পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

লালবাগের সেভেন মার্ডার: ২০ বছর পর রায় হচ্ছে আপিলের

image_91851_0নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: রাজধানীর লালবাগে ১৯৯৪ সালের চাঞ্চল্যকর সেভেন মার্ডার মামলায় নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের রায় প্রদান অব্যাহত রয়েছে।

বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের ডিভিশন বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করছেন।

বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা শেষ হতে পারে বলে নতুন বার্তাকে জানিয়েছেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ।

রোববার  থেকে এ মামলার রায় প্রদান শুরু হয়।

ঢাকা সিটি করপোরেশনের কমিশনার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ১৯৯৪ সালে লালবাগে এ চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ড ঘটে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ১৯৯৪ সালের ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত কমিশনার নির্বাচনে জয়লাভ করেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী হুমায়ুন কবির। বিজয়ী প্রার্থীর সমর্থকরা পরদিন বিজয় মিছিল বের করে। লালবাগের নবাবগঞ্জ রোডের ওপর মিছিলে পরাজিত বিএনপি প্রার্থী আব্দুল আজিজ মিয়ার সমর্থকরা হামলা করে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যায় ছয় জন। এছাড়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঘটনার ২/৩ মাস পর মৃত্যুবরণ করে আরো একজন। তখন থেকে মামলাটি সেভেন মার্ডার মামলা হিসেবে পরিচিত পায়।

এ হত্যার ঘটনায় ওইদিন পরাজিত প্রার্থী আব্দুল আজিজসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন হুমায়ুন কবির। পরে মামলাটি তদন্ত করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ২১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

এরপর সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষে ২০০৮ সালের ৭ মে ঢাকার জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল আসামি আব্দুস সালাম ওরফে মতি এবং জাহিদ হাসান ওরফে নাটকা বাবুকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।

এছাড়া আব্দুল আলিম ওরফে শাহীন, মুনির পাটোয়ারী, মাহতাব হোসেন, দেলোয়ার  হোসেন ওরফে আন্ডা, আমির হোসেন আমির, দিল মো. মতি, কানু ওরফে কাইল্যা, মোজাম্মেল ও মুন্নাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং আব্দুল আজিজকে দশ বচর দন্ড দেয়। বাকি আট আসামিকে খালাস দেয় আদালত।

বিচার চলাকালে আরেক আসামি আব্দুল মজিদ ওরফে চামু মৃত্যুবরণ করেন।

বিচারিক আদালতের রায়কে অনুমোদনের জন্য তা ডেথ রেফারেন্স আকারে এবং পলাতক দুই আসামি ছাড়া সকলে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন।

চলতি মাসে এই আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের ওপর শুনানি শেষে রায় প্রদান শুরু করে হাইকোর্ট।

আসামি পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, এডভোকেট এসএম শাহজাহান, ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন, এডভোকেট খুরশীদ আলম খান ও ব্যারিস্টার ইমরান এ সিদ্দিক। এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ।

Tag :

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

লালবাগের সেভেন মার্ডার: ২০ বছর পর রায় হচ্ছে আপিলের

আপডেট টাইম : ০৮:৪৫:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০১৪
image_91851_0নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: রাজধানীর লালবাগে ১৯৯৪ সালের চাঞ্চল্যকর সেভেন মার্ডার মামলায় নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের রায় প্রদান অব্যাহত রয়েছে।

বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের ডিভিশন বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করছেন।

বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা শেষ হতে পারে বলে নতুন বার্তাকে জানিয়েছেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ।

রোববার  থেকে এ মামলার রায় প্রদান শুরু হয়।

ঢাকা সিটি করপোরেশনের কমিশনার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ১৯৯৪ সালে লালবাগে এ চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ড ঘটে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ১৯৯৪ সালের ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত কমিশনার নির্বাচনে জয়লাভ করেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী হুমায়ুন কবির। বিজয়ী প্রার্থীর সমর্থকরা পরদিন বিজয় মিছিল বের করে। লালবাগের নবাবগঞ্জ রোডের ওপর মিছিলে পরাজিত বিএনপি প্রার্থী আব্দুল আজিজ মিয়ার সমর্থকরা হামলা করে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যায় ছয় জন। এছাড়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঘটনার ২/৩ মাস পর মৃত্যুবরণ করে আরো একজন। তখন থেকে মামলাটি সেভেন মার্ডার মামলা হিসেবে পরিচিত পায়।

এ হত্যার ঘটনায় ওইদিন পরাজিত প্রার্থী আব্দুল আজিজসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন হুমায়ুন কবির। পরে মামলাটি তদন্ত করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ২১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

এরপর সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষে ২০০৮ সালের ৭ মে ঢাকার জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল আসামি আব্দুস সালাম ওরফে মতি এবং জাহিদ হাসান ওরফে নাটকা বাবুকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।

এছাড়া আব্দুল আলিম ওরফে শাহীন, মুনির পাটোয়ারী, মাহতাব হোসেন, দেলোয়ার  হোসেন ওরফে আন্ডা, আমির হোসেন আমির, দিল মো. মতি, কানু ওরফে কাইল্যা, মোজাম্মেল ও মুন্নাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং আব্দুল আজিজকে দশ বচর দন্ড দেয়। বাকি আট আসামিকে খালাস দেয় আদালত।

বিচার চলাকালে আরেক আসামি আব্দুল মজিদ ওরফে চামু মৃত্যুবরণ করেন।

বিচারিক আদালতের রায়কে অনুমোদনের জন্য তা ডেথ রেফারেন্স আকারে এবং পলাতক দুই আসামি ছাড়া সকলে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন।

চলতি মাসে এই আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের ওপর শুনানি শেষে রায় প্রদান শুরু করে হাইকোর্ট।

আসামি পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, এডভোকেট এসএম শাহজাহান, ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন, এডভোকেট খুরশীদ আলম খান ও ব্যারিস্টার ইমরান এ সিদ্দিক। এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ।