পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

বানিয়াবাজারে দুইপক্ষের সংঘর্ষ, বাড়িঘরে হামলা মহিলাসহ আহত ১০

জামালপুর: পূর্ব শক্রতার জের ধরে শহরের বানিয়া বাজারে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, বাড়িঘরে হামলা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় মহিলাসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। আহতদের জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে জামালপুর সদর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।

এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, বানিয়াবাজার এলাকার লাল মিয়ার ছেলে রহমান ড্রাইভারের স্ত্রীকে বিয়ে প্রলোভন দেখিয়ে একই এলাকার আবুল হোসেন ছেলে রুহুল আমীন আলম দুই সন্তানের জননী মেরিনা আক্তার সুমিকে তার স্বামীর সংসার থেকে পালিয়ে নিয়ে যায়। এই ঘটনার পর রহমান তার স্ত্রী সুমিকে গত ১৭ এপ্রিল কোর্টে এভিডেভিটের মাধ্যমে তালাক দেন। তালাক দেয়ার পর রুহুল আমীন আলমের প্ররোচনায় সুমি আশুলিয়া সাভার থানায় যৌতুক আইনে একটি মামলা করে। মামলা দায়ের সুমির পক্ষ নিয়ে রুহুল আমীন আলম সাভার থানার পুলিশ নিয়ে গত ৬ জুলাই জামালপুর থানার পুলিশের সহায়তায় শহরের নিরালা কার পাকিং থেকে রহমানকে গ্রেফতার করে। পরে তাকে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। এই খবর বানিয়া বাজার এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকার সচেতন মহলে চরম ক্ষোভ দেখা দেয়। পরে গত ১২ জুলাই ঢাকার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিনে বেরিয়ে আসেন রহমান। আজ মঙ্গলবার বিকাল ৪ টায় রহমান তার বাড়ির সামনে ঘুরাফেরা করার সময় আলম ও তার সাথে থাকা ১৫/২০ সন্ত্রাসীসহ রহমানের উপর হামলা চালায়। এ সময় রহমান দৌড়ে বাড়িতে গেলে তারা তার বাড়িতে হামলা চালায়। আলম গ্রুপের হামলায় রহমান (৩০), লাল মিয়া (৬০) শাহীন (৩৫) রহিম (৪০), শামীম (২৬), ফাতেমা (৩২), মারাত্বকভাবে আহত হন। পরে এলাকার লোকজন তাদের প্রতিহত করে। পরে জামালপুর সদর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করে। আলম গ্রুপের হামলার শিকার রহমান ও তার পরিবার জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে সময় মতো না আসলে তারা আমাদেরকে মেরেই ফেলতো। এই ঘটনায় জামালপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে আলমের পরিবার দাবি করেছে তাদের ৩ জন আহত হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

বানিয়াবাজারে দুইপক্ষের সংঘর্ষ, বাড়িঘরে হামলা মহিলাসহ আহত ১০

আপডেট টাইম : ০৭:৫২:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০১৫

জামালপুর: পূর্ব শক্রতার জের ধরে শহরের বানিয়া বাজারে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, বাড়িঘরে হামলা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় মহিলাসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। আহতদের জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে জামালপুর সদর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।

এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, বানিয়াবাজার এলাকার লাল মিয়ার ছেলে রহমান ড্রাইভারের স্ত্রীকে বিয়ে প্রলোভন দেখিয়ে একই এলাকার আবুল হোসেন ছেলে রুহুল আমীন আলম দুই সন্তানের জননী মেরিনা আক্তার সুমিকে তার স্বামীর সংসার থেকে পালিয়ে নিয়ে যায়। এই ঘটনার পর রহমান তার স্ত্রী সুমিকে গত ১৭ এপ্রিল কোর্টে এভিডেভিটের মাধ্যমে তালাক দেন। তালাক দেয়ার পর রুহুল আমীন আলমের প্ররোচনায় সুমি আশুলিয়া সাভার থানায় যৌতুক আইনে একটি মামলা করে। মামলা দায়ের সুমির পক্ষ নিয়ে রুহুল আমীন আলম সাভার থানার পুলিশ নিয়ে গত ৬ জুলাই জামালপুর থানার পুলিশের সহায়তায় শহরের নিরালা কার পাকিং থেকে রহমানকে গ্রেফতার করে। পরে তাকে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। এই খবর বানিয়া বাজার এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকার সচেতন মহলে চরম ক্ষোভ দেখা দেয়। পরে গত ১২ জুলাই ঢাকার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিনে বেরিয়ে আসেন রহমান। আজ মঙ্গলবার বিকাল ৪ টায় রহমান তার বাড়ির সামনে ঘুরাফেরা করার সময় আলম ও তার সাথে থাকা ১৫/২০ সন্ত্রাসীসহ রহমানের উপর হামলা চালায়। এ সময় রহমান দৌড়ে বাড়িতে গেলে তারা তার বাড়িতে হামলা চালায়। আলম গ্রুপের হামলায় রহমান (৩০), লাল মিয়া (৬০) শাহীন (৩৫) রহিম (৪০), শামীম (২৬), ফাতেমা (৩২), মারাত্বকভাবে আহত হন। পরে এলাকার লোকজন তাদের প্রতিহত করে। পরে জামালপুর সদর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করে। আলম গ্রুপের হামলার শিকার রহমান ও তার পরিবার জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে সময় মতো না আসলে তারা আমাদেরকে মেরেই ফেলতো। এই ঘটনায় জামালপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে আলমের পরিবার দাবি করেছে তাদের ৩ জন আহত হয়েছে।