অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

তারেক রহমানের কাছে দেশ নিরাপদ থাকবে, অন্যরা দেশকে জাহান্নাম বানাবে : আব্দুস সালাম

আজ ৩০ জানুয়ারি বনানী ডিওএইচএস এলাকায় ঢাকা ১৭ এর এক নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা ১৭ এর প্রধান সমন্বয়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুগ্ম সমন্বয়ক ফরহাদ হালিম ডোনার।

সভায় আব্দুস সালাম বলেন এ দেশ তারেক রহমানের কাছে নিরাপদ। অন্য কারো কাছে নয়। অন্যরা দেশকে জাহান্নাম বানাবে। তারেক রহমানকে ভোট দিলে দেশ দুর্নীতি মুক্ত হবে, চাঁদাবাজি বন্ধ হবে এবং চুরি-ডাকাতিও বন্ধ হয়ে যাবে।
বিগত সরকারের সময় চাঁদাবাজি একটা মহামারীতে পরিণত হয়েছিল। শেখ মুজিবের সময়ও ভয়ানক দুর্নীতি ছিল। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে সে দুর্নীতি বন্ধ করেন। একইভাবে দুর্নীতি হয় স্বৈরশাসক এরশাদের সময়ও। বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে সেই দুর্নীতি বন্ধ করেন। বিগত ১৭ বছর ধরে শুধু দুর্নীতি নয়, চুরি ডাকাতি ছিনতাই থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের সকল ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যায়। সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশ, দেশের অর্থনীতি এবং নির্বাচন ব্যবস্থাকে উদ্ধার করতে হলে তারেক রহমানকে ভোট দিতে হবে।
জিয়াউর রহমান বলেছিলেন মানি ইজ নো প্রবলেম। তারেক রহমানও একইভাবে বলছেন টাকার জন্য কোন কাজ আটকে থাকবে না। দেশে দুর্নীতি বন্ধ হলেই দেশের অর্থব্যবস্থা দাঁড়িয়ে যাবে। তারেক রহমান সবকিছুর উপর গুরুত্ব দিচ্ছেন দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি বন্ধ করার প্রতি।
তিনি বলেন নির্বাচন চায় দেশের মানুষ নির্বাচন চায়। কারণ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র ফিরে আসবে। তারা ভোট দিতে চায়। গত 15 বছর আওয়ামী লীগ এবং তার দোসররা নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করে তাদের পছন্দের লোকদের দিয়ে সরকার চালায়। সে অবস্থা আর চলতে পারে না। অথচ কতিপয় গোষ্ঠী ভোট বানচালের চেষ্টা করছে। তারা দেশটাকে আগের মত অস্থিতিশীল অবস্থায় নিয়ে যেতে চায়। অথচ আপনারা জানেন ভোট বানচালের চেষ্টা কেউ মানবে না। সাংবাদিকরা মানবে না, কৃষকরা মানবে না, শিক্ষকরা মানবে না, মহিলারা মানবে না।
তারেক রহমান ক্ষমতায় এলে যারা দুর্নীতি বা চাঁদাবাজি করবে তাদের হয়তো ভালো হয়ে যেতে হবে নতুবা তাদের স্থান হবে জেলখানায়। তাদের উচিত তারেক রহমান ক্ষমতায় আসার আগেই দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া।

তিনি স্বাধীনতা বিরোধীদের উদ্দেশ্যে বলেন, চিহ্নিত গোষ্ঠী গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। তাদের আস্থা একনায়কতন্ত্রে। তারা দেশে গোলমাল সৃষ্টি করতে চায়। মানুষের পায়ে পাড়া দিয়ে ঝগড়া করতে চায়।
তিনি উপস্থিত বিএনপি নেতাকর্মী ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যদের উদ্দেশে বলেন আপনারা তাদের মতলব সফল হতে দিবেন না। তাহলে দেশের অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে। বরং আপনারা সকাল-সকাল নির্বাচন কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিবেন এবং একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করতে অন্যদের সহযোগিতা করবেন।
তিনি প্রাক্তন সেনা সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন সেনাবাহিনী কখনো রাজাকারদের ভোট দিতে পারে না। কারণ সেনাবাহিনী সৃষ্টি হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে। সে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে সৃষ্টি হওয়া সেনাবাহিনী কিভাবে স্বাধীনতা বিরোধীদের সমর্থন দিতে পারে।
তিনি বলেন, আপনারা কি দেশকে আফগানিস্তান বানাতে চান? যদি না চান তাহলে তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করুন। তার জন্য ধানের শীষে ভোট দেয়ার বিকল্প নেই।
দেশের মানুষ নেতা চায়। জিয়াউর রহমান যেমন নেতা ছিলেন, তেমনি খালেদা জিয়াও নেতা ছিলেন। তারেক রহমান সেরকম একজন নেতা। জাতির চরম দুর্দিনে তার নেতৃত্বের বিকল্প নেই। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিন আপনারা দেখেছেন কোটি জনতার সেই মহাসমাবেশ। সে সমাবেশে জানান দেয় এদেশে মানুষ তারেক রহমানকেই নেতা হিসেবে চায়।
তিনি বলেন চিহ্নিত গোষ্ঠী বলেছে তারা মহিলাদের কর্মঘন্টা কমিয়ে দিবে। যদি তাই হয় তাহলে মালিকপক্ষ মহিলাদের নিয়োগ বন্ধ করে দিবে। তাতে মহিলারা কর্মহীন হয়ে ঘরে আবদ্ধ হয়ে পড়বে। তাদের মতলব ভালো না। তারা দেশকে কোথায় নিয়ে যাবে তারাই সেটা ভালো জানে।
আব্দুস সালাম বলেন আমাদের এখনো শুনতে হয় নির্বাচন হবে কিনা। কারা এসব কথা বলে? যারা নির্বাচন বানচাল করতে চায়। দেশে বিনিয়োগ হচ্ছে না, আইন শৃঙ্খলা ঠিক নেই। দুর্নীতি চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি। এসব কমাতে হলে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন প্রয়োজন। নির্বাচিত সরকারই পারে দেশকে এসব থেকে মুক্ত করতে।
যুগ্ম সমন্বয়ক ফরহাদ হালিম ডোনার বলেন একসময় আওয়ামী নেত্রী ভোটের আগে হিজাব পরে নির্বাচিত হওয়ার পর দেশ থেকে ইসলাম বিদায় করার প্রচেষ্টা চালিয়ে ছিলেন। ঠিক তেমনি আরেকটি গোষ্ঠী ধর্মের নামে মানুষকে ধোকা দেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষ তাদের এই ধোকায় পা দিবে না।
তিনি আরো বলেন রাষ্ট্রপতি জিয়া এদেশে উন্নয়ন অর্থনীতির ধারার স্রষ্টা। তার উদ্যোগেই দেশের কৃষিতে স্বয়ম্ভরতা আসে। জনশক্তি রপ্তানি ও গার্মেন্ট শিল্পে বিপ্লব সাধিত হয়। সেই উন্নয়নের ধারা বেগম খালেদা জিয়া বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যান। বর্তমান বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তা-ই করবেন।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মেজর মিজানুর রহমান, কৃষিবিদ শামীম, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট হারুনুর রশিদ, স্কোয়াড্রন লিডার জাহিদুর রহমান, উইং কমান্ডার মোস্তফা শহীদ, মেজর জামাল হায়দার, মেজর মুত্তাকিম হোসেন, এয়ার ক্রোমোডর মনিরুজ্জামান প্রমুখ।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

তারেক রহমানের কাছে দেশ নিরাপদ থাকবে, অন্যরা দেশকে জাহান্নাম বানাবে : আব্দুস সালাম

আপডেট টাইম : ০৫:৩৭:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

আজ ৩০ জানুয়ারি বনানী ডিওএইচএস এলাকায় ঢাকা ১৭ এর এক নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা ১৭ এর প্রধান সমন্বয়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুগ্ম সমন্বয়ক ফরহাদ হালিম ডোনার।

সভায় আব্দুস সালাম বলেন এ দেশ তারেক রহমানের কাছে নিরাপদ। অন্য কারো কাছে নয়। অন্যরা দেশকে জাহান্নাম বানাবে। তারেক রহমানকে ভোট দিলে দেশ দুর্নীতি মুক্ত হবে, চাঁদাবাজি বন্ধ হবে এবং চুরি-ডাকাতিও বন্ধ হয়ে যাবে।
বিগত সরকারের সময় চাঁদাবাজি একটা মহামারীতে পরিণত হয়েছিল। শেখ মুজিবের সময়ও ভয়ানক দুর্নীতি ছিল। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে সে দুর্নীতি বন্ধ করেন। একইভাবে দুর্নীতি হয় স্বৈরশাসক এরশাদের সময়ও। বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে সেই দুর্নীতি বন্ধ করেন। বিগত ১৭ বছর ধরে শুধু দুর্নীতি নয়, চুরি ডাকাতি ছিনতাই থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের সকল ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যায়। সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশ, দেশের অর্থনীতি এবং নির্বাচন ব্যবস্থাকে উদ্ধার করতে হলে তারেক রহমানকে ভোট দিতে হবে।
জিয়াউর রহমান বলেছিলেন মানি ইজ নো প্রবলেম। তারেক রহমানও একইভাবে বলছেন টাকার জন্য কোন কাজ আটকে থাকবে না। দেশে দুর্নীতি বন্ধ হলেই দেশের অর্থব্যবস্থা দাঁড়িয়ে যাবে। তারেক রহমান সবকিছুর উপর গুরুত্ব দিচ্ছেন দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি বন্ধ করার প্রতি।
তিনি বলেন নির্বাচন চায় দেশের মানুষ নির্বাচন চায়। কারণ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র ফিরে আসবে। তারা ভোট দিতে চায়। গত 15 বছর আওয়ামী লীগ এবং তার দোসররা নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করে তাদের পছন্দের লোকদের দিয়ে সরকার চালায়। সে অবস্থা আর চলতে পারে না। অথচ কতিপয় গোষ্ঠী ভোট বানচালের চেষ্টা করছে। তারা দেশটাকে আগের মত অস্থিতিশীল অবস্থায় নিয়ে যেতে চায়। অথচ আপনারা জানেন ভোট বানচালের চেষ্টা কেউ মানবে না। সাংবাদিকরা মানবে না, কৃষকরা মানবে না, শিক্ষকরা মানবে না, মহিলারা মানবে না।
তারেক রহমান ক্ষমতায় এলে যারা দুর্নীতি বা চাঁদাবাজি করবে তাদের হয়তো ভালো হয়ে যেতে হবে নতুবা তাদের স্থান হবে জেলখানায়। তাদের উচিত তারেক রহমান ক্ষমতায় আসার আগেই দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া।

