অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন

বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানচর্চার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক: বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানচর্চা করার প্রতি তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সোমবার বিকেলে মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট আয়োজিত চারদিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ তাগিদ দেন তিনি।

এদিন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্য যে ৭৫-এ জাতির পিতাকে হত্যার পর যারা ক্ষমতায় এসেছিল তারা আমাদের ভাষা বা গবেষণা কোনো ব্যাপারই তেমন কোনো গুরুত্ব দেয়নি।

সরকারপ্রধান বলেন, আজকের এই দিবসটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার যখন গঠন করে তখন প্রবাসী বাঙালিরা কতগুলো ভাষাভাষীদের নিয়ে ভালোবাসি মাতৃভাষাকে নামে সংগঠন করেছিল। তার মাধ্যমে জাতিসংঘে প্রস্তাব পেশ করেছিল একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হোক। কিন্তু একটি প্রতিষ্ঠান করলে হবে না, একটা সদস্য রাষ্ট্রের কাছ থেকে প্রস্তাব আসতে হবে। তখন আমরা উদ্যোগ নেই, প্রস্তাব পেশ করি এবং ইউনেস্কো সাধারণ পরিষদে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর সেটা পাস হয়। সেই থেকে একুশে ফেব্রুয়ারি শুধু আমাদের শহীদ দিবস না সমগ্র বিশ্বের মাতৃভাষা-ভাষীদের জন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ দিবস। যার জন্য পৃথিবীর অনেক দেশ এ দিবসটি পালন করে; এটা বাঙালি জাতি হিসেবে অত্যন্ত গর্বের। কারণ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বাংলা ভাষায় জাতিসংঘে ভাষণ দিয়েছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বিজ্ঞান শিক্ষা, বিজ্ঞান গবেষণা এবং গবেষণালব্ধ যেসব জ্ঞান সেটা মানুষের কাজে যেন ব্যবহার হয় এটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিজ্ঞান শিক্ষায় আরেকটি বিষয় লক্ষ্য করেছিলাম যে, স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিজ্ঞান পড়ার কোনো আগ্রহই ছিল না। তখন আমরা ১২টি বিশ্ববিদ্যালয় করার পরিকল্পনা নেই। আর এ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নাম দেওয়া হয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। আমার উদ্দেশ্য ছিল, এই নামটা দিলে আমাদের ছেলেমেয়েরা বিজ্ঞান পড়ার দিকে আগ্রহী হবে, প্রযুক্তি শিক্ষার দিকে আগ্রহী হবে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ভাষায় বহুল পরিচিত ও প্রচলিত শব্দগুলো ব্যবহার করার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন।

Tag :

গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই

বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানচর্চার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট টাইম : ০৪:০৬:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২২

ডেস্ক: বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানচর্চা করার প্রতি তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সোমবার বিকেলে মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট আয়োজিত চারদিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ তাগিদ দেন তিনি।

এদিন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্য যে ৭৫-এ জাতির পিতাকে হত্যার পর যারা ক্ষমতায় এসেছিল তারা আমাদের ভাষা বা গবেষণা কোনো ব্যাপারই তেমন কোনো গুরুত্ব দেয়নি।

সরকারপ্রধান বলেন, আজকের এই দিবসটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার যখন গঠন করে তখন প্রবাসী বাঙালিরা কতগুলো ভাষাভাষীদের নিয়ে ভালোবাসি মাতৃভাষাকে নামে সংগঠন করেছিল। তার মাধ্যমে জাতিসংঘে প্রস্তাব পেশ করেছিল একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হোক। কিন্তু একটি প্রতিষ্ঠান করলে হবে না, একটা সদস্য রাষ্ট্রের কাছ থেকে প্রস্তাব আসতে হবে। তখন আমরা উদ্যোগ নেই, প্রস্তাব পেশ করি এবং ইউনেস্কো সাধারণ পরিষদে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর সেটা পাস হয়। সেই থেকে একুশে ফেব্রুয়ারি শুধু আমাদের শহীদ দিবস না সমগ্র বিশ্বের মাতৃভাষা-ভাষীদের জন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ দিবস। যার জন্য পৃথিবীর অনেক দেশ এ দিবসটি পালন করে; এটা বাঙালি জাতি হিসেবে অত্যন্ত গর্বের। কারণ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বাংলা ভাষায় জাতিসংঘে ভাষণ দিয়েছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বিজ্ঞান শিক্ষা, বিজ্ঞান গবেষণা এবং গবেষণালব্ধ যেসব জ্ঞান সেটা মানুষের কাজে যেন ব্যবহার হয় এটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিজ্ঞান শিক্ষায় আরেকটি বিষয় লক্ষ্য করেছিলাম যে, স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিজ্ঞান পড়ার কোনো আগ্রহই ছিল না। তখন আমরা ১২টি বিশ্ববিদ্যালয় করার পরিকল্পনা নেই। আর এ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নাম দেওয়া হয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। আমার উদ্দেশ্য ছিল, এই নামটা দিলে আমাদের ছেলেমেয়েরা বিজ্ঞান পড়ার দিকে আগ্রহী হবে, প্রযুক্তি শিক্ষার দিকে আগ্রহী হবে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ভাষায় বহুল পরিচিত ও প্রচলিত শব্দগুলো ব্যবহার করার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন।