অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

ষষ্ঠ শ্রেণির কেমিস্ট এখন শ্রীঘরে!

ঢাকা : রাজধানীর বংশালের ধুনিয়ায় বাসা বাড়িতেই নকল ধনুষ্টংকারের ইনজেকশন তৈরির কারখানার এক মালিককে কারাদণ্ড দিয়েছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। কারখানার মালিকের নাম আকবর হোসেন ভাষানী (৪০)। তিনি মাত্র ষষ্ঠ শ্রেণি পাস করে ওষুধ নকল করে বাজারজাত করে আসছেন।

সোমবার বিকেলে ৬ নম্বর খিলঘর রোড কসাই টোলি বংশালের বাসায় এই অভিযান চালায় র‌্যাব-১০।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এএইচএম আনোয়ার পাশা তাৎক্ষণিক অভিযুক্ত কারখানার মালিককে কারাদণ্ড দিয়েছেন। এসময় ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের প্রতিনিধি মাহমুব হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

আনোয়ার পাশা জানান, কারখানাটিতে নামী দামী ব্র্যান্ডের নকল এন্টিবায়োটিক হৃদরোগসহ বিভিন্ন ওষুধ তৈরী করত আকবর হোসেন ভাষানী। তাকে হাতেনাতে ধরা হয়েছে। ভাষানী একহাজার টাকা মূল্যের ধনুষ্টংকারের ইনজেকশন বানাত ব্যথা নাশক ইনজেকশন এট্রোপাইন ইচ দিয়ে। এরপর তার উপর ধনুষ্টংকারের লেবেল লাগিয়ে দিত। গ্যাস্ট্র্রিকের ওষুধ এ্যানট্যাক দিয়ে হৃদরোগের ওষুধ স্টাকার বানিয়ে বাজারজাত করে আসছিল।

তিনি আরো জানান, শুধু পানি দিয়ে নাকের ড্রপ বানাচ্ছিল। এছাড়া ব্যথার ওষুধ রোলাক, এন্টিবায়োটিক, এজিথোমাইসিন নাকের ড্রপ বায়নোজলসহ মোট ৬ ধরনের ওষুধ তৈরি করছিল।

ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, ‘অভিযুক্ত ভাষানী গত দুই বছর যাবৎ ঘরে বসেই নিখুঁতভাবে বিভিন্ন ওষুধ নকল করছেন। এসব ওষুধ মির্টফোডের পাইকারি বাজারের মাধ্যমে সারা দেশে বিক্রি করছিল। তার কাছে ওষুধ তৈরীর মোড়ক, লেবেল, ফয়েল বিভিন্ন উপকরণ ও যন্ত্রপাতি পাওয়া যায়। যে ওষুধ গুলো বাজারে বেশি চলে সে গুলোর ফয়েল পরিবর্তন নিয়ে ফয়েলের ভেতর কমদামের অন্য ওষুধ ভরে বাজারে ছাড়ছিল। ফলে এক রোগের চিকিৎসায় অন্য রোগের ওষুধ খেয়ে মানুষ স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে।’

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

ষষ্ঠ শ্রেণির কেমিস্ট এখন শ্রীঘরে!

আপডেট টাইম : ০৫:০৯:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৪

ঢাকা : রাজধানীর বংশালের ধুনিয়ায় বাসা বাড়িতেই নকল ধনুষ্টংকারের ইনজেকশন তৈরির কারখানার এক মালিককে কারাদণ্ড দিয়েছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। কারখানার মালিকের নাম আকবর হোসেন ভাষানী (৪০)। তিনি মাত্র ষষ্ঠ শ্রেণি পাস করে ওষুধ নকল করে বাজারজাত করে আসছেন।

সোমবার বিকেলে ৬ নম্বর খিলঘর রোড কসাই টোলি বংশালের বাসায় এই অভিযান চালায় র‌্যাব-১০।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এএইচএম আনোয়ার পাশা তাৎক্ষণিক অভিযুক্ত কারখানার মালিককে কারাদণ্ড দিয়েছেন। এসময় ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের প্রতিনিধি মাহমুব হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

আনোয়ার পাশা জানান, কারখানাটিতে নামী দামী ব্র্যান্ডের নকল এন্টিবায়োটিক হৃদরোগসহ বিভিন্ন ওষুধ তৈরী করত আকবর হোসেন ভাষানী। তাকে হাতেনাতে ধরা হয়েছে। ভাষানী একহাজার টাকা মূল্যের ধনুষ্টংকারের ইনজেকশন বানাত ব্যথা নাশক ইনজেকশন এট্রোপাইন ইচ দিয়ে। এরপর তার উপর ধনুষ্টংকারের লেবেল লাগিয়ে দিত। গ্যাস্ট্র্রিকের ওষুধ এ্যানট্যাক দিয়ে হৃদরোগের ওষুধ স্টাকার বানিয়ে বাজারজাত করে আসছিল।

তিনি আরো জানান, শুধু পানি দিয়ে নাকের ড্রপ বানাচ্ছিল। এছাড়া ব্যথার ওষুধ রোলাক, এন্টিবায়োটিক, এজিথোমাইসিন নাকের ড্রপ বায়নোজলসহ মোট ৬ ধরনের ওষুধ তৈরি করছিল।

ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, ‘অভিযুক্ত ভাষানী গত দুই বছর যাবৎ ঘরে বসেই নিখুঁতভাবে বিভিন্ন ওষুধ নকল করছেন। এসব ওষুধ মির্টফোডের পাইকারি বাজারের মাধ্যমে সারা দেশে বিক্রি করছিল। তার কাছে ওষুধ তৈরীর মোড়ক, লেবেল, ফয়েল বিভিন্ন উপকরণ ও যন্ত্রপাতি পাওয়া যায়। যে ওষুধ গুলো বাজারে বেশি চলে সে গুলোর ফয়েল পরিবর্তন নিয়ে ফয়েলের ভেতর কমদামের অন্য ওষুধ ভরে বাজারে ছাড়ছিল। ফলে এক রোগের চিকিৎসায় অন্য রোগের ওষুধ খেয়ে মানুষ স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে।’