পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo “বাঙ্গরা বাজার থানা সমিতি-ঢাকা’র নির্বাচন সভাপতি মোমেন, সাধারণ সম্পাদক আবির Logo পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান Logo পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ সার্কেলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo কায়েতপাড়ায় বসতভিটা রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের মানুষের থানায় গণঅভিযোগ Logo পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪ Logo পাটগ্রামে রাস্তা ভেঙে চলাচল বন্ধ প্রায় দুই হাজার পরিবারের চলাচলে দুর্ভোগ Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ

ছাত্রদল সন্দেহে ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকে মারধর

ঢাকা: ছাত্রদল সন্দেহে ছাত্রলীগের সাবেক এক নেতাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে মারধর করেছেন ছাত্রলীগের কর্মীরা। তার নাম সোহাগ মাহমুদ। তবে ছাত্রলীগ নেতাদের অভিযোগ, সোহাগ মাহমুদ নামের ওই নেতা অসংলগ্ন কথাবার্তা বলায় তাকে মারধর করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, আজ মঙ্গলবার দুপুরে মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন তার অনুসারীদের নিয়ে বসে ছিলেন। এ সময় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সোহাগ মাহমুদ ওই টেবিলে বসেন। এর কিছুক্ষণ পর তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে সাধারণ সম্পাদক তাকে সেখান থেকে উঠে যেতে বলেন।একপর্যায়ে মোতাহার হোসেনের অনুসারীরা সোহাগকে টেনে হিঁচড়ে মারতে মারতে মধুর ক্যান্টিন থেকে সোহাগকে বের করে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবন পর্যন্ত নিয়ে যান। এ সময় তারা ছাত্রদলের নেতাকে মারছেন বলে চিৎকার করে উল্লাস করে। পরে তাকে প্রক্টরের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

ছাত্রলীগ নেতা মোতাহার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘উনি অনেক আগের কমিটির নেতা ছিলেন। আমরা তাকে চিনতাম না। তিনি টেবিলে বসেই আমাকে জিজ্ঞেস করছেন, “তোর নাম কী? তোরে কে নেতা বানাইছে?” এসব শুনে জুনিয়র কর্মীরা তাকে মারধর করে ক্যান্টিন থেকে বের করে দিয়েছে। পরে আমিই গিয়ে তাকে উদ্ধার করে প্রক্টরের হাতে তুলে দিয়েছি।’ তিনি আরো বলেন, ছাত্রলীগের সাবেক ‘ওই নেতা মানসিকভাবে অসংলগ্ন অবস্থায় ছিলেন।’

জানা গেছে, সোহাগ মাহমুদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। সোহাগের কমিটির একাধিক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিকদের বলেন, সোহাগ মানসিকভাবে অসুস্থ। তবে তিনি কখনো কারও ক্ষতি করতেন না। প্রায়ই মধুর ক্যান্টিনে যেতেন। টেবিলে চুপচাপ বসে থেকে চলে যেতেন। তাকে মারধর করার ঘটনা অমানবিক। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর এম আমজাদ আলী সাংবাদিকদের বলেন, সোহাগকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ বলে মনে হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

“বাঙ্গরা বাজার থানা সমিতি-ঢাকা’র নির্বাচন সভাপতি মোমেন, সাধারণ সম্পাদক আবির

ছাত্রদল সন্দেহে ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকে মারধর

আপডেট টাইম : ০৩:০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

ঢাকা: ছাত্রদল সন্দেহে ছাত্রলীগের সাবেক এক নেতাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে মারধর করেছেন ছাত্রলীগের কর্মীরা। তার নাম সোহাগ মাহমুদ। তবে ছাত্রলীগ নেতাদের অভিযোগ, সোহাগ মাহমুদ নামের ওই নেতা অসংলগ্ন কথাবার্তা বলায় তাকে মারধর করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, আজ মঙ্গলবার দুপুরে মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন তার অনুসারীদের নিয়ে বসে ছিলেন। এ সময় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সোহাগ মাহমুদ ওই টেবিলে বসেন। এর কিছুক্ষণ পর তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে সাধারণ সম্পাদক তাকে সেখান থেকে উঠে যেতে বলেন।একপর্যায়ে মোতাহার হোসেনের অনুসারীরা সোহাগকে টেনে হিঁচড়ে মারতে মারতে মধুর ক্যান্টিন থেকে সোহাগকে বের করে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবন পর্যন্ত নিয়ে যান। এ সময় তারা ছাত্রদলের নেতাকে মারছেন বলে চিৎকার করে উল্লাস করে। পরে তাকে প্রক্টরের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

ছাত্রলীগ নেতা মোতাহার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘উনি অনেক আগের কমিটির নেতা ছিলেন। আমরা তাকে চিনতাম না। তিনি টেবিলে বসেই আমাকে জিজ্ঞেস করছেন, “তোর নাম কী? তোরে কে নেতা বানাইছে?” এসব শুনে জুনিয়র কর্মীরা তাকে মারধর করে ক্যান্টিন থেকে বের করে দিয়েছে। পরে আমিই গিয়ে তাকে উদ্ধার করে প্রক্টরের হাতে তুলে দিয়েছি।’ তিনি আরো বলেন, ছাত্রলীগের সাবেক ‘ওই নেতা মানসিকভাবে অসংলগ্ন অবস্থায় ছিলেন।’

জানা গেছে, সোহাগ মাহমুদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। সোহাগের কমিটির একাধিক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিকদের বলেন, সোহাগ মানসিকভাবে অসুস্থ। তবে তিনি কখনো কারও ক্ষতি করতেন না। প্রায়ই মধুর ক্যান্টিনে যেতেন। টেবিলে চুপচাপ বসে থেকে চলে যেতেন। তাকে মারধর করার ঘটনা অমানবিক। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর এম আমজাদ আলী সাংবাদিকদের বলেন, সোহাগকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ বলে মনে হয়েছে।