
সিলেট প্রতিনিটি ॥ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে এক ছাত্রীকে অপহরণের চেষ্টাকালে দুজনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে কর্তৃপ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক মো. রাশেদ তালুকদার বলেন, শুক্রবার দুপুরে নৃবিজ্ঞান বিভাগের এক ছাত্রীকে আবাসিক হল থেকে কৌশলে বের করে এনে জোর করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টার সময় তাদের আটক করা হয়। এরা হলেন- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সাবেক শিার্থী কাওসার আহমেদ ও তার বোন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিা ও গবেষণ ইনস্টিটিউটের তৃতীয় বর্ষের শিার্থী ফাইজা রহমান। প্রক্টর বলেন, “ওই ছাত্রীকে জোর করে নিয়ে যাওয়ার সময় গণিত বিভাগের অধ্যাপক সাজেদুল করিম বিষয়টি দেখে তাকে মারধরের কারণ জানতে চান। তিনি আমাদের খবর দিলে আমরা তাদের আটক করে পুলিশে দেই।” তবে কাওছারের দাবি ওই ছাত্রীর সঙ্গে তার তিন বছর ধরে ‘প্রেমের সম্পর্ক’ রয়েছে। সম্প্রতি ওই ছাত্রী আরেকজনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোয় বিষয়ে কথা বলার জন্য বোনকে নিয়ে ক্যাম্পাসে আসেন। তবে ছাত্রীর বন্ধুরা বলেন, তিন বছর পূর্বে ফেইসবুকে কাওসারের সঙ্গে তার পরিচয়। কয়েক মাস আগে তাদের সম্পর্কে ফাটল দেখা দেয়। অধ্যাপক সাজেদুল করিম বলেন, “জুমার নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় দেখি ছেলেটি আমাদের ছাত্রীকে জোর করে রিকশায় তুলে তার মাথায় এবং ঘাড়ে আঘাত করছে। এ সময় রিকশা দাঁড় করাতে বললে পাশে থাকা মেয়েটি ধমকের সুরে বলে ‘আপনি এখানে নাক গলাবেন না, এটা আমাদের পারিবারিক সমস্যা’।” “তাদের সম্পর্ক জিজ্ঞাসা করলে ছেলেটি জবাব দেয় তার স্ত্রীকে মারছে আর সাথে থাকা মেয়েটি তার বোন।” তবে ছাত্রীটি কোনো সম্পর্ক নেই বললে তাদের আটক করে প্রক্টরিয়াল কমিটিকে খবর দেন বলে জানান সাজেদুল করিম। এ বিষয়ে জালালাবাদ থানার ওসি আখতার হোসেন বলেন, থানায় আসার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরের উপস্থিতিতে ওই ছাত্রী বলেছে আটক দুইজন তাকে অপহরণ করতে চেয়েছিল। এ ঘটনায় মেয়েটি বাদী হয়ে অপহরণের মামলাও করেছে। এ দিকে সন্ধ্যায় আটক দুইজনকে ক্যাম্পাস থেকে নিয়ে যাওয়ার সময় সেখানে জড়ো হওয়া বিুব্ধ শিার্থীরা কাওছারকে মারধর করেন। এই সময় শিার্থীদের হাতে কয়েকজন শিকও লাঞ্ছিত হন।
বাংলার খবর ডেস্ক : 












