননি। এরপর রোববার খালেদার পক্ষে শুনানির জন্য আবেদন করায় দিন পিছিয়ে ১৫ মার্চ ধার্য করা হয়েছে।

খালেদার বিরুদ্ধে দায়ের করা বড়পুকুরিয়া মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া রুলের নিষ্পত্তি চেয়ে দুদক আবেদন করেছিল। এরপর শুনানি শেষে রায়ের জন্য দিন ঠিক করেছেন আদালত।

গত ১/১১এর জরুরি অবস্থার সময়ে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা দায়ের করা হয়।

দুর্নীতি দমন ব্যুরোর (বর্তমান দুর্নীতি দমন কমিশন) তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. সামছুল আলম শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতি হয়ে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির অনুমোদন দিয়ে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়েছিল।

২০০৮ সালের ১৬ অক্টোবর বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি ফরিদ আহাম্মদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি মামলার কার্যক্রম তিন মাস স্থগিত করেন। এরপর পরবর্তী সময়ে মামলার স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ানো হয়। এ মামলায় স্থায়ী জামিনে রয়েছেন খালেদা জিয়া।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

বড় পুকুরিয়া মামলা সচল আবেদনের রায় ১৫ মার্চ

আপডেট টাইম : ০৮:০২:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০১৫

ঢাকা : খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বড় পুকুরিয়া কয়লার খনির দুর্নীতির মামলা সচলের আবেদনের রায়ের দিন ১৫ মার্চ দিন ধার্য করা হয়েছে।

রোববার খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আবেদন করায় বিচারপতি মো. মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।

খালেদার পক্ষে ব্যারিস্টার রফিক উল হক, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার এহসানুর রহমানসহ অন্যান্য আইজীবীরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

গত ৫ মার্চ দুদকের পক্ষে শুনানি শেষে আদালত এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য ১০মার্চ দিন ঠিক করা হয়। তবে সেখানে খালেদার পক্ষে কোনো আইনজীবী শুনানি করেননি। এরপর রোববার খালেদার পক্ষে শুনানির জন্য আবেদন করায় দিন পিছিয়ে ১৫ মার্চ ধার্য করা হয়েছে।

খালেদার বিরুদ্ধে দায়ের করা বড়পুকুরিয়া মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া রুলের নিষ্পত্তি চেয়ে দুদক আবেদন করেছিল। এরপর শুনানি শেষে রায়ের জন্য দিন ঠিক করেছেন আদালত।

গত ১/১১এর জরুরি অবস্থার সময়ে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা দায়ের করা হয়।

দুর্নীতি দমন ব্যুরোর (বর্তমান দুর্নীতি দমন কমিশন) তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. সামছুল আলম শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতি হয়ে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির অনুমোদন দিয়ে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়েছিল।

২০০৮ সালের ১৬ অক্টোবর বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি ফরিদ আহাম্মদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি মামলার কার্যক্রম তিন মাস স্থগিত করেন। এরপর পরবর্তী সময়ে মামলার স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ানো হয়। এ মামলায় স্থায়ী জামিনে রয়েছেন খালেদা জিয়া।