পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo লালমনিরহাটে Bangla QR প্রচলনে ডিজিটাল পেমেন্ট সম্প্রসারণ ক্যাম্পেইন Logo নীলফামারীতে শ্যাম্পুর খালি প্যাকেট নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১৫, আইসিইউতে ১ জনের মৃত্যু Logo পাটগ্রাম সীমান্তে পথভ্রষ্ট কিশোরী উদ্ধার, পরিবারের কাছে হস্তান্তর Logo মিরপুর বিআরটিএ-তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ছয়জনকে কারাদণ্ড ও পাঁচজনকে অর্থদন্ড। Logo বিআরটিএ সহকারী পরিচালক থেকে উপপরিচালক পদে পদোন্নতি ৭ জনের Logo শামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ মেধাবী শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট ও গাছের চারা দিয়ে সংবর্ধনা Logo পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় গরু ও আগরবাতি আটক Logo পাটগ্রামে উৎসবমুখর পরিবেশে যুগের আলো পত্রিকার ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত Logo জলসিড়ি আবাসনের সাথে রূপগঞ্জের জমি মালিকদের সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিলেন এমপি দিপু ভুঁইয়া Logo হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির অভিযানে মাদক ও মোটরসাইকেল পার্টস আটক

কোটি টাকার সেতু নির্মাণ হলেও নির্মাণ হয়নি এপ্রোচ সড়ক, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

নিজস্ব সংবাদদাতা

লালমনিরহাট সদর উপজেলার হারাটি ইউনিয়নের হিরামারানিক এলাকার কুড়ারপারে দুই পাশে বসতবাড়ির মাঝখানে দেড় কোটি টাকা মূল্যের সেতু নির্মাণ হলেও নির্মাণ হয়নি সেতুর এপ্রোচ সড়ক। প্রায় এক যুগ ধরে সেতুর সুফল পাচ্ছে না গ্রামবাসী এবং পথচারীরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,লালমনিরহাট সদর উপজেলার হারাটি ইউনিয়নের হিরামানিক এলাকার কুড়ারপাড় বিলের উপর ২০১৪ সালে প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যায়ে ৩৩মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), লালমনিরহাট। সেতুটির উভয় পাশে রয়েছে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি। রয়েছে বাড়ি ঘর। আর বাড়ি ঘরের পাশ দিয়ে আছে আগে থেকেই হাটা চলার গ্রামবাসীর মালিকানাধীন সরু একমাত্র রাস্তা । তবে ওই রাস্তা দিয়ে শুধু পায়ে হেঁটে সেতু পাড় হতে পারলেও কোনো যানবাহন এমনকি মোটরসাইকেল, রিকশা ভ্যানও পাড় হতে পারে না। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে গ্রামবাসী। ফলে সেতুটি তাদের জন্য তেমন সুফল বয়ে আনছে না। ১১ বছর ধরে সেতুর সুফল থেকে বঞ্চিত গ্রামবাসী।

স্থানীয় লোকজন জানান,সরকারি জমি না থাকার পরেও অপরিকল্পিতভাবে কুড়ার পার নদীর উপর রাস্তা ছাড়াই তৈরি করা হয় সেতুটি এ কারণে সেতুটির থেকে শতভাগ সুফল পাচ্ছে না এলাকাবাসী।

সেতুটির দুপাশে এলাকার বসবাসকারী সহ অনেক লোকের চলাফেরা রয়েছে। তবে গ্রামে কেউ অসুস্থ হলে রোগীকে ধরাধরি করে সেতু পাড় করে অটো কিংবা রিকশা ভ্যান যোগে হাসপাতালে নিতে হয়। বর্ষায় পানি ও কাদা মাখা পথ দিয়ে হেঁটে চলাচল করেন এলাকাবাসী। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল নিয়ে সেতু পাড় করতে পড়েন বিড়ম্বনায় ।সেতু নির্মাণে গ্রামবাসী খুশি হলেও সেতুতে উঠার জন্য দুই পাশের সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় এটি গলার কাটায় পরিনত হয়েছে। কৃষকদের কাছ থেকে জমি অধিগ্রহণ করে সেতুর দুই পাশে দ্রুত সড়ক নির্মাণের দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে, লালমনিরহাট এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী কাওছার আলম, বলেন সেতুতে উঠার জন্য উভয় পাশের রাস্তা সরু ও কাঁচা হওয়ায় যানবাহন পাড়াপাড় করতে পারছে না সুফলভোগীরা। সেতুর এপ্রোচ সড়কের কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। বাজেট এলে দ্রুতই কাজ শুরু হবে ।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

লালমনিরহাটে Bangla QR প্রচলনে ডিজিটাল পেমেন্ট সম্প্রসারণ ক্যাম্পেইন

কোটি টাকার সেতু নির্মাণ হলেও নির্মাণ হয়নি এপ্রোচ সড়ক, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

আপডেট টাইম : ১১:০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫

নিজস্ব সংবাদদাতা

লালমনিরহাট সদর উপজেলার হারাটি ইউনিয়নের হিরামারানিক এলাকার কুড়ারপারে দুই পাশে বসতবাড়ির মাঝখানে দেড় কোটি টাকা মূল্যের সেতু নির্মাণ হলেও নির্মাণ হয়নি সেতুর এপ্রোচ সড়ক। প্রায় এক যুগ ধরে সেতুর সুফল পাচ্ছে না গ্রামবাসী এবং পথচারীরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,লালমনিরহাট সদর উপজেলার হারাটি ইউনিয়নের হিরামানিক এলাকার কুড়ারপাড় বিলের উপর ২০১৪ সালে প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যায়ে ৩৩মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), লালমনিরহাট। সেতুটির উভয় পাশে রয়েছে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি। রয়েছে বাড়ি ঘর। আর বাড়ি ঘরের পাশ দিয়ে আছে আগে থেকেই হাটা চলার গ্রামবাসীর মালিকানাধীন সরু একমাত্র রাস্তা । তবে ওই রাস্তা দিয়ে শুধু পায়ে হেঁটে সেতু পাড় হতে পারলেও কোনো যানবাহন এমনকি মোটরসাইকেল, রিকশা ভ্যানও পাড় হতে পারে না। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে গ্রামবাসী। ফলে সেতুটি তাদের জন্য তেমন সুফল বয়ে আনছে না। ১১ বছর ধরে সেতুর সুফল থেকে বঞ্চিত গ্রামবাসী।

স্থানীয় লোকজন জানান,সরকারি জমি না থাকার পরেও অপরিকল্পিতভাবে কুড়ার পার নদীর উপর রাস্তা ছাড়াই তৈরি করা হয় সেতুটি এ কারণে সেতুটির থেকে শতভাগ সুফল পাচ্ছে না এলাকাবাসী।

সেতুটির দুপাশে এলাকার বসবাসকারী সহ অনেক লোকের চলাফেরা রয়েছে। তবে গ্রামে কেউ অসুস্থ হলে রোগীকে ধরাধরি করে সেতু পাড় করে অটো কিংবা রিকশা ভ্যান যোগে হাসপাতালে নিতে হয়। বর্ষায় পানি ও কাদা মাখা পথ দিয়ে হেঁটে চলাচল করেন এলাকাবাসী। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল নিয়ে সেতু পাড় করতে পড়েন বিড়ম্বনায় ।সেতু নির্মাণে গ্রামবাসী খুশি হলেও সেতুতে উঠার জন্য দুই পাশের সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় এটি গলার কাটায় পরিনত হয়েছে। কৃষকদের কাছ থেকে জমি অধিগ্রহণ করে সেতুর দুই পাশে দ্রুত সড়ক নির্মাণের দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে, লালমনিরহাট এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী কাওছার আলম, বলেন সেতুতে উঠার জন্য উভয় পাশের রাস্তা সরু ও কাঁচা হওয়ায় যানবাহন পাড়াপাড় করতে পারছে না সুফলভোগীরা। সেতুর এপ্রোচ সড়কের কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। বাজেট এলে দ্রুতই কাজ শুরু হবে ।