পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী Logo ঢাকায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস

লক্ষ্মীপুরে পুলিশের সঙ্গে সন্ত্রাসী কফিল বাহিনীর গোলাগুলি লক্ষ্মীপুরে পুলিশের সঙ্গে সন্ত্রাসী কফিল বাহিনীর গোলাগুলি

বাংলার খবর২৪.কম139729268414_47628 লক্ষ্মীপুর : লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার পূর্ব মান্দারীর ভাই ভাই ইটভাটা এলাকায় ডিবি পুলিশ ও সন্ত্রাসী কফিল বাহিনীর সঙ্গে ঘন্টাব্যাপী গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

এতে ডিবির কনস্টেবল আবু সুফিয়ান, মাইন উদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান, তুহিন, নাজমুল হুদা ও আবুল হোসেনসহ ছয়জন পুলিশ ও কফিল বাহিনীর দুই সদস্যসহ মোট আটজন আহত হয়েছেন। আহত অবস্থায় বাহিনীর প্রধান কফিল উদ্দিন ও তার সহযোগী সুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এসময় তাদের কাছ থেকে একটি পিস্তল ও তিন রাউন্ডগুলি উদ্ধার করা হয়। আহতদের লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। গ্রেফতারকৃত কফিল উদ্দিন সদর উপজেলার পূর্ব মান্দারী গ্রামের সিরাজ মিয়া ও সুজন একই এলাকার নুর নবীর ছেলে।

ডিবি পুলিশ জানায়, পুলিশের তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসী কফিল বাহিনীর প্রধান কফিলসহ তার সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে সদর উপজেলার পূর্ব মান্দারীর একটি ইটভাটায় বসে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ খবর পেয়ে ডিবি পুলিশ সন্ত্রাসীদের ধরতে ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।

এসময় পুলিশও বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এক পর্যায়ে পুলিশ ও কফিল বাহিনীর সন্ত্রাসীদের মধ্যে প্রায় ঘন্টাব্যাপী গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে ডিবির ৬ কনস্টেবল ও দুই সন্ত্রাসী আহত হয়। পরে আহত অবস্থায় বাহিনী প্রধান কফিল উদ্দিন ও তার সহযোগী সুজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে একটি পিস্তল ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

ডিবির ওসি মো. কবির হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, পুলিশের তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসী কফিল বাহিনীর সঙ্গে পুলিশের ঘন্টাব্যাপী বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে।

এসময় বাহিনী প্রধান কফিল ও তার সহযোগী সুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সদর থানায় হত্যা, চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

লক্ষ্মীপুরে পুলিশের সঙ্গে সন্ত্রাসী কফিল বাহিনীর গোলাগুলি লক্ষ্মীপুরে পুলিশের সঙ্গে সন্ত্রাসী কফিল বাহিনীর গোলাগুলি

আপডেট টাইম : ০৯:০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম139729268414_47628 লক্ষ্মীপুর : লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার পূর্ব মান্দারীর ভাই ভাই ইটভাটা এলাকায় ডিবি পুলিশ ও সন্ত্রাসী কফিল বাহিনীর সঙ্গে ঘন্টাব্যাপী গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

এতে ডিবির কনস্টেবল আবু সুফিয়ান, মাইন উদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান, তুহিন, নাজমুল হুদা ও আবুল হোসেনসহ ছয়জন পুলিশ ও কফিল বাহিনীর দুই সদস্যসহ মোট আটজন আহত হয়েছেন। আহত অবস্থায় বাহিনীর প্রধান কফিল উদ্দিন ও তার সহযোগী সুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এসময় তাদের কাছ থেকে একটি পিস্তল ও তিন রাউন্ডগুলি উদ্ধার করা হয়। আহতদের লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। গ্রেফতারকৃত কফিল উদ্দিন সদর উপজেলার পূর্ব মান্দারী গ্রামের সিরাজ মিয়া ও সুজন একই এলাকার নুর নবীর ছেলে।

ডিবি পুলিশ জানায়, পুলিশের তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসী কফিল বাহিনীর প্রধান কফিলসহ তার সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে সদর উপজেলার পূর্ব মান্দারীর একটি ইটভাটায় বসে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ খবর পেয়ে ডিবি পুলিশ সন্ত্রাসীদের ধরতে ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।

এসময় পুলিশও বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এক পর্যায়ে পুলিশ ও কফিল বাহিনীর সন্ত্রাসীদের মধ্যে প্রায় ঘন্টাব্যাপী গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে ডিবির ৬ কনস্টেবল ও দুই সন্ত্রাসী আহত হয়। পরে আহত অবস্থায় বাহিনী প্রধান কফিল উদ্দিন ও তার সহযোগী সুজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে একটি পিস্তল ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

ডিবির ওসি মো. কবির হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, পুলিশের তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসী কফিল বাহিনীর সঙ্গে পুলিশের ঘন্টাব্যাপী বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে।

এসময় বাহিনী প্রধান কফিল ও তার সহযোগী সুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সদর থানায় হত্যা, চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলেও জানান তিনি।