পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

মেঘলা আকাশ, দেশজুড়ে জেঁকে বসেছে শীত

ডেস্ক: সকাল থেকে মেঘলা আকাশ। সারাদিন গোমড়া মুখো আকাশ। সূর্যের দেখা নেই। এর সঙ্গে বয়ে যাওয়া হিমেল হাওয়া। যারা হায় হুতাশ করছিলেন শীতের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের জন্য পুরো মাত্রায় চলে এসেছে শীত।

সকালে ঘন কুয়াশার কারণে রাস্তায় দেখা গেছে যানবাহনের ধীর গতি। হেড লাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহনগুলো। সকালে কাজ ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হয়নি। যারা বের হয়েছেন তারা গায়ে চাপিয়ে নেয় ছিল ভারি কাপড়।

স্কুলগুলোতে ক্লাস না থাকায় রক্ষা পেয়েছে ছোট শিশুরা। তবে কষ্টে রয়েছে দরিদ্র মানুষ। যারা দিন আনা দিন খাওয়া মানুষকে বাধ্য হয়েইে বাইরে বের হতে হয়েছে। দিনমজুরদের সময়টা ছিল বেশি কষ্টের।

রাজধানীসহ সারাদেশের শীতের চিত্র এটি। হঠাৎ জেঁকে বসা শীতে নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। রাজধানীতে হঠাৎ শীত জেঁকে বসায় কিছুটা দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী। ঠাণ্ডা আর কুয়াশায় বেড়েছে ঠাণ্ডাজনিত রোগের প্রকোপ। আরো দু-একদিন ঘন কুয়াশা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজধানীর ফুটপাতগুলোতে প্রতিরাতে শুয়ে থাকেন হাজারো মানুষ। গত দু’দিনে শহরের তাপমাত্রা যখন নেমে এসেছে ১৫ ডিগ্রিতে তখনো তাদের একই ব্যবস্থা। বিভিন্ন সংগঠন শীতবস্ত্র বিতরণ করলেও বেশিরভাগই বসে আছেন শূন্য হাতে। রাত যেন তাদের জন্য মরণফাঁদ। নিম্ন আয়ের মানুষরা বলছে, শীত উপভোগের সুযোগ নেই। তাদের মুখোমুখি হতে হয় দুর্ভোগের।

উত্তরাঞ্চলে শহর রাজশাহী আবহাওয়া অফিস জানায়, গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২০ দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়েস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়েস। আগামীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির আশপাশে চলে আসবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সামনের মাসের প্রথম দিকে একটি শৈত্যপ্রবাহ আসছে রাজশাহীতে।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক শহিদুল ইসলাম জানান, সোমবার বিকেলে থেকে তাপমাত্রা অনেকটাই কমেছে বাতাসের কারণে। তাপমাত্রা কমেছে দুই ডিগ্রি। তবে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা অপরিবর্তিত রয়েছে। এভাবে তাপমাত্রা কমতে থাকলে শৈত্যপ্রবাহ আরো বাড়বে।

তিনি আরো বলেন, শীত ইতোমধ্যে বেশ জাঁকিয়ে বসতে শুরু করেছে। দিনের তুলনায় কমছে রাতের তাপমাত্রা। এছাড়া ঘন কুয়াশাও পড়তে শুরু করেছে।
এদিকে রংপুর অঞ্চলে এখন অগ্রহায়ণের মাঝামাঝি তাপমাত্রা কমে এসেছে। এ অঞ্চলে দিনে শীত স্বাভাবিক থাকলেও সন্ধা নামতেই কুয়াশাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে শহর ও গ্রামাঞ্চল।

এছাড়াও ব্রহ্মপুত্র-দুধকুমার আর ধরলাসহ ১৬টি নদ-নদী বিধৌত উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে শীতের প্রকোপ বাড়তে শুরু করেছে। পৌষের শুরুতেই তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। পুরো অগ্রহায়ণজুড়েই একটু একটু করে কমেছে রাতের তাপমাত্রা, তবে গত কয়েকদিন ধরে দিনের তাপমাত্রাও কমতে শুরু করেছে। এছাড়া রাতের তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাওয়ায় লেপ-কাঁথা কিংবা কম্বল জড়িয়েও সহজে শীত কাটানো যাচ্ছে না।

গত দু’দিন ধরে কুয়াশার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় অনেকটা বিলম্বে দেখা মিলছে সূর্যের। এদিকে চলতি মাসের শেষে একটি শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস দিয়েছে জেলার রাজারহাটে অবস্থিত কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র।

খুলনা বিভাগের কিছু কিছু স্থানে শীতের অনুভূতি কিছুটা বাড়ছে। বুধবার সকাল নয়টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চুয়াডাঙ্গা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম ছাড়া প্রায় সারাদেশে শীতের আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার বাদে সারাদেশের তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রয়েছে। ফলে সারাদেশে শীত অনুভব হচ্ছে। এদিকে দেশের নদী অববাহিকায় ভোরের দিকে হালকা কুয়াশা পড়তে পারে।

আবহাওয়াবিদ আব্দুল মান্নান জানান, সকাল নয়টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, রংপুর, ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগসহ সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলাসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এখন দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে এবং নদ-নদীর অববাহিকায় ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত হালকা-মাঝারি মাত্রার কুয়াশা থাকতে পারে। সব মিলিয়ে শুষ্ক আবহাওয়ায় কুয়াশার পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়ছে। ‘কুয়াশা নদ-নদী অববাহিকায় বাড়বে এখন। তবে স্থান ভেদে কম-বেশি হতে পারে।

ডিসেম্বরের শেষার্ধে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাসও রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাসের বিষয়ে আবহাওয়ার অধিদপ্তরের বুলেটিনে জানানো হয়, ডিসেম্বরের শেষার্ধ্বে উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে এক থেকে দুটি মৃদু ৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অথবা মাঝারি ৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

মেঘলা আকাশ, দেশজুড়ে জেঁকে বসেছে শীত

আপডেট টাইম : ০৬:০৬:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ ডিসেম্বর ২০১৭

ডেস্ক: সকাল থেকে মেঘলা আকাশ। সারাদিন গোমড়া মুখো আকাশ। সূর্যের দেখা নেই। এর সঙ্গে বয়ে যাওয়া হিমেল হাওয়া। যারা হায় হুতাশ করছিলেন শীতের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের জন্য পুরো মাত্রায় চলে এসেছে শীত।

সকালে ঘন কুয়াশার কারণে রাস্তায় দেখা গেছে যানবাহনের ধীর গতি। হেড লাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহনগুলো। সকালে কাজ ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হয়নি। যারা বের হয়েছেন তারা গায়ে চাপিয়ে নেয় ছিল ভারি কাপড়।

স্কুলগুলোতে ক্লাস না থাকায় রক্ষা পেয়েছে ছোট শিশুরা। তবে কষ্টে রয়েছে দরিদ্র মানুষ। যারা দিন আনা দিন খাওয়া মানুষকে বাধ্য হয়েইে বাইরে বের হতে হয়েছে। দিনমজুরদের সময়টা ছিল বেশি কষ্টের।

রাজধানীসহ সারাদেশের শীতের চিত্র এটি। হঠাৎ জেঁকে বসা শীতে নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। রাজধানীতে হঠাৎ শীত জেঁকে বসায় কিছুটা দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী। ঠাণ্ডা আর কুয়াশায় বেড়েছে ঠাণ্ডাজনিত রোগের প্রকোপ। আরো দু-একদিন ঘন কুয়াশা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজধানীর ফুটপাতগুলোতে প্রতিরাতে শুয়ে থাকেন হাজারো মানুষ। গত দু’দিনে শহরের তাপমাত্রা যখন নেমে এসেছে ১৫ ডিগ্রিতে তখনো তাদের একই ব্যবস্থা। বিভিন্ন সংগঠন শীতবস্ত্র বিতরণ করলেও বেশিরভাগই বসে আছেন শূন্য হাতে। রাত যেন তাদের জন্য মরণফাঁদ। নিম্ন আয়ের মানুষরা বলছে, শীত উপভোগের সুযোগ নেই। তাদের মুখোমুখি হতে হয় দুর্ভোগের।

