অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪ Logo পাটগ্রামে রাস্তা ভেঙে চলাচল বন্ধ প্রায় দুই হাজার পরিবারের চলাচলে দুর্ভোগ Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

ধর্মঘট রোধে শ্রম আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

ডেস্ক: সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মো. ইসরাফিল আলম শ্রমিক ধর্মঘটের পুনরাবৃত্তি রোধে শ্রম আইনের ২২৭ ধারা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় সংসদের চতুর্দশ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে পরিবহন শ্রমিকদের ধর্মঘটের বিরোধিতা করে তিনি একথা বলেন।

ইসরাফিল আলম বলেন, আমি শ্রমিকদের পক্ষে কথা বলার লোক। তবে তাদের আন্দোলনের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করছি। শ্রমিক সংগঠন করলে অবশ্যই শ্রম আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতে হবে, পরিচালিত হতে হবে। এটা ভঙ্গ করা চলবে না। এটা ম্যান্ডেটরি।

তিনি আরো বলেন, আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হতে পারে, বড়জোর সমালোচনা হতে পারে। তারা যেটা করেছে আইনের অবমাননা। শ্রমিক সংগঠনের ধর্মঘট করার অধিকার আছে, কিন্তু নিয়মও আছে। শ্রম আইনের ২০৯ এবং ২১০ ধারায় সুষ্পষ্ট বলা আছে, শ্রমিকরা কী দায়িত্ব পালন করতে পারে। তারপরও ২১১ ধারায় ধর্মঘট বা কর্মবিরতির ডাক দিতে পারেন। তারপরও দাবি উত্থাপন করতে হবে। এরপর ২১০ ধারায় এই দাবি নিয়ে আলোচনা হবে। তারপর আলোচনা নিষ্ফল হলে ডাইরেক্টর লেবার সার্টিফিকেট দেবে আলোচনা সফল হয়নি। এই সার্টিফিকেট নিয়ে আবার সংগঠনের সদস্যদের কাছে যেতে হবে, বলতে হবে আলোচনা সফল হয়নি। সেখানে চার ভাগের তিন ভাগ সদস্য সমর্থন দিলে কমপক্ষে ১৫ দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে ধর্মঘটে যেতে পারেন। এছাড়া ধর্মঘট, কর্মবিরতির সুযোগ শ্রম আইন দেয়নি।

তিনি আরো বলেন, শুধু আইন থাকলেই চলবে না, আইনের বাস্তবায়ন না হলে সরকারের সব অর্জন মুখ থুবড়ে পড়বে। তারা আনফেয়ার লেবার প্র্যাকটিস করেছে।

আর্থিক খাতের অনিয়ম ও বিশৃংখলা বিষয়ে তিনি বলেন, ব্যাংকিং সেক্টরের দুর্নাম আছে। রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংকগুলোতে সরকারের ১৬ হাজার কোটি টাকার মূলধন ঘাটতি পড়েছে। যেখানে প্রাইভেট ব্যাংকগুলো লাভ করছে। কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই এর একটা জবাবদিহিতা থাকা দরকার।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪

ধর্মঘট রোধে শ্রম আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

আপডেট টাইম : ০৬:২৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মার্চ ২০১৭

ডেস্ক: সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মো. ইসরাফিল আলম শ্রমিক ধর্মঘটের পুনরাবৃত্তি রোধে শ্রম আইনের ২২৭ ধারা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় সংসদের চতুর্দশ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে পরিবহন শ্রমিকদের ধর্মঘটের বিরোধিতা করে তিনি একথা বলেন।

ইসরাফিল আলম বলেন, আমি শ্রমিকদের পক্ষে কথা বলার লোক। তবে তাদের আন্দোলনের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করছি। শ্রমিক সংগঠন করলে অবশ্যই শ্রম আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতে হবে, পরিচালিত হতে হবে। এটা ভঙ্গ করা চলবে না। এটা ম্যান্ডেটরি।

তিনি আরো বলেন, আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হতে পারে, বড়জোর সমালোচনা হতে পারে। তারা যেটা করেছে আইনের অবমাননা। শ্রমিক সংগঠনের ধর্মঘট করার অধিকার আছে, কিন্তু নিয়মও আছে। শ্রম আইনের ২০৯ এবং ২১০ ধারায় সুষ্পষ্ট বলা আছে, শ্রমিকরা কী দায়িত্ব পালন করতে পারে। তারপরও ২১১ ধারায় ধর্মঘট বা কর্মবিরতির ডাক দিতে পারেন। তারপরও দাবি উত্থাপন করতে হবে। এরপর ২১০ ধারায় এই দাবি নিয়ে আলোচনা হবে। তারপর আলোচনা নিষ্ফল হলে ডাইরেক্টর লেবার সার্টিফিকেট দেবে আলোচনা সফল হয়নি। এই সার্টিফিকেট নিয়ে আবার সংগঠনের সদস্যদের কাছে যেতে হবে, বলতে হবে আলোচনা সফল হয়নি। সেখানে চার ভাগের তিন ভাগ সদস্য সমর্থন দিলে কমপক্ষে ১৫ দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে ধর্মঘটে যেতে পারেন। এছাড়া ধর্মঘট, কর্মবিরতির সুযোগ শ্রম আইন দেয়নি।

তিনি আরো বলেন, শুধু আইন থাকলেই চলবে না, আইনের বাস্তবায়ন না হলে সরকারের সব অর্জন মুখ থুবড়ে পড়বে। তারা আনফেয়ার লেবার প্র্যাকটিস করেছে।

আর্থিক খাতের অনিয়ম ও বিশৃংখলা বিষয়ে তিনি বলেন, ব্যাংকিং সেক্টরের দুর্নাম আছে। রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংকগুলোতে সরকারের ১৬ হাজার কোটি টাকার মূলধন ঘাটতি পড়েছে। যেখানে প্রাইভেট ব্যাংকগুলো লাভ করছে। কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই এর একটা জবাবদিহিতা থাকা দরকার।