পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কর্মসংস্থান বৃদ্ধি

ঢাকা : বাংলাদেশের জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো কর্মসংস্থানের বৃদ্ধি। দেশে অনেক জনবল থাকলেও দক্ষ জনশক্তির যথেষ্ট অভাব রয়েছে। এজন্য টেকসই উন্নয়নের জন্য আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা বেশি প্রয়েজন বলে এক আন্তর্জাতিক সেমিনারের গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে।

‘বাংলাদেশে মূল্য স্থিতি, প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানে চ্যালেঞ্জ : বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকা’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ ব্যাংকে। এ সেমিনারের মূল গবেষণাপত্রে ও বক্তাদের বক্তব্যে বেরিয়ে এসেছে এমন তথ্য।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা(আইএলও) ও বাংলাদেশ ব্যাংক যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে।

এসময় আইএলওর সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ মোক্তাদা এবিষের ওপর তার গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন।

গবেষণাপত্রে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরি ও আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা নিশ্চিতে সহায়ক নীতিমালা প্রণয়নের গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি। গবেষণাপত্রটি তৈরি করা হয়েছে আইএলওর পক্ষ থেকে।

একইসঙ্গে বক্তারা বলেছেন, দক্ষ জনশক্তি গড়া ও আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য প্রয়োজন সহায়ক কার্যকর নীতি প্রণয়ন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ডা. আতিউর রহমান। সেমিনারের সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ বিরুপাক্ষ পাল। আরও উপস্থিত ছিলেন আইএলও জেনেভার শ্রম ও বিপণন বিভাগের প্রধান এনায়েতুল ইসলাম, আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর শ্রীনিবাস রেড্ডি।

এছাড়াও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবুল কাশেম, এস কে সুর চৌধুরী, নাজনীন সুলতানা ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের(ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্বপন কুমার বালা প্রমুখ।

গবেষণার ওপর মূল্যায়ন করতে গিয়ে ড. আতিউর বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা জড়িত কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে এই রকম গবেষণা সম্ভব নয়। তবে দেশী-বিদেশী সংস্থাগুলোর এরকম গবেষণা আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা ও অন্তর্ভ‍ুক্তিমূলক কাজে আন্তর্জাতিকভাবেও উপকৃত হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকও এ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাবে।

তবে, বাংলাদেশ ব্যাংকের অনেক উদ্যোগ সম্পর্কে না জানার কারণে হয়ত এই গবেষণাপত্র সুনির্দিষ্টভাবে শেষ করতে পারেননি মোক্তাদা। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনেক তথ্যর অনুপস্থিতি আমি দেখেছি গবেষণাপত্রে বলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।

আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর শ্রীনিবাস রেড্ডি বলেন, বাংলাদেশের এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো অদক্ষ জনবল ও ঝুঁকিপূর্ণ উৎপাদন ক্ষেত্র(কারখানা)। এই কারণে উৎপাদন কমে যাচ্ছে।

গবেষণাপত্রে তথ্যচিত্র উপস্থাপনের মাধ্যমে মুহাম্মদ মোক্তাদা বলেন, বাংলাদেশের জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কর্মসংস্থান বাড়ানো। এখানে অনেক জনবল থাকলেও দক্ষ জনশক্তির যথেষ্ট অভাব রয়েছে। তাই দক্ষ জনশক্তি গড়ার জন্য প্রয়োজন কার্যকর নীতি প্রণয়ন।

বক্তারা বলেন, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা না হলে কর্মসংস্থান বাড়ার সাথে আয়ে অসামঞ্জস্য সৃষ্টি হবে। আর এ দুটো না হলে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্ভব হয় না।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কর্মসংস্থান বৃদ্ধি

আপডেট টাইম : ০৩:৪৪:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০১৫

ঢাকা : বাংলাদেশের জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো কর্মসংস্থানের বৃদ্ধি। দেশে অনেক জনবল থাকলেও দক্ষ জনশক্তির যথেষ্ট অভাব রয়েছে। এজন্য টেকসই উন্নয়নের জন্য আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা বেশি প্রয়েজন বলে এক আন্তর্জাতিক সেমিনারের গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে।

‘বাংলাদেশে মূল্য স্থিতি, প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানে চ্যালেঞ্জ : বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকা’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ ব্যাংকে। এ সেমিনারের মূল গবেষণাপত্রে ও বক্তাদের বক্তব্যে বেরিয়ে এসেছে এমন তথ্য।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা(আইএলও) ও বাংলাদেশ ব্যাংক যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে।

এসময় আইএলওর সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ মোক্তাদা এবিষের ওপর তার গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন।

গবেষণাপত্রে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরি ও আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা নিশ্চিতে সহায়ক নীতিমালা প্রণয়নের গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি। গবেষণাপত্রটি তৈরি করা হয়েছে আইএলওর পক্ষ থেকে।

একইসঙ্গে বক্তারা বলেছেন, দক্ষ জনশক্তি গড়া ও আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য প্রয়োজন সহায়ক কার্যকর নীতি প্রণয়ন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ডা. আতিউর রহমান। সেমিনারের সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ বিরুপাক্ষ পাল। আরও উপস্থিত ছিলেন আইএলও জেনেভার শ্রম ও বিপণন বিভাগের প্রধান এনায়েতুল ইসলাম, আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর শ্রীনিবাস রেড্ডি।

এছাড়াও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবুল কাশেম, এস কে সুর চৌধুরী, নাজনীন সুলতানা ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের(ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্বপন কুমার বালা প্রমুখ।

গবেষণার ওপর মূল্যায়ন করতে গিয়ে ড. আতিউর বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা জড়িত কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে এই রকম গবেষণা সম্ভব নয়। তবে দেশী-বিদেশী সংস্থাগুলোর এরকম গবেষণা আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা ও অন্তর্ভ‍ুক্তিমূলক কাজে আন্তর্জাতিকভাবেও উপকৃত হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকও এ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাবে।

তবে, বাংলাদেশ ব্যাংকের অনেক উদ্যোগ সম্পর্কে না জানার কারণে হয়ত এই গবেষণাপত্র সুনির্দিষ্টভাবে শেষ করতে পারেননি মোক্তাদা। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনেক তথ্যর অনুপস্থিতি আমি দেখেছি গবেষণাপত্রে বলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।

আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর শ্রীনিবাস রেড্ডি বলেন, বাংলাদেশের এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো অদক্ষ জনবল ও ঝুঁকিপূর্ণ উৎপাদন ক্ষেত্র(কারখানা)। এই কারণে উৎপাদন কমে যাচ্ছে।

গবেষণাপত্রে তথ্যচিত্র উপস্থাপনের মাধ্যমে মুহাম্মদ মোক্তাদা বলেন, বাংলাদেশের জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কর্মসংস্থান বাড়ানো। এখানে অনেক জনবল থাকলেও দক্ষ জনশক্তির যথেষ্ট অভাব রয়েছে। তাই দক্ষ জনশক্তি গড়ার জন্য প্রয়োজন কার্যকর নীতি প্রণয়ন।

বক্তারা বলেন, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা না হলে কর্মসংস্থান বাড়ার সাথে আয়ে অসামঞ্জস্য সৃষ্টি হবে। আর এ দুটো না হলে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্ভব হয় না।