অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

আত্মসমর্পণ না করে দেশ ছাড়লেন হাজী সেলিম

ডেস্ক : জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় দশ বছরের দণ্ড নিয়েই দেশ ছেড়েছেন আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য (এমপি) হাজী মোহাম্মদ সেলিম। কঠোর গোপনীয়তার মধ্য দিয়ে শনিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক যান তিনি।

সোমবার (২ মে) দেশের একটি গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে হাজি সেলিমের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র।

হাজী সেলিম তিনটি গাড়ির একটি বহর নিয়ে আজিমপুর কবরস্থানে যান। সেখানে কবর জিয়ারত শেষে যান বিমানবন্দরে। তবে এ সময় তার সঙ্গে পরিবারের কেউ ছিলেন না। এছাড়া গাড়ির চালকেরও আগে থেকে জানতো না তারা কোথায় যাচ্ছেন বলেও জানায় ওই ঘনিষ্ঠ সূত্র।

সূত্রটি জানায়, হাজী সেলিম চিকিৎসার কথা বলে ব্যাংকক গিয়েছেন। তার সফরসঙ্গী হিসেবে ঘনিষ্ঠ কেউই যাননি। তার যাওয়ার আগে বা পরে ঘনিষ্ঠ কেউ ব্যাংকক গিয়ে থাকতে পারেন।

এ বিষয়ে জানতে হাজী সেলিমের বড় ছেলে সোলাইমান সেলিমের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

দুর্নীতির মামলায় হাজী সেলিমের ১০ বছর সাজা বহাল রেখে হাইকোর্টের দেওয়া পূর্ণাঙ্গ গত ১০ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়। রায়ের অনুলিপি পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে হাজী সেরিমকে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এ আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ সময়সীমার মধ্যেই দেশ ছেড়লেন তিনি।

দুর্নীতির মামলায় এক যুগ আগে বিচারিক আদালতের রায়ে হাজী সেলিমের ১৩ বছরের কারাদণ্ড হয়েছিল। সাজার রায়ের বিরুদ্ধে হাজী সেলিম হাইকোর্টে আপিল করেন। এই আপিলের শুনানি নিয়ে গত বছরের ৯ মার্চ বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় ঘোষণা করেন। এরপর ১০ ফেব্রুয়ারি পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশিত হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী খুরশীদ আলম বলেন, সাজাপাপ্ত আসামি হওয়ায় হাজী সেলিমের সংসদ সদস্য পদে আর নেই বলে আমি মনে করি। একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি বিদেশে যেতে পারেন না। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সাজাপ্রাপ্ত আসামি হওয়ার কারণেই বিদেশ যেতে পারেননি। হাজী সেলিমেরও বিদেশে যাওয়ার সুযোগ নেই।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

আত্মসমর্পণ না করে দেশ ছাড়লেন হাজী সেলিম

আপডেট টাইম : ০৩:১৪:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মে ২০২২

ডেস্ক : জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় দশ বছরের দণ্ড নিয়েই দেশ ছেড়েছেন আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য (এমপি) হাজী মোহাম্মদ সেলিম। কঠোর গোপনীয়তার মধ্য দিয়ে শনিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক যান তিনি।

সোমবার (২ মে) দেশের একটি গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে হাজি সেলিমের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র।

হাজী সেলিম তিনটি গাড়ির একটি বহর নিয়ে আজিমপুর কবরস্থানে যান। সেখানে কবর জিয়ারত শেষে যান বিমানবন্দরে। তবে এ সময় তার সঙ্গে পরিবারের কেউ ছিলেন না। এছাড়া গাড়ির চালকেরও আগে থেকে জানতো না তারা কোথায় যাচ্ছেন বলেও জানায় ওই ঘনিষ্ঠ সূত্র।

সূত্রটি জানায়, হাজী সেলিম চিকিৎসার কথা বলে ব্যাংকক গিয়েছেন। তার সফরসঙ্গী হিসেবে ঘনিষ্ঠ কেউই যাননি। তার যাওয়ার আগে বা পরে ঘনিষ্ঠ কেউ ব্যাংকক গিয়ে থাকতে পারেন।

এ বিষয়ে জানতে হাজী সেলিমের বড় ছেলে সোলাইমান সেলিমের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

দুর্নীতির মামলায় হাজী সেলিমের ১০ বছর সাজা বহাল রেখে হাইকোর্টের দেওয়া পূর্ণাঙ্গ গত ১০ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়। রায়ের অনুলিপি পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে হাজী সেরিমকে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এ আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ সময়সীমার মধ্যেই দেশ ছেড়লেন তিনি।

দুর্নীতির মামলায় এক যুগ আগে বিচারিক আদালতের রায়ে হাজী সেলিমের ১৩ বছরের কারাদণ্ড হয়েছিল। সাজার রায়ের বিরুদ্ধে হাজী সেলিম হাইকোর্টে আপিল করেন। এই আপিলের শুনানি নিয়ে গত বছরের ৯ মার্চ বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় ঘোষণা করেন। এরপর ১০ ফেব্রুয়ারি পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশিত হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী খুরশীদ আলম বলেন, সাজাপাপ্ত আসামি হওয়ায় হাজী সেলিমের সংসদ সদস্য পদে আর নেই বলে আমি মনে করি। একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি বিদেশে যেতে পারেন না। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সাজাপ্রাপ্ত আসামি হওয়ার কারণেই বিদেশ যেতে পারেননি। হাজী সেলিমেরও বিদেশে যাওয়ার সুযোগ নেই।