
ঢাকা: ঐতিহাসিক ফারাক্কা অভিমুখে লংমার্চের ৩৯তম বার্ষিকী আজ ১৬ মে। ফারাক্কা বাঁধের মাধ্যমে ভারত আন্তর্জাতিক নদী গঙ্গার পানি একতরফাভাবে প্রত্যাহার করে। এর ফলে বাংলাদেশর উত্তরাঞ্চলে মরুকরণ দেখা দেয়। এরই প্রতিবাদে ১৯৭৬ সালের ১৬ মে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ফারাক্কা অভিমুখে লংমার্চ হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। বিবৃতিও দিয়েছে।
বিএনপির মুখপাত্র আসাদুজ্জামান রিপন গতকাল এক বিবৃতিতে ফারাক্কা দিবস উপলক্ষে মওলানা ভাসানীর প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, লংমার্চের কারণেই বাংলাদেশের পানি সংকটের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছিল। বিবৃতিতে বলা হয়, ভারতের সঙ্গে অভিন্ন নদ-নদীর পানি বণ্টনের সমস্যা অমীমাংসিত থাকায় বাংলাদেশ এখন পরিবেশ ও প্রতিবেশগত বিপর্যয়ের সম্মুখীন। আলোচনার মাধ্যমে পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত হবে বলে আশা করে বিএনপি।
বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (বাংলাদেশ ন্যাপ) গতকাল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ‘ভারতের পানি আগ্রাসন: আমাদের করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করে। এতে আলোচকেরা বলেন, ভারত উজানের দেশ হিসেবে ভাটির দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে সুপ্রতিবেশীর আচরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এর বিরুদ্ধে ভাসানীর প্রদর্শিত পথে লড়াইয়ের আহ্বান জানান তাঁরা।
ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ নেজামী এক বিবৃতিতে বলেন, ভারতের একতরফা পানি প্রত্যাহারের কারণে বাংলাদেশের নদ-নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ায় তিস্তা, গঙ্গা-কপোতাক্ষ (জিকে) ও মুহুরি সেচ প্রকল্প বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। তিনি ভারতের পানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জনগণকে জেগে ওঠার আহ্বান জানান।
বাংলার খবর ডেস্ক : 














