অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

প্রতি জেলায় হবে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স

ঢাকা: মুক্তিযোদ্ধাদের পুনর্বাসনের জন্য সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের প্রতিটি জেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে।

শুক্রবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ৫৯ জন খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের মাঝে উপহার সামগ্রী তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তাদের খোঁজখবর নেন তিনি।

এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের রক্ষার জন্য ও বিভিন্ন কল্যাণমূলক কাজে ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন আমাদের সশস্ত্র বাহিনী। আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে যথেষ্ট অবদান রেখে যাচ্ছেন। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা যখন সরকার গঠন করেছি তখন থেকেই আমাদের সশস্ত্র বাহিনীকে আরো চৌকস, আরো শক্তিশালী করে গড়ে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছি।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রতিটি জেলা-উপজেলা ও ইউনিয়নে আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা যারা দুস্থ অবস্থায় আছেন প্রত্যেকের থাকার জন্য বাসস্থান ও জীবন-জীবিকার ব্যবস্থা আমরা ইনশাআল্লাহ করে দেব। আমরা ৬৪টি জেলায়, ৬৪টি কমপ্লেক্স নির্মাণ করব। ইতিমধ্যে অনেকগুলোর কাজ শেষ হয়েছে। পাশাপাশি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও এলাকা ভিত্তিক মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্নগুলো সংরক্ষণে আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি।”

মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতির অগ্রযাত্রা ও বিজয়ের স্মারক হিসেবে প্রতিবছর ২১ নভেম্বর ‘সশস্ত্রবাহিনী দিবস’ পালন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী গৌরবময় ঐতিহাসিক এই দিনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদের এবং সশস্ত্র বাহিনীর সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। শেখ হাসিনা ‘সশস্ত্রবাহিনী দিবস-২০১৪’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করেন।

এদিকে যথাযথ মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপিত হচ্ছে। দেশের সব সেনানিবাস, নৌঘাঁটি ও স্থাপনা এবং বিমান বাহিনীর মসজিদগুলোয় ফজরের নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু করা হয়। এতে সশস্ত্র বাহিনীর উত্তরোত্তর উন্নতি এবং দেশের কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ ও বিএনপি চেয়ারাপরসন খালেদা জিয়া পৃথক বাণী দিয়েছেন।

১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সকাল ৮টায় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়া, নৌবাহিনী প্রধান ভাইস এডমিরাল এম ফরিদ হাবিব ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল মোহাম্মদ ইনামুল বারীও নিজ নিজ বাহিনীর পক্ষ থেকে শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। দিবসটি উপলক্ষে আজ ঢাকা সেনানিবাসে যান চলাচল সীমিত থাকবে।

দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা ছাড়াও সাভার, বগুড়া, ঘাটাইল, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিলেট, যশোর, রংপুর, খুলনা এবং রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসেও একই ধরনের সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

প্রতি জেলায় হবে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স

আপডেট টাইম : ০৬:০০:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০১৪

ঢাকা: মুক্তিযোদ্ধাদের পুনর্বাসনের জন্য সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের প্রতিটি জেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে।

শুক্রবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ৫৯ জন খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের মাঝে উপহার সামগ্রী তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তাদের খোঁজখবর নেন তিনি।

এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের রক্ষার জন্য ও বিভিন্ন কল্যাণমূলক কাজে ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন আমাদের সশস্ত্র বাহিনী। আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে যথেষ্ট অবদান রেখে যাচ্ছেন। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা যখন সরকার গঠন করেছি তখন থেকেই আমাদের সশস্ত্র বাহিনীকে আরো চৌকস, আরো শক্তিশালী করে গড়ে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছি।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রতিটি জেলা-উপজেলা ও ইউনিয়নে আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা যারা দুস্থ অবস্থায় আছেন প্রত্যেকের থাকার জন্য বাসস্থান ও জীবন-জীবিকার ব্যবস্থা আমরা ইনশাআল্লাহ করে দেব। আমরা ৬৪টি জেলায়, ৬৪টি কমপ্লেক্স নির্মাণ করব। ইতিমধ্যে অনেকগুলোর কাজ শেষ হয়েছে। পাশাপাশি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও এলাকা ভিত্তিক মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্নগুলো সংরক্ষণে আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি।”

মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতির অগ্রযাত্রা ও বিজয়ের স্মারক হিসেবে প্রতিবছর ২১ নভেম্বর ‘সশস্ত্রবাহিনী দিবস’ পালন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী গৌরবময় ঐতিহাসিক এই দিনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদের এবং সশস্ত্র বাহিনীর সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। শেখ হাসিনা ‘সশস্ত্রবাহিনী দিবস-২০১৪’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করেন।

এদিকে যথাযথ মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপিত হচ্ছে। দেশের সব সেনানিবাস, নৌঘাঁটি ও স্থাপনা এবং বিমান বাহিনীর মসজিদগুলোয় ফজরের নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু করা হয়। এতে সশস্ত্র বাহিনীর উত্তরোত্তর উন্নতি এবং দেশের কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ ও বিএনপি চেয়ারাপরসন খালেদা জিয়া পৃথক বাণী দিয়েছেন।

১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সকাল ৮টায় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়া, নৌবাহিনী প্রধান ভাইস এডমিরাল এম ফরিদ হাবিব ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল মোহাম্মদ ইনামুল বারীও নিজ নিজ বাহিনীর পক্ষ থেকে শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। দিবসটি উপলক্ষে আজ ঢাকা সেনানিবাসে যান চলাচল সীমিত থাকবে।

দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা ছাড়াও সাভার, বগুড়া, ঘাটাইল, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিলেট, যশোর, রংপুর, খুলনা এবং রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসেও একই ধরনের সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে।