অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪ Logo পাটগ্রামে রাস্তা ভেঙে চলাচল বন্ধ প্রায় দুই হাজার পরিবারের চলাচলে দুর্ভোগ Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

১০ শিশু উদ্ধারের ঘটনায় মানবপাচারের মামলা

ঢাকা : রাজধানীর বনশ্রীর একটি বাসা থেকে দশ শিশুকে উদ্ধারের ঘটনায় আটক চারজনের বিরুদ্ধে মানবপাচার আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

দায়েরকৃত মামলায় আরিফুর রহমান, জাকিরা সুলতানা, ফিরোজ আলম খান ও হাসিবুল হাসানকে আসামি করা হয়েছে। আটককৃতরা ‘অদম্য বাংলাদেশ’ নামক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিচয় দিচ্ছেন বলে রামপুরা থানার পুলিশ জানিয়েছে।

শনিবার দুপুরে বনশ্রীর সি-ব্লকের ১০ নম্বর সড়কের ৭ নম্বর বাসার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে ১০ শিশুকে উদ্ধার করে পুলিশ। এসময় চার জনকে আটক করা হয়। এসব শিশুদের বয়স ১০ থেকে ১৩ বছরের মধ্যে হবে।

উদ্ধারকৃত এক শিশুর চাচা মনির হোসেন শনিবার বিকেলে রামপুরা থানায় আটক চারজনের বিরুদ্ধে মানবপাচার আইনে ওই মামলা দায়ের করেন বলে এসআই মাজহারুল জানান।

আসামিদের মধ্যে আরিফুর রহমান নিজেকে ‘অদম্য বাংলাদেশ’র চেয়ারম্যান এবং জাকিরা সাধারণ সম্পাদক বলে পরিচয় দিয়েছেন। অন্য দুজন প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী বলে তারা বলছেন। পুনর্বাসনের উদ্দেশ্যে ছয় থেকে সাত মাস আগে ওই শিশুদের বাসাটিতে জড়ো করা হয় বলে তারা দাবি করেছেন। রামপুরা থানার এসআই মাজহারুল বলেন, পুলিশ বিষয়টি আরও গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে।

মামলার বাদী মনির হোসেন বলেন, তাদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়। কয়েক বছর আগে তার ভাতিজা মোবারকের বাবা মারা যান। এরপর তার ভাতিজাকে ঢাকায় এনে খিলগাঁওয়ের একটি মাদ্রাসায় ভর্তি করেন তিনি। তবে সেখান থেকে ছয় মাস আগে পালিয়ে কমলাপুর যাওয়ার পর মোবারকের কোন সন্ধান পাচ্ছিলাম না। বিষয়টি নিয়ে খিলগাঁও থানায় একটি জিডি করেছিলেন বলেও জানান তিনি।

মহানগর পুলিশের উপ কমিশনার (গণমাধ্যম) মুনতাসিরুল ইসলাম বলেন, এই শিশুদের অপহরণ করা হয়েছিল, না কি পুনর্বাসনের জন্য ওই বাসায় আনা হয়েছিল, সেটা পুলিশ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি সংস্থাটির ব্যাপারে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।

পুলিশ কর্মকর্তা মাজহারুল বলেন, উদ্ধারকৃত অন্য ৯ শিশুর পরিবারের কেউ এখনও থানায় যোগাযোগ করেনি। যাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হবে না, তাদের রোববার আদালতের মাধ্যমে সরকারি ‘সেইফ হোমে’ পাঠানো হবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪

১০ শিশু উদ্ধারের ঘটনায় মানবপাচারের মামলা

আপডেট টাইম : ০৪:১৮:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৫

ঢাকা : রাজধানীর বনশ্রীর একটি বাসা থেকে দশ শিশুকে উদ্ধারের ঘটনায় আটক চারজনের বিরুদ্ধে মানবপাচার আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

দায়েরকৃত মামলায় আরিফুর রহমান, জাকিরা সুলতানা, ফিরোজ আলম খান ও হাসিবুল হাসানকে আসামি করা হয়েছে। আটককৃতরা ‘অদম্য বাংলাদেশ’ নামক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিচয় দিচ্ছেন বলে রামপুরা থানার পুলিশ জানিয়েছে।

শনিবার দুপুরে বনশ্রীর সি-ব্লকের ১০ নম্বর সড়কের ৭ নম্বর বাসার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে ১০ শিশুকে উদ্ধার করে পুলিশ। এসময় চার জনকে আটক করা হয়। এসব শিশুদের বয়স ১০ থেকে ১৩ বছরের মধ্যে হবে।

উদ্ধারকৃত এক শিশুর চাচা মনির হোসেন শনিবার বিকেলে রামপুরা থানায় আটক চারজনের বিরুদ্ধে মানবপাচার আইনে ওই মামলা দায়ের করেন বলে এসআই মাজহারুল জানান।

আসামিদের মধ্যে আরিফুর রহমান নিজেকে ‘অদম্য বাংলাদেশ’র চেয়ারম্যান এবং জাকিরা সাধারণ সম্পাদক বলে পরিচয় দিয়েছেন। অন্য দুজন প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী বলে তারা বলছেন। পুনর্বাসনের উদ্দেশ্যে ছয় থেকে সাত মাস আগে ওই শিশুদের বাসাটিতে জড়ো করা হয় বলে তারা দাবি করেছেন। রামপুরা থানার এসআই মাজহারুল বলেন, পুলিশ বিষয়টি আরও গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে।

মামলার বাদী মনির হোসেন বলেন, তাদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়। কয়েক বছর আগে তার ভাতিজা মোবারকের বাবা মারা যান। এরপর তার ভাতিজাকে ঢাকায় এনে খিলগাঁওয়ের একটি মাদ্রাসায় ভর্তি করেন তিনি। তবে সেখান থেকে ছয় মাস আগে পালিয়ে কমলাপুর যাওয়ার পর মোবারকের কোন সন্ধান পাচ্ছিলাম না। বিষয়টি নিয়ে খিলগাঁও থানায় একটি জিডি করেছিলেন বলেও জানান তিনি।

মহানগর পুলিশের উপ কমিশনার (গণমাধ্যম) মুনতাসিরুল ইসলাম বলেন, এই শিশুদের অপহরণ করা হয়েছিল, না কি পুনর্বাসনের জন্য ওই বাসায় আনা হয়েছিল, সেটা পুলিশ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি সংস্থাটির ব্যাপারে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।

পুলিশ কর্মকর্তা মাজহারুল বলেন, উদ্ধারকৃত অন্য ৯ শিশুর পরিবারের কেউ এখনও থানায় যোগাযোগ করেনি। যাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হবে না, তাদের রোববার আদালতের মাধ্যমে সরকারি ‘সেইফ হোমে’ পাঠানো হবে।