পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

বিআরটিএ’কে ঢেলে সাজানো হচ্ছে ঝুট-ঝামেলা ছাড়াই সেবা দিয়ে যাচ্ছে

ফারুক আহমেদ সুজন : বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। মোটরযান ও সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এ সংস্থাকে আধুনিকায়ন করতে আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। এ আইনের বলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ পুনর্গঠন করা হবে। এ কর্তৃপক্ষের কাজ হবে ড্রাইভিং লাইসেন্স দেয়া থেকে শুরু করে গণপরিবহনের ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করা। এছাড়া মোটরযানের রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস সার্টিফিকেট, রুটপারমিট দেয়া, যাত্রী ও মাল পরিবহন সার্ভিস কার্যক্রম তদারকি করা, ট্রাফিক চিহ্ন ও গতিসীমা নির্ধারণ করবে এ কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নামে একটি সংস্থা রয়েছে, তবে অনেক ক্ষেত্রে এ সংস্থাটি ঠিকমতো কাজ করতে পারছে না বলে জানা গেছে। ড্রাইভার থেকে শুরু করে বিভিন্ন সমিতি ইউনিয়ন ও নেতাদের কাছে সংস্থাটি জিম্মি হয়ে পড়েছে। লাইসেন্স দেয়া থেকে শুরু করে রুটপারমিট পর্যন্ত এ সংস্থাটি কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না । প্রস্তাবিত আইনে কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা বাড়ানো

হচ্ছে। লাইসেন্স প্রাপ্তি আরও সহজ ও দ্রুততর করতে হলে এখন ডিজিটাল সেবা দিতে হবে। এইজন্য বাড়াতে হবে লজিস্টিক সাপোর্ট। প্রয়োজনে বিভিন্ন সেবার খরচ কিছুটা বাড়ানো যায়। জানা মতে, বিআরটিএ গাড়ির রেজিস্ট্রেশনের টাকা এখন অনলাইন ব্যাংকিংয়ে জমা দেওয়ার নিয়ম ও মেশিন রিডেবল ড্রাইভিং লাইসেন্স চালু করেছে । ইহা অবশ্যই ইতিবাচক। তাই এখন গ্রাহকদেরও সতর্কতার প্রয়োজন রয়েছে । অন্যদিকে সরকার যুক্তরাজ্য, ভারত, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করিয়া নূতনভাবে বিআরটিএ ও পরিবহন আইন প্রণয়ন করিতে যাচ্ছে যাহা প্রাতিষ্ঠানিক অনিয়ম ও সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধে কার্যকর ভূমিকা পালন করিতে পারে। ইহাও বিশেষত বিআরটিএ’র কার্যকারিতা, গতিশীলতা ও সেবার মান বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে আশা করা যায়। এ আইনবলে সড়ক নিরাপত্তার স্বার্থে মোটরযান ও চালককে প্রয়োজন অনুসারে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বাধ্য করা যাবে। একই সঙ্গে কর্তৃপক্ষ যা ভালো মনে করবে, সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে পারবে। কর্তৃপক্ষের অধীনে যেসব অফিস থাকবে সেসব অফিস রেজিস্ট্রেশন সনদ, ফিটনেস সনদ, রুটপারমিট, ড্রাইভিং লাইসেন্স আবার পর্যালোচনা করতে পারবে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে। জানা গেছে, কর্তৃপক্ষ সরকারি মোটরযান মেরামত ও অকেজো ঘোষণার ব্যাপারে নিয়মিত পরিদর্শন করবে। একই সঙ্গে প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে পরিচালনা পর্ষদে। পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনায় জড়িতদের ব্যাপারেও প্রতিবেদন দেবে। কর্তৃপক্ষকে আরও কিছু নতুন দায়িত্ব দেয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে মোটরযানের ওজনসীমা নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণ, মোটরযানের কর ও ফি আদায় করা। এর পাশাপাশি সরকারের অনুমতি নিয়ে মোটরযানের কর ও ফি নির্ধারণ করা। কর্তৃপক্ষের একটি পরিচালনা পর্ষদ থাকবে। এ পর্ষদ কর্তৃপক্ষকে দায়িত্ব পালনে নির্দেশনা ও পরামর্শ দেবে। যোগাযোগমন্ত্রী হবেন এ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি। ১৪ সদস্যের পর্ষদে আরও থাকবেন সড়ক বিভাগের সচিব, সেতু বিভাগের সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, পরিবেশ ও বন সচিব, নৌ-পরিবহন সচিব, পুলিশের আইজিপি, সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী, সরকার মনোনীত তিনজন বিশেষজ্ঞ।

Tag :

