পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

পত্রিকা বন্ধের ক্ষমতা ডিসিদের দেয়া হচ্ছে না: তথ্যমন্ত্রী

inuবাংলার খবর২৪.কম :বৃহস্পতিবার তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে ইনু বলেন, প্রিন্টিং প্রেসেস অ্যান্ড পাবলিকেশনস (ডিক্লারেশন অ্যান্ড রেজিস্ট্রেশন) অ্যাক্ট সংশোধন করে সংবাদপত্রের প্রকাশনা বন্ধের ক্ষমতা ডিসিদের হাতে দেয়া হচ্ছে বলে যে কথা উঠেছে তা সঠিক না।

তিনি বলেন, “ডিসিদের হাতে পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিলের ক্ষমতা দেয়া নয়, ১৯৭৩ অ্যাক্টকে যুগোপযোগী করার বিষয়ে আমরা কাজ করছি। বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ নয়, অবাধ স্বাধীনতায় বিশ্বাসী।”

“ডিসিদের হাতে পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিলের ক্ষমতা দেয়ার বিষয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় মাথা ঘামাচ্ছে না। আমরা গোপন কিছু করি না, গোপন কিছু করবও না।”

পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিলের ক্ষমতা চেয়ে গত ১০ জুলাই ডিসি সম্মেলনে একটি প্রস্তাব রাখা হয়েছিলো।

কিন্তু সম্মেলনে এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে তখন জানিয়েছিলেন তথ্যমন্ত্রী।

এর আগে ৯ জুলাই এক সংবাদ সম্মেলনেও তিনি বলেছিলেন, “এই মুহূর্তে আমরা প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশনস অ্যাক্ট নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছি না, কোনো আলোচনা করছি না।”

কোনো নতুন আইন বা আইন সংশোধনের আগে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে আইনের খসড়া তৈরি করে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে এরপর খসড়া চূড়ান্ত করা হবে বলে জানান ইনু।

চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর (ডিএফপি) পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিলের ক্ষমতা ডিসিদের হাতে দেয়ার বিষয়ে মতামত দিলেও মন্ত্রণালয় তা আমলে নেয়নি বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, “ডিএফপি যে সুপারিশ পাঠিয়েছিল তা বিভ্রান্তমূলক। সেটি কোনো গৃহীত বা অনুমোদিত প্রস্তাবও নয়। তাই বিদ্যমান আইনটি ইংরেজিতে যুগোপযোগী করে পুনরায় পাঠানোর কথা বলা হয়েছে।”

ইনু বলেন, “ডিএফপির খসড়ায় সংবাদপত্রে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত বা রাষ্ট্রদ্রোহী কোনো বিষয় অন্তর্ভূক্ত করা হলে পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিলের ক্ষমতা ডিসিদের হাতে দিতে বলা হলেও একই সঙ্গে তা কার্যকরের বিষয়টি আদালত বা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছিল। প্রস্তাবগুলো সুসামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, প্রস্তাবে দ্বৈততা আছে।”

এ ধরনের আইনের খসড়া তৈরির জন্য ডিএফপি স্বীকৃত কমিটি নয় জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি আছে। তারা এ সংক্রান্ত আইনের খসড়া চূড়ান্ত করবে।

“যেহেতু অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বের কমিটির এ বিষয়ে কিছু করেনি তাই আমিও বিষয়টি অবগত ছিলাম না। পত্রিকার এনিয়ে লেখালেখি হওয়ার পরে আমি বিষয়টি খোঁজ নিয়েছি।”

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য সবাইকে সোচ্চার থাকতে হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী এ বিষয়ে যারা সোচ্চার ও সতর্ক ছিলেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, প্রেসেস অ্যান্ড পাবলিকেশনস অ্যাক্টের আলোকে ২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৬০০’র বেশি পত্রিকার ডিক্লারেশন দেয়া হয়েছে।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

পত্রিকা বন্ধের ক্ষমতা ডিসিদের দেয়া হচ্ছে না: তথ্যমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৩:৪৬:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০১৪

inuবাংলার খবর২৪.কম :বৃহস্পতিবার তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে ইনু বলেন, প্রিন্টিং প্রেসেস অ্যান্ড পাবলিকেশনস (ডিক্লারেশন অ্যান্ড রেজিস্ট্রেশন) অ্যাক্ট সংশোধন করে সংবাদপত্রের প্রকাশনা বন্ধের ক্ষমতা ডিসিদের হাতে দেয়া হচ্ছে বলে যে কথা উঠেছে তা সঠিক না।

তিনি বলেন, “ডিসিদের হাতে পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিলের ক্ষমতা দেয়া নয়, ১৯৭৩ অ্যাক্টকে যুগোপযোগী করার বিষয়ে আমরা কাজ করছি। বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ নয়, অবাধ স্বাধীনতায় বিশ্বাসী।”

“ডিসিদের হাতে পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিলের ক্ষমতা দেয়ার বিষয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় মাথা ঘামাচ্ছে না। আমরা গোপন কিছু করি না, গোপন কিছু করবও না।”

পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিলের ক্ষমতা চেয়ে গত ১০ জুলাই ডিসি সম্মেলনে একটি প্রস্তাব রাখা হয়েছিলো।

কিন্তু সম্মেলনে এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে তখন জানিয়েছিলেন তথ্যমন্ত্রী।

এর আগে ৯ জুলাই এক সংবাদ সম্মেলনেও তিনি বলেছিলেন, “এই মুহূর্তে আমরা প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশনস অ্যাক্ট নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছি না, কোনো আলোচনা করছি না।”

কোনো নতুন আইন বা আইন সংশোধনের আগে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে আইনের খসড়া তৈরি করে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে এরপর খসড়া চূড়ান্ত করা হবে বলে জানান ইনু।

চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর (ডিএফপি) পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিলের ক্ষমতা ডিসিদের হাতে দেয়ার বিষয়ে মতামত দিলেও মন্ত্রণালয় তা আমলে নেয়নি বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, “ডিএফপি যে সুপারিশ পাঠিয়েছিল তা বিভ্রান্তমূলক। সেটি কোনো গৃহীত বা অনুমোদিত প্রস্তাবও নয়। তাই বিদ্যমান আইনটি ইংরেজিতে যুগোপযোগী করে পুনরায় পাঠানোর কথা বলা হয়েছে।”

ইনু বলেন, “ডিএফপির খসড়ায় সংবাদপত্রে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত বা রাষ্ট্রদ্রোহী কোনো বিষয় অন্তর্ভূক্ত করা হলে পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিলের ক্ষমতা ডিসিদের হাতে দিতে বলা হলেও একই সঙ্গে তা কার্যকরের বিষয়টি আদালত বা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছিল। প্রস্তাবগুলো সুসামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, প্রস্তাবে দ্বৈততা আছে।”

এ ধরনের আইনের খসড়া তৈরির জন্য ডিএফপি স্বীকৃত কমিটি নয় জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি আছে। তারা এ সংক্রান্ত আইনের খসড়া চূড়ান্ত করবে।

“যেহেতু অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বের কমিটির এ বিষয়ে কিছু করেনি তাই আমিও বিষয়টি অবগত ছিলাম না। পত্রিকার এনিয়ে লেখালেখি হওয়ার পরে আমি বিষয়টি খোঁজ নিয়েছি।”

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য সবাইকে সোচ্চার থাকতে হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী এ বিষয়ে যারা সোচ্চার ও সতর্ক ছিলেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, প্রেসেস অ্যান্ড পাবলিকেশনস অ্যাক্টের আলোকে ২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৬০০’র বেশি পত্রিকার ডিক্লারেশন দেয়া হয়েছে।