অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় গরু ও আগরবাতি আটক Logo পাটগ্রামে উৎসবমুখর পরিবেশে যুগের আলো পত্রিকার ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত Logo জলসিড়ি আবাসনের সাথে রূপগঞ্জের জমি মালিকদের সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিলেন এমপি দিপু ভুঁইয়া Logo হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির অভিযানে মাদক ও মোটরসাইকেল পার্টস আটক Logo মিরপুর বিআরটিএতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৯ জন দালাল আটক Logo লালমনিরহাটে শিবরাম স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ Logo মিরপুর বিআরটিএ-তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: তিনজনকে কারাদণ্ড। Logo সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির মৃত্যুর পেছনের প্রকৃত ঘটনা অনুসন্ধান ও দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি বিআরজেইউর Logo জলসিঁড়ি আবাসনের জবরদখলের প্রতিবাদ ও জিয়া খাল উদ্ধারে ১০ গ্রামের হাজার হাজার বাসিন্দাদের সভা Logo মিরপুর বিআরটিএ-তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ছয়জনকে কারাদণ্ড।

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর পটুয়াখালী জেলার ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি মো. এনামুল হক এনা সংবাদ প্রকাশে বাধা, মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা, মব সৃষ্টি এবং পরবর্তী সময়ে পুলিশি হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে একটি সংবেদনশীল ঘটনার তথ্য সংগ্রহের পর এসব ঘটনার মুখোমুখি হতে হয়েছে।
মো. এনামুল হক এনা জানান, তিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর পটুয়াখালী জেলার ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন। এর আগে তিনি দৈনিক নয়া দিগন্ত ও দৈনিক আমাদের সময়-সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সেন্ট্রাল ডেস্কে সহ-সম্পাদক হিসেবে ১০ বছর কর্মরত ছিলেন। এছাড়া তিনি ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) ও ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের (ডিএসইসি) সদস্য।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৬ জুলাই ২০২৬ তিনি, দৈনিক মানবকণ্ঠের জসিম উদ্দীন অন্তু, আনন্দ টিভির নাজিম উদ্দীন এবং দৈনিক জাগো জনতার মো. রিয়াজ—মোট চারজন সাংবাদিক—বাউফল উপজেলার দাসপাড়া এলাকায় একটি অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহে যান। অভিযোগ ছিল, বাউফল উপজেলার দাসপাড়া এলাকার সাওন মণ্ডল নামে এক হিন্দু যুবক নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার মাহামুদা খাতুন বৃষ্টি (১৬), পিতা বাবুল মোড়ল, মাতা আকলিমা খাতুনকে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে নেত্রকোনা থেকে বাউফলে নিয়ে এসে দীর্ঘদিন একসঙ্গে বসবাস করছেন এবং আইনগতভাবে ধর্মান্তর কিংবা বিবাহ নিবন্ধন ছাড়াই দাম্পত্য জীবন পালন করছেন।
এনামুল হক এনা দাবি করেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে চার সাংবাদিক ভুক্তভোগী নাবালিকা মেয়েটির সাক্ষাৎকার নেন এবং তার ভিডিও রেকর্ড সংরক্ষণ করেন। সাক্ষাৎকারে ওই কিশোরী জানান, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয়, পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে যুবক তাকে বাউফলে তার বাবার বাড়িতে নিয়ে আসেন এবং তারা দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বসবাস করছেন।
তিনি বলেন, তথ্য সংগ্রহ শেষে তারা একটি কম্পিউটারের দোকানে বসে সংবাদ লেখার কাজ শুরু করেন। এ সময় তাদের উপস্থিতি ও তথ্য সংগ্রহের বিষয়টি জানাজানি হলে সংবাদ প্রকাশ ঠেকানোর উদ্দেশ্যে তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তার অভিযোগ, ইসকনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তাদের চাঁদাবাজ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেন এবং পরিকল্পিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়।
এনামুল হক এনার অভিযোগ, এ ঘটনায় নেতৃত্ব দেন ইসকনের বাউফল শাখার নেতা ও প্রাইম টিভির সাংবাদিক সবুজ সরকার, জেলা ইসকনের নেতা ও এনটিভির জেলা প্রতিনিধি কাজল বরণ দাস, বাউফল রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক জি. এম. মিলন, সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, বাউফল প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দীন, ফার্মাসিয়া ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি হাফিজুর রহমানসহ আরও কয়েকজন। তিনি দাবি করেন, তাদের উদ্যোগে বাউফল থানায় গিয়ে তার (এনামুল হক এনা) ও মো. রিয়াজের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়, যার মামলা নম্বর ৪২(০৭)২০২৬।
