অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

‘দু’একদিনের মধ্যেই বিদুৎ বিপর্যয়ের কারণ জানা যাবে’

ঢাকা : বিদ্যুৎ ও জালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানিয়েছেন, আজকে তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাবো। প্রতিবেদন দেখার পরই দু’একদিনের মধ্যে দেশে বিদুৎ বিপর্যয়ের (ব্লাক আউট) কারণ জানাবেন। তবে কারণ জানার চেয়ে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের আর কোনো সমস্যায় পড়তে না হয় তার ওপরই বেশি গুরুত্ব দেবে সরকার।

বুধবার বিদ্যুৎ ভবনে ‘দ্যা প্রজেক্ট ফর ডেভেলপমেন্ট অব এনার্জি ইফিসিয়েন্সি মাস্টার প্লান’ শীর্ষক অন্তর্বর্তীকালীন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী জানান, তদন্ত প্রতিবেদন এসেছে তবে তিনি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে হাতে পাননি। আজ (বুধবার) প্রতিবেদন হাতে পেলে সেটি ভালোভাবে দেখে সবার সঙ্গে আলোচনায় বসবেন। সেখানে প্রতিবেদন নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও জবাব দেবেন মন্ত্রী।

গত ১ নভেম্বর দেশে বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটে। এদিন সারাদেশে ‘ব্লাক আউট’ অবস্থার সৃষ্টি হয়।

তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে বিষয় প্রকাশ হওয়ায় মন্ত্রী বলেন, এখন সাংবাদিকরা খুব এ্যাকটিভ (দক্ষ)। তারা কোনো না কোনোভাবে প্রতিবেদনের তথ্য জেনেই সংবাদ লিখেছেন। এজন্য সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী।

মন্ত্রী জানান, দেশে এখন বিদ্যুৎ চাহিদা কম আছে। এজন্য সব গ্রিডলাইনে অল্প করে বিদ্যুৎ নেয়া হচ্ছে। গ্রিড লাইনগুলোর উন্নত করার জন্য আধুনিকীরণ ও ডিজিটালাইজ করবে সরকার।

এর আগে সেমিনারে মন্ত্রী বলেন, সাশ্রয়ী বিদুৎ ব্যবহারের দিকে আমাদেরকে যেতে। এজন্য জাইকার সহযোগিতায় মাস্টার প্লান তৈরি চলছে। এর সুফল পাবে দেশের মানুষ।

নসরুল হামিদ বলেন, ২০২১ সাল নাগাদ মানুষের বিদ্যুতের প্রয়োজনীয়তা দ্রুত বাড়বে। এই জন্য সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ দিতে সরকার মাস্টার প্লান হাতে নিয়েছে।

নসরুল হামিদ বলেন, অনেক জায়গায় মানুষ সোলার প্যানেল ব্যবহার করছে কিন্তু তা মানুষের তেমন কাজে আসছে না। সোলার প্যানেল দিয়ে শুধু ৩ টি লাইট ব্যবহার করতে পারছে। এছাড়া এর ব্যাটারিও দীর্ঘস্থায়ী নয়। সাড়ে তিন মিলিয়ন ব্যাটারি ইতোমধ্যে নষ্ট হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, এই জন্য জনগণকে সচেতন করতে হবে। বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতন করতে হবে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এবং শরীরের জন্য উপকার এমন বাল্ব ব্যবহারে আগ্রহ গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরো বলেন, গ্রামে ৭০ শতাংশ মহিলা চুলার ধোয়ায় আক্রান্ত হয়। এই মাস্টার প্লান বাস্তবায়ন হলে ইলেকট্রিক কুকারে রান্না করতে পারবে। ফলে শ্বাস জনিত রোগ থেকে রক্ষা পাবে। বিশেষ করে চর এলাকায় যেখানে এখনো বিদ্যুৎ পৌঁছায় নি সেখানেও বিদ্যুৎ পৌঁছে যাবে।

সেমিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন, জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সচিব মনোয়ার ইসলাম, জাইকার নির্বাহী টেকনিক্যাল উপদেষ্টা নাকাজোনো মাসাশিসহ মাস্টার প্লানের প্রতিনিধিরা।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