তিনি স্বাধীনতা বিরোধীদের উদ্দেশ্যে বলেন, চিহ্নিত গোষ্ঠী গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। তাদের আস্থা একনায়কতন্ত্রে। তারা দেশে গোলমাল সৃষ্টি করতে চায়। মানুষের পায়ে পাড়া দিয়ে ঝগড়া করতে চায়।
তিনি উপস্থিত বিএনপি নেতাকর্মী ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যদের উদ্দেশে বলেন আপনারা তাদের মতলব সফল হতে দিবেন না। তাহলে দেশের অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে। বরং আপনারা সকাল-সকাল নির্বাচন কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিবেন এবং একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করতে অন্যদের সহযোগিতা করবেন।
তিনি প্রাক্তন সেনা সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন সেনাবাহিনী কখনো রাজাকারদের ভোট দিতে পারে না। কারণ সেনাবাহিনী সৃষ্টি হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে। সে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে সৃষ্টি হওয়া সেনাবাহিনী কিভাবে স্বাধীনতা বিরোধীদের সমর্থন দিতে পারে।
তিনি বলেন, আপনারা কি দেশকে আফগানিস্তান বানাতে চান? যদি না চান তাহলে তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করুন। তার জন্য ধানের শীষে ভোট দেয়ার বিকল্প নেই।
দেশের মানুষ নেতা চায়। জিয়াউর রহমান যেমন নেতা ছিলেন, তেমনি খালেদা জিয়াও নেতা ছিলেন। তারেক রহমান সেরকম একজন নেতা। জাতির চরম দুর্দিনে তার নেতৃত্বের বিকল্প নেই। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিন আপনারা দেখেছেন কোটি জনতার সেই মহাসমাবেশ। সে সমাবেশে জানান দেয় এদেশে মানুষ তারেক রহমানকেই নেতা হিসেবে চায়।
তিনি বলেন চিহ্নিত গোষ্ঠী বলেছে তারা মহিলাদের কর্মঘন্টা কমিয়ে দিবে। যদি তাই হয় তাহলে মালিকপক্ষ মহিলাদের নিয়োগ বন্ধ করে দিবে। তাতে মহিলারা কর্মহীন হয়ে ঘরে আবদ্ধ হয়ে পড়বে। তাদের মতলব ভালো না। তারা দেশকে কোথায় নিয়ে যাবে তারাই সেটা ভালো জানে।
আব্দুস সালাম বলেন আমাদের এখনো শুনতে হয় নির্বাচন হবে কিনা। কারা এসব কথা বলে? যারা নির্বাচন বানচাল করতে চায়। দেশে বিনিয়োগ হচ্ছে না, আইন শৃঙ্খলা ঠিক নেই। দুর্নীতি চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি। এসব কমাতে হলে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন প্রয়োজন। নির্বাচিত সরকারই পারে দেশকে এসব থেকে মুক্ত করতে।
যুগ্ম সমন্বয়ক ফরহাদ হালিম ডোনার বলেন একসময় আওয়ামী নেত্রী ভোটের আগে হিজাব পরে নির্বাচিত হওয়ার পর দেশ থেকে ইসলাম বিদায় করার প্রচেষ্টা চালিয়ে ছিলেন। ঠিক তেমনি আরেকটি গোষ্ঠী ধর্মের নামে মানুষকে ধোকা দেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষ তাদের এই ধোকায় পা দিবে না।
তিনি আরো বলেন রাষ্ট্রপতি জিয়া এদেশে উন্নয়ন অর্থনীতির ধারার স্রষ্টা। তার উদ্যোগেই দেশের কৃষিতে স্বয়ম্ভরতা আসে। জনশক্তি রপ্তানি ও গার্মেন্ট শিল্পে বিপ্লব সাধিত হয়। সেই উন্নয়নের ধারা বেগম খালেদা জিয়া বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যান। বর্তমান বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তা-ই করবেন।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মেজর মিজানুর রহমান, কৃষিবিদ শামীম, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট হারুনুর রশিদ, স্কোয়াড্রন লিডার জাহিদুর রহমান, উইং কমান্ডার মোস্তফা শহীদ, মেজর জামাল হায়দার, মেজর মুত্তাকিম হোসেন, এয়ার ক্রোমোডর মনিরুজ্জামান প্রমুখ।