পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী Logo ঢাকায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস

সন্তান হত্যার বিচার চেয়ে হাইকোর্টের বারান্দায় মুক্তিযোদ্ধা বাবার আর্তনাদ

ডেস্ক: জীবন বাজি রেখে একাত্তরে দেশ স্বাধীন করেছেন। অথচ জীবনের শেষ বেলায় সন্তান হত্যার বিচার চেয়ে হাইকোর্টের বারান্দায় ঘুরছেন মুক্তিযোদ্ধা হেলাল উদ্দিন। মেয়ে হালিমা পুলিশ সদস্য হয়েও ধর্ষণের শিকার হন, আরেক পুলিশের কাছে। পরে আত্মহত্যা করেন হালিমা। এ ঘটনায় ধর্ষণ ও আত্মহত্যার প্ররোচনায় মামলায় খালাস পান, আসামি মিজানুল ইসলাম। হেলাল উদ্দিনের বিশ্বাস, উচ্চ আদালতে ন্যায়বিচার পাবেন।

মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। বয়স ৭৫ বছর। জীবন সায়াহ্নে এসে যখন নাতি নাতনি নিয়ে জীবন কাটানোর কথা তখন প্রথমবারের মত হাইকোর্টে এসেছেন তিনি। উদ্দ্যেশ্যে নিজের মেয়ের ধর্ষনের পর হত্যার বিচার চাওয়া।

বৃহস্পতিবার কথা হলো তার সাথে। জানালেন, তার মেয়ে হালিমা বেগম চাকরি করতেন ময়মনসিংহের গৌরিপুর থানায়। পেশায় পুলিশ মেয়েটি একদিন ধর্ষনের স্বীকার হন একই থানার এস আই মিজানুল ইসলামের দ্বারা। ক্ষোভ অভিমানে একদিন নিজের গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর তার বাবা থানায় মামলা দিলেও নেয়নি থানা। শেষ পর্যন্ত নিজের ডায়েরীতে হত্যার কারন লিখে যান হালিমা। কিন্তু চলতি বছর সাক্ষ্য প্রমাণের অভাবে খালাস পেয়ে যায় একমাত্র আসামী।

বৃহস্পতিবার এ মামলায় আসামীর আত্মসমর্পন চেয়ে আপিল করে মুক্তিযোদ্ধা হেলাল উদ্দিন। সেই সাথে খালাসের বিরুদ্ধে আপিলও করা হয়।

মুক্তিযোদ্ধা হেলাল উদ্দিন বিশ্বাস উচ্চ আদালত তার মেয়ের হত্যায় ন্যায় বিচার নিশ্চিত করবে। আগামী সপ্তাহে এ মামলাটির শুনানি হবে হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

সন্তান হত্যার বিচার চেয়ে হাইকোর্টের বারান্দায় মুক্তিযোদ্ধা বাবার আর্তনাদ

আপডেট টাইম : ০৪:৩১:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২০

ডেস্ক: জীবন বাজি রেখে একাত্তরে দেশ স্বাধীন করেছেন। অথচ জীবনের শেষ বেলায় সন্তান হত্যার বিচার চেয়ে হাইকোর্টের বারান্দায় ঘুরছেন মুক্তিযোদ্ধা হেলাল উদ্দিন। মেয়ে হালিমা পুলিশ সদস্য হয়েও ধর্ষণের শিকার হন, আরেক পুলিশের কাছে। পরে আত্মহত্যা করেন হালিমা। এ ঘটনায় ধর্ষণ ও আত্মহত্যার প্ররোচনায় মামলায় খালাস পান, আসামি মিজানুল ইসলাম। হেলাল উদ্দিনের বিশ্বাস, উচ্চ আদালতে ন্যায়বিচার পাবেন।

মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। বয়স ৭৫ বছর। জীবন সায়াহ্নে এসে যখন নাতি নাতনি নিয়ে জীবন কাটানোর কথা তখন প্রথমবারের মত হাইকোর্টে এসেছেন তিনি। উদ্দ্যেশ্যে নিজের মেয়ের ধর্ষনের পর হত্যার বিচার চাওয়া।

বৃহস্পতিবার কথা হলো তার সাথে। জানালেন, তার মেয়ে হালিমা বেগম চাকরি করতেন ময়মনসিংহের গৌরিপুর থানায়। পেশায় পুলিশ মেয়েটি একদিন ধর্ষনের স্বীকার হন একই থানার এস আই মিজানুল ইসলামের দ্বারা। ক্ষোভ অভিমানে একদিন নিজের গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর তার বাবা থানায় মামলা দিলেও নেয়নি থানা। শেষ পর্যন্ত নিজের ডায়েরীতে হত্যার কারন লিখে যান হালিমা। কিন্তু চলতি বছর সাক্ষ্য প্রমাণের অভাবে খালাস পেয়ে যায় একমাত্র আসামী।

বৃহস্পতিবার এ মামলায় আসামীর আত্মসমর্পন চেয়ে আপিল করে মুক্তিযোদ্ধা হেলাল উদ্দিন। সেই সাথে খালাসের বিরুদ্ধে আপিলও করা হয়।

মুক্তিযোদ্ধা হেলাল উদ্দিন বিশ্বাস উচ্চ আদালত তার মেয়ের হত্যায় ন্যায় বিচার নিশ্চিত করবে। আগামী সপ্তাহে এ মামলাটির শুনানি হবে হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চে।