পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী Logo ঢাকায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস

একাধিক পুরুষের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক, দেখে ফেলায় স্বামীকে হত্যা

ডেস্ক : সিলেটের ওসমানীনগরে গত রোববার গলায় রশি দিয়ে পাথর বাঁধা অবস্থায় সতীন্দ্র দাস নামের এক জেলের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এবার এ হত্যাকোণ্ডের রহস্য উম্মোচিত হলো।

গতকাল মঙ্গলবার নিহতের বড় ভাই রতন দাস বাদী হয়ে ওসমানীনগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপরই সতীন্দ্র হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তার স্ত্রীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, নিহতের স্ত্রী সন্ধ্যা রানী দাস, পশ্চিম পৈলনপুর ইউনিয়নের মোবারকপুর গ্রামের সুশিল দাসের ছেলে গোপাল দাস (২৯), কারিকুনা গ্রামের অতুল দাসের ছেলে স্বপন দাস (৩০)।

গ্রেপ্তারকৃতদের গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে সিলেটের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া গোপাল দাস ও স্বপন দাস আদালতে ফৌজদারি দণ্ডবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এরপর তাদেরকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

জবানবন্দিতে তারা জানান, নিহত সতীন্দ্রের স্ত্রী সন্ধ্যা রানী দাসের সঙ্গে তাদের শারীরিক সম্পর্ক ছিল। হত্যাকাণ্ডের আগে তাদের সঙ্গে স্ত্রীর যৌনসম্পর্ক দেখে ফেলেন ও স্ত্রীকে মারধর করেন সতীন্দ্র। তাই পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধে খুন করার পর সতীন্দ্রর লাশের গলায় পাথর বেঁধে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এমন কথা জানান নিহতের স্ত্রী সন্ধ্যা রানী দাস ও তার দুই প্রেমিক।

ওসমানীনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম মাইন উদ্দিন ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রতন লাল দেব জানান, আসামিরা পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি দিয়েছেন এবং ঘটনার সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত রয়েছে বলে জানিয়েছেন। পরে সিলেটে আদালতেও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন গোপাল ও স্বপন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

একাধিক পুরুষের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক, দেখে ফেলায় স্বামীকে হত্যা

আপডেট টাইম : ০৩:০৫:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২০

ডেস্ক : সিলেটের ওসমানীনগরে গত রোববার গলায় রশি দিয়ে পাথর বাঁধা অবস্থায় সতীন্দ্র দাস নামের এক জেলের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এবার এ হত্যাকোণ্ডের রহস্য উম্মোচিত হলো।

গতকাল মঙ্গলবার নিহতের বড় ভাই রতন দাস বাদী হয়ে ওসমানীনগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপরই সতীন্দ্র হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তার স্ত্রীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, নিহতের স্ত্রী সন্ধ্যা রানী দাস, পশ্চিম পৈলনপুর ইউনিয়নের মোবারকপুর গ্রামের সুশিল দাসের ছেলে গোপাল দাস (২৯), কারিকুনা গ্রামের অতুল দাসের ছেলে স্বপন দাস (৩০)।

গ্রেপ্তারকৃতদের গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে সিলেটের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া গোপাল দাস ও স্বপন দাস আদালতে ফৌজদারি দণ্ডবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এরপর তাদেরকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

জবানবন্দিতে তারা জানান, নিহত সতীন্দ্রের স্ত্রী সন্ধ্যা রানী দাসের সঙ্গে তাদের শারীরিক সম্পর্ক ছিল। হত্যাকাণ্ডের আগে তাদের সঙ্গে স্ত্রীর যৌনসম্পর্ক দেখে ফেলেন ও স্ত্রীকে মারধর করেন সতীন্দ্র। তাই পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধে খুন করার পর সতীন্দ্রর লাশের গলায় পাথর বেঁধে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এমন কথা জানান নিহতের স্ত্রী সন্ধ্যা রানী দাস ও তার দুই প্রেমিক।

ওসমানীনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম মাইন উদ্দিন ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রতন লাল দেব জানান, আসামিরা পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি দিয়েছেন এবং ঘটনার সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত রয়েছে বলে জানিয়েছেন। পরে সিলেটে আদালতেও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন গোপাল ও স্বপন।