পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী Logo ঢাকায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস

দশজনের পরিবারের সাতজন প্রতিবন্ধী সংসার চলছে একজনের আয়ে।

মোঃ আঃ রাজ্জাক লালমনিরহাট:লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের দিঘলটারি গ্রামের এমতাদুল ও নুুরজাহান দম্পতির ১০ সদস্যের পরিবার এদের মধ্যে ৭ জনেই শারীরিক ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী।তাদের
সংসারে ৩ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে স্বামী এমতাদুল সহ সকলেই প্রতিবন্ধী বড় ছেলে নুরনবী ইসলাম( দৃষ্টি প্রতিবন্ধী) তার স্ত্রী বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও শাশুড়ি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হলেও তারা দুজনে সরকারি ভাতা থেকে বঞ্চিত।

পরিবারের নুরজাহান একমাত্র ভালো ব্যাক্তি হলেও তার আয়ের কোনো উৎস নেই পুস্টিহীনতায় শরীরে কাজ করার ক্ষমতা নেই বাড়ি ভিটা ছাড়া আবাদি জমিও নেই তাদের। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বড়ো ছেলে নুরনবী ইসলাম (২৫)হাটবাজারে গান বাজনা করে যে আয় করে সেটি দিয়েই কোনো মতে সংসার চলে অনেকটাই অনাহারে অর্ধাহারে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন তারা।

এলাকাবাসী নয়ন ও মজিবর জানান এই পরিবারের সকলেই দৃষ্টি ও শারীরিক প্রতিবন্ধী তারা মানবেতর জীবন যাপন করছে সামান্য সরকারী ভাতা ও একজনের আয় দিয়ে সংসার চলে না তাদের।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জি আর সারোয়ার বলেন পরিবারটির কথা শুনে খারাপ লাগছে আমাদের সকলকে নিজ অবস্থান থেকে সহযোগিতা করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

দশজনের পরিবারের সাতজন প্রতিবন্ধী সংসার চলছে একজনের আয়ে।

আপডেট টাইম : ১০:৫৭:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৩

মোঃ আঃ রাজ্জাক লালমনিরহাট:লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের দিঘলটারি গ্রামের এমতাদুল ও নুুরজাহান দম্পতির ১০ সদস্যের পরিবার এদের মধ্যে ৭ জনেই শারীরিক ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী।তাদের
সংসারে ৩ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে স্বামী এমতাদুল সহ সকলেই প্রতিবন্ধী বড় ছেলে নুরনবী ইসলাম( দৃষ্টি প্রতিবন্ধী) তার স্ত্রী বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও শাশুড়ি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হলেও তারা দুজনে সরকারি ভাতা থেকে বঞ্চিত।

পরিবারের নুরজাহান একমাত্র ভালো ব্যাক্তি হলেও তার আয়ের কোনো উৎস নেই পুস্টিহীনতায় শরীরে কাজ করার ক্ষমতা নেই বাড়ি ভিটা ছাড়া আবাদি জমিও নেই তাদের। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বড়ো ছেলে নুরনবী ইসলাম (২৫)হাটবাজারে গান বাজনা করে যে আয় করে সেটি দিয়েই কোনো মতে সংসার চলে অনেকটাই অনাহারে অর্ধাহারে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন তারা।

এলাকাবাসী নয়ন ও মজিবর জানান এই পরিবারের সকলেই দৃষ্টি ও শারীরিক প্রতিবন্ধী তারা মানবেতর জীবন যাপন করছে সামান্য সরকারী ভাতা ও একজনের আয় দিয়ে সংসার চলে না তাদের।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জি আর সারোয়ার বলেন পরিবারটির কথা শুনে খারাপ লাগছে আমাদের সকলকে নিজ অবস্থান থেকে সহযোগিতা করতে হবে।