পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

মেয়ের জন্য পাত্র দেখতে গিয়ে ঘটকের দ্বারা : গণধর্ষণের শিকার বিধবা

ডেস্কঃ মেয়ের জন্য পাত্র দেখতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার বিধবা
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কুলতলী গ্রামে চার সন্তানের জননী এক বিধবা নারীকে গণধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাতে স্থানীয় পাঁচ ব্যক্তি ওই বিধবা নারীকে গণধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ উঠে। শ্যামনগরের শ্রীফলকাঠি গ্রামে বসবাসরত ওই নারী নিজের মেয়ের জন্য ছেলে দেখতে কদমতলা এলাকায় যাওয়ার পর ঘটক ও তার চার সহযোগী কৌশলে তাকে আটকে রেখে পাশবিক নির্যাতন চালায়। শ্যামনগর থানা পুলিশ ইতোমধ্যে মামলার তথ্য নিশ্চিত করে দ্রুত ধর্ষকদেরকে গ্রেফতারে মাঠে নেমেছে।
নির্যাতনের শিকার ওই নারীর দায়েরকৃত অভিযোগে জানায়, তার মেয়ের বিয়ের জন্য ছেলে দেখানোর কথা বলে ঘটক কুলতলী গ্রামের অফেজউদ্দীন গাজীর ছেলে মহসীন হোসেন তাকে কদমতলায় নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে আরও একজন ভাল ছেলের অভিভাবকের সাথে কথা বলার অজুহাতে বুধবার বিকেলের দিকে তাকে ভাড়াটিয়া মটরসাইকেল চালক (বাবু) এর সহায়তায় কুলতলি গ্রামে নিয়ে যায় মহসীন। পথিমধ্যে সন্ধ্যা হওয়ার সুযোগে একই এলাকার একটি চিংড়ি ঘেরের বাসায় আটকে রেখে চার সহযোগীসহ মহসীন তাকে ধর্ষণ করে।

নির্যাতনের শিকার নারীকে উদ্ধারকারী ঘের কর্মচারী আলমগীর হোসেন ও শুধাংসু মণ্ডল জানায়, রাতে তারা পাহারার সময়ে কাছে একটি চিংড়ি ঘেরের বাসা থেকে কোন নারীর চিৎকার শুনতে পায়। দ্রুত তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছাতেই সফিকুল, মহসীন, বাবু, গোলাম রব্বানী ও হান্নানসহ আরও দুইজন পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে নির্যাতনের শিকার নারীকে উদ্ধার করে রাতে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ নজরুল ইসলামের বাড়িতে নিয়ে যায়।
গ্রাম পুলিশ নজরুল ইসলাম জানায়, রাতে স্থানীয়রা ধর্ষণের শিকার ঐ নারীকে তার বাড়িতে পৌঁছে দেয়। পরে রাত গভীর হওয়াতে নিজের বাড়িতে রাখার পর দুপুরের দিকে শ্যামনগর থানায় পৌঁছে দেয়া হয়।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল হুদা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, নির্যাতিতার লিখিত অভিযোগ মামলা হিসেবে রেকর্ড করার পর আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ মাঠে নেমেছে।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

মেয়ের জন্য পাত্র দেখতে গিয়ে ঘটকের দ্বারা : গণধর্ষণের শিকার বিধবা

আপডেট টাইম : ১১:০৫:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২০

ডেস্কঃ মেয়ের জন্য পাত্র দেখতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার বিধবা
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কুলতলী গ্রামে চার সন্তানের জননী এক বিধবা নারীকে গণধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাতে স্থানীয় পাঁচ ব্যক্তি ওই বিধবা নারীকে গণধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ উঠে। শ্যামনগরের শ্রীফলকাঠি গ্রামে বসবাসরত ওই নারী নিজের মেয়ের জন্য ছেলে দেখতে কদমতলা এলাকায় যাওয়ার পর ঘটক ও তার চার সহযোগী কৌশলে তাকে আটকে রেখে পাশবিক নির্যাতন চালায়। শ্যামনগর থানা পুলিশ ইতোমধ্যে মামলার তথ্য নিশ্চিত করে দ্রুত ধর্ষকদেরকে গ্রেফতারে মাঠে নেমেছে।
নির্যাতনের শিকার ওই নারীর দায়েরকৃত অভিযোগে জানায়, তার মেয়ের বিয়ের জন্য ছেলে দেখানোর কথা বলে ঘটক কুলতলী গ্রামের অফেজউদ্দীন গাজীর ছেলে মহসীন হোসেন তাকে কদমতলায় নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে আরও একজন ভাল ছেলের অভিভাবকের সাথে কথা বলার অজুহাতে বুধবার বিকেলের দিকে তাকে ভাড়াটিয়া মটরসাইকেল চালক (বাবু) এর সহায়তায় কুলতলি গ্রামে নিয়ে যায় মহসীন। পথিমধ্যে সন্ধ্যা হওয়ার সুযোগে একই এলাকার একটি চিংড়ি ঘেরের বাসায় আটকে রেখে চার সহযোগীসহ মহসীন তাকে ধর্ষণ করে।

নির্যাতনের শিকার নারীকে উদ্ধারকারী ঘের কর্মচারী আলমগীর হোসেন ও শুধাংসু মণ্ডল জানায়, রাতে তারা পাহারার সময়ে কাছে একটি চিংড়ি ঘেরের বাসা থেকে কোন নারীর চিৎকার শুনতে পায়। দ্রুত তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছাতেই সফিকুল, মহসীন, বাবু, গোলাম রব্বানী ও হান্নানসহ আরও দুইজন পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে নির্যাতনের শিকার নারীকে উদ্ধার করে রাতে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ নজরুল ইসলামের বাড়িতে নিয়ে যায়।
গ্রাম পুলিশ নজরুল ইসলাম জানায়, রাতে স্থানীয়রা ধর্ষণের শিকার ঐ নারীকে তার বাড়িতে পৌঁছে দেয়। পরে রাত গভীর হওয়াতে নিজের বাড়িতে রাখার পর দুপুরের দিকে শ্যামনগর থানায় পৌঁছে দেয়া হয়।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল হুদা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, নির্যাতিতার লিখিত অভিযোগ মামলা হিসেবে রেকর্ড করার পর আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ মাঠে নেমেছে।