পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

রানা প্লাজা দুর্ঘটনা দুই বছরেও নিখোঁজদের সন্ধান পায়নি স্বজনেরা

ঢাকা: বাংলাদেশে রানা প্লাজা দুর্ঘটনার প্রায় দুই বছর হতে চলেছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় পোশাক কারখানা দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা সরকারি হিসেবে এক হাজার ১৩৬ জন। তবে নিহতের এই সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক যেমন রয়েছে তেমনি রয়েছে নিখোঁজের সংখ্যা নিয়ে।

রানা প্লাজা নামে ওই ভবনের ধসের দুই বছর পর সরকারি হিসেবে বলছে এখনো পর্যন্ত ‘নিশ্চিত নিখোঁজের’ তালিকায় রয়েছে ১৩৫জন শ্রমিকের নাম। তবে বেসরকারি হিসাবে এই সংখ্যা আরো বেশি।

সরকারি, বেসরকারি এত তৎপরতা, ডিএনএ টেস্ট- এসব কিছুর পরেও এই শ্রমিকরা এখনো নিখোঁজ রয়েছে।

শায়লা আক্তার নামের একজন নিখোঁজ শ্রমিকের বোন, রেশমি বলছিলেন, ধসের সময় শায়লা রানা প্লাজাতেই ছিলেন। ঘটনার পর রানা প্লাজা, হাসপাতাল, অধরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়, কবরস্থান, কোথাও বাদ রাখেননি বোনকে খুঁজতে। কিন্তু দুই বছরেও তিনি তার বোনকে খুঁজে পাননি।

রানা প্লাজার নিখোঁজ শ্রমিকদের নিয়ে কাজ করেছেন বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির তাসলিমা আক্তার। তিনি বলছিলেন, “যখন লাশ হস্তান্তর করা হয়, তখন সব লাশের ডিএনএ নমুনা রাখা হয়নি। সব ডিএনএ রাখা হলে হয়তো কিছু নিখোঁজের খোঁজ পাওয়া যেতো। উদ্ধার কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন না হওয়া, লাশ হস্তান্তরে অব্যবস্থাপনা, একজনের লাশ আরেকজনের ভুল করে নিয়ে যাওয়া, সরকারের মনিটরিংয়ের অভাব, এসব কারণেই এত নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে।”

রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় নিখোঁজের তালিকা তৈরিতে সরকার, সেনাবাহিনী, শ্রমিক ও মালিক সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে কমিটি তৈরি করা হয়। পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে নমুনা নিয়ে মরদেহের নমুনার সাথে মেলানো হয়। বাংলাদেশ সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তর বলছে, এ পর্যন্ত ১৭৭ জনের ডিএনএ মিলে যাওয়ায় তাদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ১৩৫ জন। আর জুরাইন কবরস্থান ১১৪ জনের কবর রয়েছে। তাদেরও কোনো পরিচয় এই দুইবছরেও পাওয়া যায়নি। সূত্র: বিবিসি

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

রানা প্লাজা দুর্ঘটনা দুই বছরেও নিখোঁজদের সন্ধান পায়নি স্বজনেরা

আপডেট টাইম : ০৪:৫৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৫

ঢাকা: বাংলাদেশে রানা প্লাজা দুর্ঘটনার প্রায় দুই বছর হতে চলেছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় পোশাক কারখানা দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা সরকারি হিসেবে এক হাজার ১৩৬ জন। তবে নিহতের এই সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক যেমন রয়েছে তেমনি রয়েছে নিখোঁজের সংখ্যা নিয়ে।

রানা প্লাজা নামে ওই ভবনের ধসের দুই বছর পর সরকারি হিসেবে বলছে এখনো পর্যন্ত ‘নিশ্চিত নিখোঁজের’ তালিকায় রয়েছে ১৩৫জন শ্রমিকের নাম। তবে বেসরকারি হিসাবে এই সংখ্যা আরো বেশি।

সরকারি, বেসরকারি এত তৎপরতা, ডিএনএ টেস্ট- এসব কিছুর পরেও এই শ্রমিকরা এখনো নিখোঁজ রয়েছে।

শায়লা আক্তার নামের একজন নিখোঁজ শ্রমিকের বোন, রেশমি বলছিলেন, ধসের সময় শায়লা রানা প্লাজাতেই ছিলেন। ঘটনার পর রানা প্লাজা, হাসপাতাল, অধরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়, কবরস্থান, কোথাও বাদ রাখেননি বোনকে খুঁজতে। কিন্তু দুই বছরেও তিনি তার বোনকে খুঁজে পাননি।

রানা প্লাজার নিখোঁজ শ্রমিকদের নিয়ে কাজ করেছেন বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির তাসলিমা আক্তার। তিনি বলছিলেন, “যখন লাশ হস্তান্তর করা হয়, তখন সব লাশের ডিএনএ নমুনা রাখা হয়নি। সব ডিএনএ রাখা হলে হয়তো কিছু নিখোঁজের খোঁজ পাওয়া যেতো। উদ্ধার কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন না হওয়া, লাশ হস্তান্তরে অব্যবস্থাপনা, একজনের লাশ আরেকজনের ভুল করে নিয়ে যাওয়া, সরকারের মনিটরিংয়ের অভাব, এসব কারণেই এত নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে।”

রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় নিখোঁজের তালিকা তৈরিতে সরকার, সেনাবাহিনী, শ্রমিক ও মালিক সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে কমিটি তৈরি করা হয়। পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে নমুনা নিয়ে মরদেহের নমুনার সাথে মেলানো হয়। বাংলাদেশ সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তর বলছে, এ পর্যন্ত ১৭৭ জনের ডিএনএ মিলে যাওয়ায় তাদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ১৩৫ জন। আর জুরাইন কবরস্থান ১১৪ জনের কবর রয়েছে। তাদেরও কোনো পরিচয় এই দুইবছরেও পাওয়া যায়নি। সূত্র: বিবিসি