অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

কোরবানির সঙ্কট কেটে যাচ্ছে, গরু আসছে ১০ লাখ

ডেস্ক : কোরবানি ঈদ সামনে রেখে গবাদি পশু সঙ্কটের শঙ্কা কেটে যাচ্ছে। ঘাটতি ১০ লাখ গরু ভারত থেকে আসবে অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্যের মাধ্যমে। এই অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে বাংলাদেশ-ভারত উভয় সরকারের ইতিবাচক মনোভাব ও পদক্ষেপের ফলে।

ইতোমধ্যে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের নজরদারি শিথিল করা হয়েছে। বাড়ছে গরু আমদানি। পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলার সীমান্ত দিয়ে গরু আসা শুরু হয়েছে। শীঘ্রই ভারত সীমান্তের ৩১টি করিডোর দিয়েই অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্যে গরু আমদানি পুনরায় চালু করা হবে। গরু বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে যাতে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে গোলাগুলি না ঘটে সে বিষয়েও সতর্ক থাকবে উভয় দেশ।

এছাড়া কোরবানি সামনে রেখে দেশীয় গরু মোটাতাজাকরণে বিষাক্ত রাসায়নিক ওষুধ ব্যবহার করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। ওইসব গরু হাটে আনা হলে জরিমানাসহ বেপারীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।

জানা গেছে, প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের বর্তমান সরকারের কঠোর নীতিমালার কারণে সে দেশ থেকে গরু আমদানি প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। আশঙ্কা ছিল, এ কারণে আগামী কোরবানি ঈদের সময় এর একটি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে অভ্যন্তরীণ বাজারে। কিন্ত সেই শঙ্কা কেটে যাচ্ছে উভয় সরকারের ইতিবাচক মনোভাবের কারণে। কোরবানির চাহিদা মেটাতে ভারত থেকেই গরু আমদানি করা হবে।

বাণিজ্য সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে জানান, আগামী কোরবানি ঈদ সামনে রেখে গরু সঙ্কটের কোন আশঙ্কা নেই। ওই সময় ৭০ লাখ গরু ও মহিষের প্রয়োজন, কিন্তু আমাদের রয়েছে ৬০ লাখ। বাকি ১০ লাখ গরু ভারত থেকে আনা হবে অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্যের মাধ্যমে। এই বাণিজ্য ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। ভারত থেকে গরু আসা শুরু হয়ে

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাব মতে, দেশে এখন গরুর সংখ্যা ২ কোটি ৮৬ লাখ। এর মধ্যে ১ কোটি ৭৫ লাখ গাভী। প্রাণিসম্পদ অধিদফতর ও মাংস ব্যবসায়ীদের হিসাবে, দেশে বছরে ১ কোটি ৪০ লাখের মতো গরু ও মহিষ জবাই হয়। সূত্রগুলো বলছে কোরবানি ঈদে প্রায় ৭০ লাখ গরু ও মহিষের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু এখন দেশে কোরবানি দেয়ার মতো গরু ও মহিষের মজুদ রয়েছে ৬০ লাখ। সেই হিসাবে ১০ লাখ গরুর ঘাটতি রয়েছে। এ কারণে কোরবানির সময় গরু আমদানির প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা

জানা গেছে, ভারত থেকে গরু আমদানির জন্য সীমান্তে ৩১টি করিডর স্থাপিত রয়েছে। সবচেয়ে বেশি করিডোর আছে রাজশাহী অঞ্চলে, ১২টি। এছাড়া যশোর, খুলনা, সিলেট ও চট্টগ্রামেও গরু আমদানির করিডোর রয়েছে। এসব করিডোর থেকেই অবৈধপথে আসা পশু বৈধ করা হয়। সরকারি নিয়ম অনুসারে প্রতিটি গরু মহিষের জন্য ৫০০ টাকা, দুম্বা বা ছাগলের জন্য ২০০ টাকা এবং উট, গাধা বা ঘোড়ার জন্য ৬ হাজার টাকা রাজস্ব দিতে হয়। তবে এ অর্থ আদায় করা হয় পশু বিক্রির মূল্য হিসাবে।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