উত্তরাঞ্চলে শহর রাজশাহী আবহাওয়া অফিস জানায়, গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২০ দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়েস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়েস। আগামীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির আশপাশে চলে আসবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সামনের মাসের প্রথম দিকে একটি শৈত্যপ্রবাহ আসছে রাজশাহীতে।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক শহিদুল ইসলাম জানান, সোমবার বিকেলে থেকে তাপমাত্রা অনেকটাই কমেছে বাতাসের কারণে। তাপমাত্রা কমেছে দুই ডিগ্রি। তবে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা অপরিবর্তিত রয়েছে। এভাবে তাপমাত্রা কমতে থাকলে শৈত্যপ্রবাহ আরো বাড়বে।

তিনি আরো বলেন, শীত ইতোমধ্যে বেশ জাঁকিয়ে বসতে শুরু করেছে। দিনের তুলনায় কমছে রাতের তাপমাত্রা। এছাড়া ঘন কুয়াশাও পড়তে শুরু করেছে।
এদিকে রংপুর অঞ্চলে এখন অগ্রহায়ণের মাঝামাঝি তাপমাত্রা কমে এসেছে। এ অঞ্চলে দিনে শীত স্বাভাবিক থাকলেও সন্ধা নামতেই কুয়াশাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে শহর ও গ্রামাঞ্চল।

এছাড়াও ব্রহ্মপুত্র-দুধকুমার আর ধরলাসহ ১৬টি নদ-নদী বিধৌত উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে শীতের প্রকোপ বাড়তে শুরু করেছে। পৌষের শুরুতেই তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। পুরো অগ্রহায়ণজুড়েই একটু একটু করে কমেছে রাতের তাপমাত্রা, তবে গত কয়েকদিন ধরে দিনের তাপমাত্রাও কমতে শুরু করেছে। এছাড়া রাতের তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাওয়ায় লেপ-কাঁথা কিংবা কম্বল জড়িয়েও সহজে শীত কাটানো যাচ্ছে না।

গত দু’দিন ধরে কুয়াশার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় অনেকটা বিলম্বে দেখা মিলছে সূর্যের। এদিকে চলতি মাসের শেষে একটি শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস দিয়েছে জেলার রাজারহাটে অবস্থিত কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র।

খুলনা বিভাগের কিছু কিছু স্থানে শীতের অনুভূতি কিছুটা বাড়ছে। বুধবার সকাল নয়টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চুয়াডাঙ্গা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম ছাড়া প্রায় সারাদেশে শীতের আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার বাদে সারাদেশের তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রয়েছে। ফলে সারাদেশে শীত অনুভব হচ্ছে। এদিকে দেশের নদী অববাহিকায় ভোরের দিকে হালকা কুয়াশা পড়তে পারে।

আবহাওয়াবিদ আব্দুল মান্নান জানান, সকাল নয়টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, রংপুর, ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগসহ সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলাসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এখন দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে এবং নদ-নদীর অববাহিকায় ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত হালকা-মাঝারি মাত্রার কুয়াশা থাকতে পারে। সব মিলিয়ে শুষ্ক আবহাওয়ায় কুয়াশার পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়ছে। ‘কুয়াশা নদ-নদী অববাহিকায় বাড়বে এখন। তবে স্থান ভেদে কম-বেশি হতে পারে।

ডিসেম্বরের শেষার্ধে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাসও রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাসের বিষয়ে আবহাওয়ার অধিদপ্তরের বুলেটিনে জানানো হয়, ডিসেম্বরের শেষার্ধ্বে উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে এক থেকে দুটি মৃদু ৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অথবা মাঝারি ৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।