‘দু’একদিনের মধ্যেই বিদুৎ বিপর্যয়ের কারণ জানা যাবে’

আপডেট টাইম : ০১:২০:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০১৪

ঢাকা : বিদ্যুৎ ও জালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানিয়েছেন, আজকে তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাবো। প্রতিবেদন দেখার পরই দু’একদিনের মধ্যে দেশে বিদুৎ বিপর্যয়ের (ব্লাক আউট) কারণ জানাবেন। তবে কারণ জানার চেয়ে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের আর কোনো সমস্যায় পড়তে না হয় তার ওপরই বেশি গুরুত্ব দেবে সরকার।

বুধবার বিদ্যুৎ ভবনে ‘দ্যা প্রজেক্ট ফর ডেভেলপমেন্ট অব এনার্জি ইফিসিয়েন্সি মাস্টার প্লান’ শীর্ষক অন্তর্বর্তীকালীন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী জানান, তদন্ত প্রতিবেদন এসেছে তবে তিনি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে হাতে পাননি। আজ (বুধবার) প্রতিবেদন হাতে পেলে সেটি ভালোভাবে দেখে সবার সঙ্গে আলোচনায় বসবেন। সেখানে প্রতিবেদন নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও জবাব দেবেন মন্ত্রী।

গত ১ নভেম্বর দেশে বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটে। এদিন সারাদেশে ‘ব্লাক আউট’ অবস্থার সৃষ্টি হয়।

তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে বিষয় প্রকাশ হওয়ায় মন্ত্রী বলেন, এখন সাংবাদিকরা খুব এ্যাকটিভ (দক্ষ)। তারা কোনো না কোনোভাবে প্রতিবেদনের তথ্য জেনেই সংবাদ লিখেছেন। এজন্য সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী।

মন্ত্রী জানান, দেশে এখন বিদ্যুৎ চাহিদা কম আছে। এজন্য সব গ্রিডলাইনে অল্প করে বিদ্যুৎ নেয়া হচ্ছে। গ্রিড লাইনগুলোর উন্নত করার জন্য আধুনিকীরণ ও ডিজিটালাইজ করবে সরকার।

এর আগে সেমিনারে মন্ত্রী বলেন, সাশ্রয়ী বিদুৎ ব্যবহারের দিকে আমাদেরকে যেতে। এজন্য জাইকার সহযোগিতায় মাস্টার প্লান তৈরি চলছে। এর সুফল পাবে দেশের মানুষ।

নসরুল হামিদ বলেন, ২০২১ সাল নাগাদ মানুষের বিদ্যুতের প্রয়োজনীয়তা দ্রুত বাড়বে। এই জন্য সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ দিতে সরকার মাস্টার প্লান হাতে নিয়েছে।

নসরুল হামিদ বলেন, অনেক জায়গায় মানুষ সোলার প্যানেল ব্যবহার করছে কিন্তু তা মানুষের তেমন কাজে আসছে না। সোলার প্যানেল দিয়ে শুধু ৩ টি লাইট ব্যবহার করতে পারছে। এছাড়া এর ব্যাটারিও দীর্ঘস্থায়ী নয়। সাড়ে তিন মিলিয়ন ব্যাটারি ইতোমধ্যে নষ্ট হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, এই জন্য জনগণকে সচেতন করতে হবে। বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতন করতে হবে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এবং শরীরের জন্য উপকার এমন বাল্ব ব্যবহারে আগ্রহ গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরো বলেন, গ্রামে ৭০ শতাংশ মহিলা চুলার ধোয়ায় আক্রান্ত হয়। এই মাস্টার প্লান বাস্তবায়ন হলে ইলেকট্রিক কুকারে রান্না করতে পারবে। ফলে শ্বাস জনিত রোগ থেকে রক্ষা পাবে। বিশেষ করে চর এলাকায় যেখানে এখনো বিদ্যুৎ পৌঁছায় নি সেখানেও বিদ্যুৎ পৌঁছে যাবে।

সেমিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন, জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সচিব মনোয়ার ইসলাম, জাইকার নির্বাহী টেকনিক্যাল উপদেষ্টা নাকাজোনো মাসাশিসহ মাস্টার প্লানের প্রতিনিধিরা।