তার অভিযোগ, ২৬ জুলাই রাত আনুমানিক ১০টার দিকে হাসপাতাল সড়ক এলাকায় সবুজ সরকার ও জি. এম. মিলনের নেতৃত্বে ২০–২৫ জনের একটি দল তাদের ঘিরে মব সৃষ্টি করে এবং চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে সংবাদ প্রকাশে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে।
এনামুল হক এনা আরও বলেন, ঘটনাস্থলে চারজন সাংবাদিক উপস্থিত থাকলেও মামলায় কেবল তার এবং মো. রিয়াজের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অন্য দুই সাংবাদিকের নাম বাদ দেওয়া হয়। তার দাবি, এটি পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জসিম উদ্দীন অন্তু পৌর বিএনপির সভাপতি হুমায়ূন কবিরের আপন বড় ভাইয়ের ছেলে এবং নাজিম উদ্দীন বাউফল প্রেস ক্লাবের সদস্য হওয়ায় তাদের মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি আরও জানান, স্থানীয় সাংবাদিক সংগঠনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ থাকায় তিনি ও মো. রিয়াজ কোনো স্থানীয় সাংবাদিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত নন।
তিনি বলেন, এর আগের দিন ২৫ জুলাই বাউফলে ফ্যামিলি কার্ডের সুপারভাইজার পদে নিয়োগ পরীক্ষার সময় ‘বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল আলম তালুকদারের ছেলে রায়হান তালুকদার আকাশের পরীক্ষাকেন্দ্রে অবৈধ উপস্থিতি’ শীর্ষক একটি সংবাদ প্রকাশ করেন। ওই সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই বাউফল রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক জি. এম. মিলন বিভিন্নভাবে তাকে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ করেন। তিনি আরও দাবি করেন, সাবেক এমপি শহিদুল আলম তালুকদারের নিয়ন্ত্রণাধীন সংগঠন হচ্ছে বাউফল রিপোর্টার্স ইউনিটি।
সবশেষে এনামুল হক এনা অভিযোগ করেন, মামলা দায়েরের পর তার বাসায় দুই দফায় পুলিশ সিভিল ড্রেসে তল্লাশি চালায়। এ সময় বাউফল রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক জি. এম. মিলন, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ এবং তাদের সহযোগীরা পুলিশের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষিত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তার ভাষ্য, পুরো ঘটনাটি পরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হয়েছে এবং তাকে ও তার সহকর্মীকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা থেকে বিরত রাখাই এর উদ্দেশ্য।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় গরু ও আগরবাতি আটক

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০২:২৪:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর পটুয়াখালী জেলার ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি মো. এনামুল হক এনা সংবাদ প্রকাশে বাধা, মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা, মব সৃষ্টি এবং পরবর্তী সময়ে পুলিশি হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে একটি সংবেদনশীল ঘটনার তথ্য সংগ্রহের পর এসব ঘটনার মুখোমুখি হতে হয়েছে।
মো. এনামুল হক এনা জানান, তিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর পটুয়াখালী জেলার ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন। এর আগে তিনি দৈনিক নয়া দিগন্ত ও দৈনিক আমাদের সময়-সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সেন্ট্রাল ডেস্কে সহ-সম্পাদক হিসেবে ১০ বছর কর্মরত ছিলেন। এছাড়া তিনি ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) ও ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের (ডিএসইসি) সদস্য।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৬ জুলাই ২০২৬ তিনি, দৈনিক মানবকণ্ঠের জসিম উদ্দীন অন্তু, আনন্দ টিভির নাজিম উদ্দীন এবং দৈনিক জাগো জনতার মো. রিয়াজ—মোট চারজন সাংবাদিক—বাউফল উপজেলার দাসপাড়া এলাকায় একটি অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহে যান। অভিযোগ ছিল, বাউফল উপজেলার দাসপাড়া এলাকার সাওন মণ্ডল নামে এক হিন্দু যুবক নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার মাহামুদা খাতুন বৃষ্টি (১৬), পিতা বাবুল মোড়ল, মাতা আকলিমা খাতুনকে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে নেত্রকোনা থেকে বাউফলে নিয়ে এসে দীর্ঘদিন একসঙ্গে বসবাস করছেন এবং আইনগতভাবে ধর্মান্তর কিংবা বিবাহ নিবন্ধন ছাড়াই দাম্পত্য জীবন পালন করছেন।
এনামুল হক এনা দাবি করেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে চার সাংবাদিক ভুক্তভোগী নাবালিকা মেয়েটির সাক্ষাৎকার নেন এবং তার ভিডিও রেকর্ড সংরক্ষণ করেন। সাক্ষাৎকারে ওই কিশোরী জানান, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয়, পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে যুবক তাকে বাউফলে তার বাবার বাড়িতে নিয়ে আসেন এবং তারা দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বসবাস করছেন।
তিনি বলেন, তথ্য সংগ্রহ শেষে তারা একটি কম্পিউটারের দোকানে বসে সংবাদ লেখার কাজ শুরু করেন। এ সময় তাদের উপস্থিতি ও তথ্য সংগ্রহের বিষয়টি জানাজানি হলে সংবাদ প্রকাশ ঠেকানোর উদ্দেশ্যে তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তার অভিযোগ, ইসকনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তাদের চাঁদাবাজ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেন এবং পরিকল্পিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়।
এনামুল হক এনার অভিযোগ, এ ঘটনায় নেতৃত্ব দেন ইসকনের বাউফল শাখার নেতা ও প্রাইম টিভির সাংবাদিক সবুজ সরকার, জেলা ইসকনের নেতা ও এনটিভির জেলা প্রতিনিধি কাজল বরণ দাস, বাউফল রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক জি. এম. মিলন, সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, বাউফল প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দীন, ফার্মাসিয়া ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি হাফিজুর রহমানসহ আরও কয়েকজন। তিনি দাবি করেন, তাদের উদ্যোগে বাউফল থানায় গিয়ে তার (এনামুল হক এনা) ও মো. রিয়াজের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়, যার মামলা নম্বর ৪২(০৭)২০২৬।
তার অভিযোগ, ২৬ জুলাই রাত আনুমানিক ১০টার দিকে হাসপাতাল সড়ক এলাকায় সবুজ সরকার ও জি. এম. মিলনের নেতৃত্বে ২০–২৫ জনের একটি দল তাদের ঘিরে মব সৃষ্টি করে এবং চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে সংবাদ প্রকাশে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে।
এনামুল হক এনা আরও বলেন, ঘটনাস্থলে চারজন সাংবাদিক উপস্থিত থাকলেও মামলায় কেবল তার এবং মো. রিয়াজের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অন্য দুই সাংবাদিকের নাম বাদ দেওয়া হয়। তার দাবি, এটি পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জসিম উদ্দীন অন্তু পৌর বিএনপির সভাপতি হুমায়ূন কবিরের আপন বড় ভাইয়ের ছেলে এবং নাজিম উদ্দীন বাউফল প্রেস ক্লাবের সদস্য হওয়ায় তাদের মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি আরও জানান, স্থানীয় সাংবাদিক সংগঠনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ থাকায় তিনি ও মো. রিয়াজ কোনো স্থানীয় সাংবাদিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত নন।
তিনি বলেন, এর আগের দিন ২৫ জুলাই বাউফলে ফ্যামিলি কার্ডের সুপারভাইজার পদে নিয়োগ পরীক্ষার সময় ‘বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল আলম তালুকদারের ছেলে রায়হান তালুকদার আকাশের পরীক্ষাকেন্দ্রে অবৈধ উপস্থিতি’ শীর্ষক একটি সংবাদ প্রকাশ করেন। ওই সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই বাউফল রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক জি. এম. মিলন বিভিন্নভাবে তাকে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ করেন। তিনি আরও দাবি করেন, সাবেক এমপি শহিদুল আলম তালুকদারের নিয়ন্ত্রণাধীন সংগঠন হচ্ছে বাউফল রিপোর্টার্স ইউনিটি।
সবশেষে এনামুল হক এনা অভিযোগ করেন, মামলা দায়েরের পর তার বাসায় দুই দফায় পুলিশ সিভিল ড্রেসে তল্লাশি চালায়। এ সময় বাউফল রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক জি. এম. মিলন, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ এবং তাদের সহযোগীরা পুলিশের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষিত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তার ভাষ্য, পুরো ঘটনাটি পরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হয়েছে এবং তাকে ও তার সহকর্মীকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা থেকে বিরত রাখাই এর উদ্দেশ্য।