অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

এসপিকে ফোন, আটকে পড়া ভারতীয়দের জন্য খাবার পৌঁছে দিল পুলিশ

জাগো নিউজঃ এসপিকে ফোন, আটকে পড়া ভারতীয়দের জন্য খাবার পৌঁছে দিল পুলিশ
করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে ভারতীয় তিন নাগরিক আটকা পড়েছেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলায়। ভারত লকডাউন ঘোষণা ও ইমিগ্রেশন দিয়ে যাতায়াত বন্ধ করে দেয়ায় দেশে ফিরতে পারেননি তারা। সদর উপজেলায় দূর সম্পর্কের এক অস্বচ্ছল আত্মীয়ের বাড়িতে অবস্থান করছেন। সেই বাড়ির খাবার ফুরিয়ে গেছে।

উপায়ান্তর না পেয়ে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার (এসপি) মোস্তাফিজুর রহমানকে ফোন করেন অসহায় ভারতীয় নাগরিকরা। ফোন পেয়েই বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ওই বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেয়া হয়েছে। পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমানের নির্দেশে সাতক্ষীরা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মির্জা সালাউদ্দীন ওই বাড়িতে এ খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেন।
সাতক্ষীরা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মির্জা সালাউদ্দীন জানান, আটকে পড়া এসব ভারতীয় নাগরিকরা ভারতের কলকাতার আটকারিয়া এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তারা সদর উপজেলার হাড়দ্দাহ দক্ষিণপাড়া এলাকায় অবস্থান করছেন। গত ১৫ মার্চ এসব নাগরিকরা ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। এসপি স্যারের নির্দেশনায় তাদের জন্য খাবার পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ভারত সরকার দেশে প্রবেশ বন্ধ ঘোষণা করায় এসব নাগরিকরা দেশে ফিরতে পারেননি। সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় এক অস্বচ্ছল দূর সম্পর্কের আত্মীয়র বাড়িতে অবস্থান করছেন। কোনোভাবে তারা আমার ফোন নম্বর জোগাড় করে তাদের অসহায়ত্বের কথা জানান। বলেন, বাড়িতে খাবার নেই। এটা জেনে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ওই বাড়িতে ১৫-২০ দিনের খাদ্য সামগ্রী পোঁছে দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে করোনা পরিস্থিতিতে সার্বক্ষণিক মাঠে কাজ করছে পুলিশ। এ পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষদের পাশে সকলকে মানবিক হয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

এসপিকে ফোন, আটকে পড়া ভারতীয়দের জন্য খাবার পৌঁছে দিল পুলিশ

আপডেট টাইম : ০৯:৪৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২০

জাগো নিউজঃ এসপিকে ফোন, আটকে পড়া ভারতীয়দের জন্য খাবার পৌঁছে দিল পুলিশ
করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে ভারতীয় তিন নাগরিক আটকা পড়েছেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলায়। ভারত লকডাউন ঘোষণা ও ইমিগ্রেশন দিয়ে যাতায়াত বন্ধ করে দেয়ায় দেশে ফিরতে পারেননি তারা। সদর উপজেলায় দূর সম্পর্কের এক অস্বচ্ছল আত্মীয়ের বাড়িতে অবস্থান করছেন। সেই বাড়ির খাবার ফুরিয়ে গেছে।

উপায়ান্তর না পেয়ে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার (এসপি) মোস্তাফিজুর রহমানকে ফোন করেন অসহায় ভারতীয় নাগরিকরা। ফোন পেয়েই বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ওই বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেয়া হয়েছে। পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমানের নির্দেশে সাতক্ষীরা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মির্জা সালাউদ্দীন ওই বাড়িতে এ খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেন।
সাতক্ষীরা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মির্জা সালাউদ্দীন জানান, আটকে পড়া এসব ভারতীয় নাগরিকরা ভারতের কলকাতার আটকারিয়া এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তারা সদর উপজেলার হাড়দ্দাহ দক্ষিণপাড়া এলাকায় অবস্থান করছেন। গত ১৫ মার্চ এসব নাগরিকরা ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। এসপি স্যারের নির্দেশনায় তাদের জন্য খাবার পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ভারত সরকার দেশে প্রবেশ বন্ধ ঘোষণা করায় এসব নাগরিকরা দেশে ফিরতে পারেননি। সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় এক অস্বচ্ছল দূর সম্পর্কের আত্মীয়র বাড়িতে অবস্থান করছেন। কোনোভাবে তারা আমার ফোন নম্বর জোগাড় করে তাদের অসহায়ত্বের কথা জানান। বলেন, বাড়িতে খাবার নেই। এটা জেনে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ওই বাড়িতে ১৫-২০ দিনের খাদ্য সামগ্রী পোঁছে দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে করোনা পরিস্থিতিতে সার্বক্ষণিক মাঠে কাজ করছে পুলিশ। এ পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষদের পাশে সকলকে মানবিক হয়ে এগিয়ে আসতে হবে।