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

বিআরটিএ’কে ঢেলে সাজানো হচ্ছে ঝুট-ঝামেলা ছাড়াই সেবা দিয়ে যাচ্ছে

আপডেট টাইম : ০৪:৫৯:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০১৫

ফারুক আহমেদ সুজন : বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। মোটরযান ও সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এ সংস্থাকে আধুনিকায়ন করতে আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। এ আইনের বলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ পুনর্গঠন করা হবে। এ কর্তৃপক্ষের কাজ হবে ড্রাইভিং লাইসেন্স দেয়া থেকে শুরু করে গণপরিবহনের ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করা। এছাড়া মোটরযানের রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস সার্টিফিকেট, রুটপারমিট দেয়া, যাত্রী ও মাল পরিবহন সার্ভিস কার্যক্রম তদারকি করা, ট্রাফিক চিহ্ন ও গতিসীমা নির্ধারণ করবে এ কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নামে একটি সংস্থা রয়েছে, তবে অনেক ক্ষেত্রে এ সংস্থাটি ঠিকমতো কাজ করতে পারছে না বলে জানা গেছে। ড্রাইভার থেকে শুরু করে বিভিন্ন সমিতি ইউনিয়ন ও নেতাদের কাছে সংস্থাটি জিম্মি হয়ে পড়েছে। লাইসেন্স দেয়া থেকে শুরু করে রুটপারমিট পর্যন্ত এ সংস্থাটি কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না । প্রস্তাবিত আইনে কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা বাড়ানো

হচ্ছে। লাইসেন্স প্রাপ্তি আরও সহজ ও দ্রুততর করতে হলে এখন ডিজিটাল সেবা দিতে হবে। এইজন্য বাড়াতে হবে লজিস্টিক সাপোর্ট। প্রয়োজনে বিভিন্ন সেবার খরচ কিছুটা বাড়ানো যায়। জানা মতে, বিআরটিএ গাড়ির রেজিস্ট্রেশনের টাকা এখন অনলাইন ব্যাংকিংয়ে জমা দেওয়ার নিয়ম ও মেশিন রিডেবল ড্রাইভিং লাইসেন্স চালু করেছে । ইহা অবশ্যই ইতিবাচক। তাই এখন গ্রাহকদেরও সতর্কতার প্রয়োজন রয়েছে । অন্যদিকে সরকার যুক্তরাজ্য, ভারত, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করিয়া নূতনভাবে বিআরটিএ ও পরিবহন আইন প্রণয়ন করিতে যাচ্ছে যাহা প্রাতিষ্ঠানিক অনিয়ম ও সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধে কার্যকর ভূমিকা পালন করিতে পারে। ইহাও বিশেষত বিআরটিএ’র কার্যকারিতা, গতিশীলতা ও সেবার মান বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে আশা করা যায়। এ আইনবলে সড়ক নিরাপত্তার স্বার্থে মোটরযান ও চালককে প্রয়োজন অনুসারে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বাধ্য করা যাবে। একই সঙ্গে কর্তৃপক্ষ যা ভালো মনে করবে, সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে পারবে। কর্তৃপক্ষের অধীনে যেসব অফিস থাকবে সেসব অফিস রেজিস্ট্রেশন সনদ, ফিটনেস সনদ, রুটপারমিট, ড্রাইভিং লাইসেন্স আবার পর্যালোচনা করতে পারবে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে। জানা গেছে, কর্তৃপক্ষ সরকারি মোটরযান মেরামত ও অকেজো ঘোষণার ব্যাপারে নিয়মিত পরিদর্শন করবে। একই সঙ্গে প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে পরিচালনা পর্ষদে। পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনায় জড়িতদের ব্যাপারেও প্রতিবেদন দেবে। কর্তৃপক্ষকে আরও কিছু নতুন দায়িত্ব দেয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে মোটরযানের ওজনসীমা নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণ, মোটরযানের কর ও ফি আদায় করা। এর পাশাপাশি সরকারের অনুমতি নিয়ে মোটরযানের কর ও ফি নির্ধারণ করা। কর্তৃপক্ষের একটি পরিচালনা পর্ষদ থাকবে। এ পর্ষদ কর্তৃপক্ষকে দায়িত্ব পালনে নির্দেশনা ও পরামর্শ দেবে। যোগাযোগমন্ত্রী হবেন এ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি। ১৪ সদস্যের পর্ষদে আরও থাকবেন সড়ক বিভাগের সচিব, সেতু বিভাগের সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, পরিবেশ ও বন সচিব, নৌ-পরিবহন সচিব, পুলিশের আইজিপি, সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী, সরকার মনোনীত তিনজন বিশেষজ্ঞ।