পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী Logo ঢাকায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস

খুঁটিতে বেঁধে দুই শিশুকে মারধর, গ্রেপ্তার ২

ডেস্ক : দুই শিশুকে রশি দিয়ে বাঁধা হয়েছে খুঁটিতে। এরপর বাঁশের লাঠি দিয়ে তাদের বেদম মারধর করা হচ্ছে। এমন একটি ভিডিও গতকাল শনিবার ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আজ রোববার দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মারধরের ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চর ভবানীপুর গ্রামে। গত বৃহস্পতিবার।

মারধরের শিকার দুই শিশু হলো চর গোবিন্দপুর গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মো. রাকিব (১২) ও জাহির মিয়ার ছেলে মো. ফয়সাল (১৭)। মুঠোফোন চুরির অভিযোগে তাদের ওপর ওই নির্যাতন চালানো হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া দুজন হলেন চর ভবানীপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফা ও সফর আলী।

জানতে চাইলে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ তালুকদার বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তাঁর ছেলে চুরি করেনি। মিথ্যা অভিযোগে তাকে মারা হয়েছে। তিনি এ নির্যাতনের বিচার চান।ফাতেমা বেগম, নির্যাতনের শিকার ফয়সালের মা
থানা-পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানা যায়, বুধবার গোলাম মোস্তফার মেয়ের মুঠোফোন চুরি হয়। এ অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাকিব ও ফয়সালকে আটক করে মোস্তফার নেতৃত্বে নির্যাতন চালানো হয়। সে সময় অনেকে এ ঘটনার ভিডিও মুঠোফোনে ধারণ করেন। তবে মোস্তফা প্রভাবশালী হওয়ায় প্রথমে বিষয়টি কেউ প্রকাশ করেননি। মারধরের পর ফয়সালকে পুলিশে দেওয়া হয়। রাকিবকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে পুলিশ বাবা জাহিরের মুচলেকা নিয়ে ফয়সালকেও ছেড়ে দেয়।

শনিবার রাতে স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে ৯৯৯-এ কল করে মারধরের বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। পরে মুঠোফোনে ধারণ করা ভিডিওটি ফেসবুকে প্রকাশ করা হয়। পুলিশ আজ ভোর পাঁচটার দিকে অভিযান চালিয়ে মোস্তফা ও সফরকে আটক করে। দুপুরে জাহির তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

ফয়সালের মা ফাতেমা বেগম বলেন, তাঁর ছেলে চুরি করেনি। মিথ্যা অভিযোগে তাকে মারা হয়েছে। তিনি এ নির্যাতনের বিচার চান।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

খুঁটিতে বেঁধে দুই শিশুকে মারধর, গ্রেপ্তার ২

আপডেট টাইম : ০৪:৫১:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

ডেস্ক : দুই শিশুকে রশি দিয়ে বাঁধা হয়েছে খুঁটিতে। এরপর বাঁশের লাঠি দিয়ে তাদের বেদম মারধর করা হচ্ছে। এমন একটি ভিডিও গতকাল শনিবার ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আজ রোববার দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মারধরের ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চর ভবানীপুর গ্রামে। গত বৃহস্পতিবার।

মারধরের শিকার দুই শিশু হলো চর গোবিন্দপুর গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মো. রাকিব (১২) ও জাহির মিয়ার ছেলে মো. ফয়সাল (১৭)। মুঠোফোন চুরির অভিযোগে তাদের ওপর ওই নির্যাতন চালানো হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া দুজন হলেন চর ভবানীপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফা ও সফর আলী।

জানতে চাইলে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ তালুকদার বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তাঁর ছেলে চুরি করেনি। মিথ্যা অভিযোগে তাকে মারা হয়েছে। তিনি এ নির্যাতনের বিচার চান।ফাতেমা বেগম, নির্যাতনের শিকার ফয়সালের মা
থানা-পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানা যায়, বুধবার গোলাম মোস্তফার মেয়ের মুঠোফোন চুরি হয়। এ অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাকিব ও ফয়সালকে আটক করে মোস্তফার নেতৃত্বে নির্যাতন চালানো হয়। সে সময় অনেকে এ ঘটনার ভিডিও মুঠোফোনে ধারণ করেন। তবে মোস্তফা প্রভাবশালী হওয়ায় প্রথমে বিষয়টি কেউ প্রকাশ করেননি। মারধরের পর ফয়সালকে পুলিশে দেওয়া হয়। রাকিবকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে পুলিশ বাবা জাহিরের মুচলেকা নিয়ে ফয়সালকেও ছেড়ে দেয়।

শনিবার রাতে স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে ৯৯৯-এ কল করে মারধরের বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। পরে মুঠোফোনে ধারণ করা ভিডিওটি ফেসবুকে প্রকাশ করা হয়। পুলিশ আজ ভোর পাঁচটার দিকে অভিযান চালিয়ে মোস্তফা ও সফরকে আটক করে। দুপুরে জাহির তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

ফয়সালের মা ফাতেমা বেগম বলেন, তাঁর ছেলে চুরি করেনি। মিথ্যা অভিযোগে তাকে মারা হয়েছে। তিনি এ নির্যাতনের বিচার চান।