কোরবানির সঙ্কট কেটে যাচ্ছে, গরু আসছে ১০ লাখ

আপডেট টাইম : ০৩:২২:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৫

ডেস্ক : কোরবানি ঈদ সামনে রেখে গবাদি পশু সঙ্কটের শঙ্কা কেটে যাচ্ছে। ঘাটতি ১০ লাখ গরু ভারত থেকে আসবে অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্যের মাধ্যমে। এই অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে বাংলাদেশ-ভারত উভয় সরকারের ইতিবাচক মনোভাব ও পদক্ষেপের ফলে।

ইতোমধ্যে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের নজরদারি শিথিল করা হয়েছে। বাড়ছে গরু আমদানি। পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলার সীমান্ত দিয়ে গরু আসা শুরু হয়েছে। শীঘ্রই ভারত সীমান্তের ৩১টি করিডোর দিয়েই অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্যে গরু আমদানি পুনরায় চালু করা হবে। গরু বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে যাতে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে গোলাগুলি না ঘটে সে বিষয়েও সতর্ক থাকবে উভয় দেশ।

এছাড়া কোরবানি সামনে রেখে দেশীয় গরু মোটাতাজাকরণে বিষাক্ত রাসায়নিক ওষুধ ব্যবহার করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। ওইসব গরু হাটে আনা হলে জরিমানাসহ বেপারীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।

জানা গেছে, প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের বর্তমান সরকারের কঠোর নীতিমালার কারণে সে দেশ থেকে গরু আমদানি প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। আশঙ্কা ছিল, এ কারণে আগামী কোরবানি ঈদের সময় এর একটি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে অভ্যন্তরীণ বাজারে। কিন্ত সেই শঙ্কা কেটে যাচ্ছে উভয় সরকারের ইতিবাচক মনোভাবের কারণে। কোরবানির চাহিদা মেটাতে ভারত থেকেই গরু আমদানি করা হবে।

বাণিজ্য সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে জানান, আগামী কোরবানি ঈদ সামনে রেখে গরু সঙ্কটের কোন আশঙ্কা নেই। ওই সময় ৭০ লাখ গরু ও মহিষের প্রয়োজন, কিন্তু আমাদের রয়েছে ৬০ লাখ। বাকি ১০ লাখ গরু ভারত থেকে আনা হবে অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্যের মাধ্যমে। এই বাণিজ্য ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। ভারত থেকে গরু আসা শুরু হয়ে

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাব মতে, দেশে এখন গরুর সংখ্যা ২ কোটি ৮৬ লাখ। এর মধ্যে ১ কোটি ৭৫ লাখ গাভী। প্রাণিসম্পদ অধিদফতর ও মাংস ব্যবসায়ীদের হিসাবে, দেশে বছরে ১ কোটি ৪০ লাখের মতো গরু ও মহিষ জবাই হয়। সূত্রগুলো বলছে কোরবানি ঈদে প্রায় ৭০ লাখ গরু ও মহিষের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু এখন দেশে কোরবানি দেয়ার মতো গরু ও মহিষের মজুদ রয়েছে ৬০ লাখ। সেই হিসাবে ১০ লাখ গরুর ঘাটতি রয়েছে। এ কারণে কোরবানির সময় গরু আমদানির প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা

জানা গেছে, ভারত থেকে গরু আমদানির জন্য সীমান্তে ৩১টি করিডর স্থাপিত রয়েছে। সবচেয়ে বেশি করিডোর আছে রাজশাহী অঞ্চলে, ১২টি। এছাড়া যশোর, খুলনা, সিলেট ও চট্টগ্রামেও গরু আমদানির করিডোর রয়েছে। এসব করিডোর থেকেই অবৈধপথে আসা পশু বৈধ করা হয়। সরকারি নিয়ম অনুসারে প্রতিটি গরু মহিষের জন্য ৫০০ টাকা, দুম্বা বা ছাগলের জন্য ২০০ টাকা এবং উট, গাধা বা ঘোড়ার জন্য ৬ হাজার টাকা রাজস্ব দিতে হয়। তবে এ অর্থ আদায় করা হয় পশু বিক্রির মূল্য হিসাবে।