পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

৭২ সালেও সংসদের হাতে বিচারকদের অভিশংসনের ক্ষমতা ছিল : আইনমন্ত্রী

index_48274বাংলার খবর২৪.কম: আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল হক বলেছেন, ’৭২ সালের সংবিধানে সংসদের হাতেই বিচারকদের অভিশংসনের ক্ষমতা ছিল। পরে জিয়াউর রহমানের আমলে কিছু বিচারপতি তাঁর সামরিক আইনকে বৈধতা দিয়ে রায় দেন। এর পুরস্কারস্বরূপ বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের থেকে বাতিল করে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে করা আইন জারি করা হয়।

আজ মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের শোক দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সংসদের হাতে বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, সামরিক আইনকে বৈধতা দেওয়ার পুরস্কার হিসেবে জিয়াউর রহমান বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের কাছ থেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন। পরিবর্তে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা স্থানান্তর করা হয়।

আনিসুল হক বলেন, সংসদের হাতে কখনো কোনো বিচারপতি অভিশংসনের শিকার হননি। বরং সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে দুইজন এবং অন্য মাধ্যমে সাতজন বিচারপতি অভিশংসনের মুখে পড়েছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কোনো বিচারপতি হেনস্তার শিকার হননি।

আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সভাপতি সাহারা খাতুনের সভাপতিত্বে আনিসুল হক বলেন, ১৯৯৭ সালের ৭ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা মামলার বিচার যখন উচ্চ আদালতে শুরু হয়, তখন সাতজন বিচারপতি এ মামলায় বিব্রতবোধ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার বিচার তাঁরা করতে চাননি। তারপরও তাঁদের কাউকে অপসারণের জন্য সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে পাঠানো হয়নি। এমনকি তাঁদের মধ্যে একজন প্রধান বিচারপতিও হয়েছিলেন।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও বিশিষ্ট আইনজীবী আমীর-উল-ইসলাম প্রমুখ।

Tag :

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

৭২ সালেও সংসদের হাতে বিচারকদের অভিশংসনের ক্ষমতা ছিল : আইনমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৯:১৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০১৪

index_48274বাংলার খবর২৪.কম: আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল হক বলেছেন, ’৭২ সালের সংবিধানে সংসদের হাতেই বিচারকদের অভিশংসনের ক্ষমতা ছিল। পরে জিয়াউর রহমানের আমলে কিছু বিচারপতি তাঁর সামরিক আইনকে বৈধতা দিয়ে রায় দেন। এর পুরস্কারস্বরূপ বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের থেকে বাতিল করে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে করা আইন জারি করা হয়।

আজ মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের শোক দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সংসদের হাতে বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, সামরিক আইনকে বৈধতা দেওয়ার পুরস্কার হিসেবে জিয়াউর রহমান বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের কাছ থেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন। পরিবর্তে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা স্থানান্তর করা হয়।

আনিসুল হক বলেন, সংসদের হাতে কখনো কোনো বিচারপতি অভিশংসনের শিকার হননি। বরং সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে দুইজন এবং অন্য মাধ্যমে সাতজন বিচারপতি অভিশংসনের মুখে পড়েছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কোনো বিচারপতি হেনস্তার শিকার হননি।

আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সভাপতি সাহারা খাতুনের সভাপতিত্বে আনিসুল হক বলেন, ১৯৯৭ সালের ৭ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা মামলার বিচার যখন উচ্চ আদালতে শুরু হয়, তখন সাতজন বিচারপতি এ মামলায় বিব্রতবোধ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার বিচার তাঁরা করতে চাননি। তারপরও তাঁদের কাউকে অপসারণের জন্য সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে পাঠানো হয়নি। এমনকি তাঁদের মধ্যে একজন প্রধান বিচারপতিও হয়েছিলেন।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও বিশিষ্ট আইনজীবী আমীর-উল-ইসলাম প্রমুখ।