পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

ইসরায়েলে সুপার সোলজার

ইসরায়েলের প্রতিটি নাগরিককে বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষন নিতে হয়। পুরুষদের জন্য তিন বছর এবং নারীদের জন্য দুই বছর মেয়াদে সামরিক বাহিনীতে কাজ করতে হয়। দীর্ঘদিন ধরেই ইসরায়েল তার পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে আধিপত্য সৃষ্টির লক্ষ্যে এই সামরিক কর্মসূচী পালন করে আসছে। যদিও ইসরায়েল রাষ্ট্র একে ‘নাগরিক দায়িত্ব’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে আসছে সেই শুরু থেকেই। তবে সম্প্রতি ইসরায়েল তার নাগরিকদের মধ্য থেকে সুপার সোলজার বা বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন সৈনিক তৈরির প্রকল্প হাতে নিয়েছে।

তেলআভিভভিত্তিক আন্তর্জাতিক সাংবাদিক ওদেদ বালিতলির ভাষ্য মতে, ‘ইসরায়েলে আপনি একবার সামরিক বাহিনীতে নাম লিখিয়েছেন, তার মানে আপনি প্রাপ্তবয়স্ক হলেন। মাত্র একদিনের ব্যবধানে আপনি কিশোর থেকে সৈনিকে পরিনত হচ্ছেন। এদের মধ্যে অনেকেই সেনাবাহিনীতে পাকাপাকিভাবে থেকে যেতে চান, আবার অনেকেই রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন শেষে বাড়ি ফিরে যান।’

ইসরায়েলিদের জন্য সংঘাত জীবনেরই একটা অংশ। দেশটিতে সেনাবাহিনী নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন কিছু নিয়ম চালু করা হয়েছে। সেই নতুন একটি প্রকল্পের অংশ হিসেবে ছয়দিন কাটান বালিতলি। সেখানে দেখা যায়, স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে আসা তরুণ-তরুণীদের মধ্য থেকে বিশেষ কয়েকজনকে আলাদাভাবে প্রশিক্ষণের জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়। এরপর তাদের নির্ধারিত সেনা ব্যারাকের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ইসরায়েল আগামীতে যুদ্ধক্ষেত্রে অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন সৈন্য মোতায়েনের যে পরিকল্পনা ২০১২ সালে ঘোষণা করেছিল তা বর্তমানে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

নতুন প্রকল্পের অংশ হিসেবে নয়া সৈনিকদের শুধু অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষনই দেয়া হবে না। পাশাপাশি তাদের প্রতিকূল পরিস্থিতিতে অস্ত্র তৈরির বা গোলাবারুদ তৈরির সক্ষমতাও দেয়া হবে। আর এই প্রশিক্ষণ দেয়া হবে শুধু ১৬ থেকে ১৭ বছর বয়সী কিশোর কিশোরীদের। প্রাথমিক প্রশিক্ষণ পরবর্তীতে তাদের ইসরায়েলের গোপন সামরিক ঘাটিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের জন্য নিয়ে যাওয়া হবে বলে আপাতত জানা গেছে। কিন্তু এই সৈনিকদের ঠিক কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে তা এখনও জানা যায়নি।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

ইসরায়েলে সুপার সোলজার

আপডেট টাইম : ০৫:৪৪:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০১৫

ইসরায়েলের প্রতিটি নাগরিককে বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষন নিতে হয়। পুরুষদের জন্য তিন বছর এবং নারীদের জন্য দুই বছর মেয়াদে সামরিক বাহিনীতে কাজ করতে হয়। দীর্ঘদিন ধরেই ইসরায়েল তার পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে আধিপত্য সৃষ্টির লক্ষ্যে এই সামরিক কর্মসূচী পালন করে আসছে। যদিও ইসরায়েল রাষ্ট্র একে ‘নাগরিক দায়িত্ব’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে আসছে সেই শুরু থেকেই। তবে সম্প্রতি ইসরায়েল তার নাগরিকদের মধ্য থেকে সুপার সোলজার বা বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন সৈনিক তৈরির প্রকল্প হাতে নিয়েছে।

তেলআভিভভিত্তিক আন্তর্জাতিক সাংবাদিক ওদেদ বালিতলির ভাষ্য মতে, ‘ইসরায়েলে আপনি একবার সামরিক বাহিনীতে নাম লিখিয়েছেন, তার মানে আপনি প্রাপ্তবয়স্ক হলেন। মাত্র একদিনের ব্যবধানে আপনি কিশোর থেকে সৈনিকে পরিনত হচ্ছেন। এদের মধ্যে অনেকেই সেনাবাহিনীতে পাকাপাকিভাবে থেকে যেতে চান, আবার অনেকেই রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন শেষে বাড়ি ফিরে যান।’

ইসরায়েলিদের জন্য সংঘাত জীবনেরই একটা অংশ। দেশটিতে সেনাবাহিনী নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন কিছু নিয়ম চালু করা হয়েছে। সেই নতুন একটি প্রকল্পের অংশ হিসেবে ছয়দিন কাটান বালিতলি। সেখানে দেখা যায়, স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে আসা তরুণ-তরুণীদের মধ্য থেকে বিশেষ কয়েকজনকে আলাদাভাবে প্রশিক্ষণের জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়। এরপর তাদের নির্ধারিত সেনা ব্যারাকের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ইসরায়েল আগামীতে যুদ্ধক্ষেত্রে অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন সৈন্য মোতায়েনের যে পরিকল্পনা ২০১২ সালে ঘোষণা করেছিল তা বর্তমানে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

নতুন প্রকল্পের অংশ হিসেবে নয়া সৈনিকদের শুধু অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষনই দেয়া হবে না। পাশাপাশি তাদের প্রতিকূল পরিস্থিতিতে অস্ত্র তৈরির বা গোলাবারুদ তৈরির সক্ষমতাও দেয়া হবে। আর এই প্রশিক্ষণ দেয়া হবে শুধু ১৬ থেকে ১৭ বছর বয়সী কিশোর কিশোরীদের। প্রাথমিক প্রশিক্ষণ পরবর্তীতে তাদের ইসরায়েলের গোপন সামরিক ঘাটিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের জন্য নিয়ে যাওয়া হবে বলে আপাতত জানা গেছে। কিন্তু এই সৈনিকদের ঠিক কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে তা এখনও জানা যায়নি।