অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

২০২৩ সালে সড়কে ৫৪৯৫ দুর্ঘটনায় নিহত ৫০২৪ : চেয়ারম্যান বিআরটিএ

ফারুক আহমেদ সুজন: ২০২৩ সালে সারাদেশে ৫ হাজার ৪৯৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ হাজার ২৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে শুধু ডিসেম্বরে নিহত হয়েছেন ৪৩৩ জন।

আজ মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলেন ধরেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার।

বিআরটিএ রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ৫ হাজার ৪৯৫টি দুর্ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে ৫ হাজার ২৪ জন নিহত ও ৭ হাজার ৪৯৪ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে শুধু ডিসেম্বরেই ৪৮৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৩৩ জন নিহত ও ৬৪১ জন আহত হয়েছেন।

এর আগে ১৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি জানিয়েছে, বিদায়ী বছর, অর্থাৎ ২০২৩ সালে দেশের সড়ক, রেল ও নৌপথে দুর্ঘটনায় ৮ হাজার ৫০৫ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ৭ হাজার ৯০২ জন। বিআরটিএর চেয়ারম্যান বলেন, দুর্ঘটনার শিকার যানবাহনের মধ্যে এক হাজার ৭৪৭ টিই মোটরসাইকেল।

বিআরটিএ চেয়ারম্যান এর মতে, সচেতনতার অভাব এবং সড়কে আইন না মানার কারণেই দুর্ঘটনা কমানো যাচ্ছে না। আর এর সঙ্গে রয়েছে সীমিত জনবল।

এদিকে গত বছর থেকে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয়া শুরু হয়েছে। কেউ মারা গেলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করলে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হবে। বিভিন্ন সংস্থার তথ্য তুলে ধরে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির প্রতিবেদন অতিরঞ্জিত উল্লেখ করেন বিআরটিএর নুর মোহাম্মদ মজুমদার।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩ সালে পাঁচ হাজার ৯৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় চার হাজার ৪৭৫ জন, রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, ছয় হাজার ৯১১ সড়ক দুর্ঘটনায় ছয় হাজার ৫২৪ জন এবং বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির রিপোর্ট অনুযায়ী ছয় হাজার ২৬১টি সড়ক দুর্ঘটনায় সাত হাজার ৯০২ জন নিহত হয়েছেন।

‘সুতরাং এ তথ্য থেকে প্রতীয়মান হয়, সরকারি ও বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তুলনায় বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির রিপোর্ট অতিরঞ্জিত,’বলেন তিনি। তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য নিয়মিত বিআরটিএর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হচ্ছে। এর বাইরে অন্য কোনো তথ্য পাওয়া গেলে বা কোনো অসংগতি থাকলে তা বিআরটিএকে অবহিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে।

‘কিন্তু বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতিসহ কয়েকটি বেসরকারি সংস্থার প্রকাশিত তথ্য বিআরটিএর তথ্যের সঙ্গে অমিল থাকা সত্ত্বেও বিআরটিএকে এ বিষয়ে কোনো কিছু অবহিত করা হয়নি।

আর এর ফলে যাত্রী কল্যাণ সমিতির প্রকাশিত সড়ক দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন নুর মোহাম্মদ মজুমদার। এই সময় উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (প্রশাসন) আজিজুল ইসলাম (যুগ্মসচিব),পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) আবদুর রাজ্জাক (যুগ্মসচিব),পরিচালক (অপারেশন) লোকমান হোসেন মোল্লা, পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শিতাংশু শেখর বিশ্বাস, পরিচালক (রোড সেফটি) মাহবুব রাব্বানী প্রমুখ।

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

২০২৩ সালে সড়কে ৫৪৯৫ দুর্ঘটনায় নিহত ৫০২৪ : চেয়ারম্যান বিআরটিএ

আপডেট টাইম : ১০:১১:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৪

ফারুক আহমেদ সুজন: ২০২৩ সালে সারাদেশে ৫ হাজার ৪৯৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ হাজার ২৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে শুধু ডিসেম্বরে নিহত হয়েছেন ৪৩৩ জন।

আজ মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলেন ধরেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার।

বিআরটিএ রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ৫ হাজার ৪৯৫টি দুর্ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে ৫ হাজার ২৪ জন নিহত ও ৭ হাজার ৪৯৪ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে শুধু ডিসেম্বরেই ৪৮৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৩৩ জন নিহত ও ৬৪১ জন আহত হয়েছেন।

এর আগে ১৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি জানিয়েছে, বিদায়ী বছর, অর্থাৎ ২০২৩ সালে দেশের সড়ক, রেল ও নৌপথে দুর্ঘটনায় ৮ হাজার ৫০৫ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ৭ হাজার ৯০২ জন। বিআরটিএর চেয়ারম্যান বলেন, দুর্ঘটনার শিকার যানবাহনের মধ্যে এক হাজার ৭৪৭ টিই মোটরসাইকেল।

বিআরটিএ চেয়ারম্যান এর মতে, সচেতনতার অভাব এবং সড়কে আইন না মানার কারণেই দুর্ঘটনা কমানো যাচ্ছে না। আর এর সঙ্গে রয়েছে সীমিত জনবল।

এদিকে গত বছর থেকে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয়া শুরু হয়েছে। কেউ মারা গেলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করলে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হবে। বিভিন্ন সংস্থার তথ্য তুলে ধরে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির প্রতিবেদন অতিরঞ্জিত উল্লেখ করেন বিআরটিএর নুর মোহাম্মদ মজুমদার।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩ সালে পাঁচ হাজার ৯৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় চার হাজার ৪৭৫ জন, রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, ছয় হাজার ৯১১ সড়ক দুর্ঘটনায় ছয় হাজার ৫২৪ জন এবং বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির রিপোর্ট অনুযায়ী ছয় হাজার ২৬১টি সড়ক দুর্ঘটনায় সাত হাজার ৯০২ জন নিহত হয়েছেন।

‘সুতরাং এ তথ্য থেকে প্রতীয়মান হয়, সরকারি ও বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তুলনায় বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির রিপোর্ট অতিরঞ্জিত,’বলেন তিনি। তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য নিয়মিত বিআরটিএর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হচ্ছে। এর বাইরে অন্য কোনো তথ্য পাওয়া গেলে বা কোনো অসংগতি থাকলে তা বিআরটিএকে অবহিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে।

‘কিন্তু বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতিসহ কয়েকটি বেসরকারি সংস্থার প্রকাশিত তথ্য বিআরটিএর তথ্যের সঙ্গে অমিল থাকা সত্ত্বেও বিআরটিএকে এ বিষয়ে কোনো কিছু অবহিত করা হয়নি।

আর এর ফলে যাত্রী কল্যাণ সমিতির প্রকাশিত সড়ক দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন নুর মোহাম্মদ মজুমদার। এই সময় উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (প্রশাসন) আজিজুল ইসলাম (যুগ্মসচিব),পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) আবদুর রাজ্জাক (যুগ্মসচিব),পরিচালক (অপারেশন) লোকমান হোসেন মোল্লা, পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শিতাংশু শেখর বিশ্বাস, পরিচালক (রোড সেফটি) মাহবুব রাব্বানী প্রমুখ।