অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

শিক্ষকের যৌনতার ঝড়ে বিধ্বস্ত ছাত্রী

নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জ বন্দর উপজেলার মুছাপুর ইউপির মালিবাগ কেরামতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বাসায় ধর্ষিত হয় নবম শ্রেনীর এক স্কুল ছাত্রী। গত ৩১ মার্চ বিকেলে এ ধর্ষনের ঘটণা ঘটে। ঘটনার সময় কালো মেঘে ঢেকে গিয়েছিল আকাশ। অন্য ছাত্রীরা আগেভাগেই চলে গিয়েছিল। আটকে গিয়েছিল শুধু নবম শ্রেণীর ওই ছাত্রী। এর মধ্যেই চারদিকে শুরু হয় প্রবল ঝড় বৃষ্টি। ঘন হয়ে আসে অন্ধকার। ওই সুযোগই কাজে লাগান শিক্ষক! প্রবল ঝড় বৃষ্টির শব্দে ঝড় শুরু হয় শিক্ষকের মধ্যেও। ছাত্রীকে জোর করে জড়িয়ে ধরেন। নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় নিরুপায় ছাত্রী। এরপরে যৌন দানবের মতো ঝাঁপিয়ে পড়েন ছাত্রীর ওপর। একদিকে বজ্রবিদ্যুৎ আর বাতাসের তাণ্ডব, অন্যদিকে একই কায়দায় ছাত্রীর ওপর চলে শিক্ষকের যৌন অভিযান! রক্তাক্ত বিধ্বস্ত ছাত্রী নিস্তেজ হয়ে পড়ে। শিক্ষকের ঝড় থেমে গেলে রক্তাক্ত-বিধ্বস্ত ছাত্রীকে ফেলে উধাও হয়ে যান শ্রদ্ধেয় সেই শিক্ষক! খবর পেয়ে ছাত্রীর মা এসে মেয়েকে ভর্তি করায় ঢাকার মাতুয়াইলে মা ও শিশু ইনস্টিটিউটে।

ছাত্রীর স্বজনরা জানায়, কেরামতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক জহিরুল হকের কাছে প্রাইভেট পড়তো তার মেয়েসহ কয়েকজন। মঙ্গলবার বিকেলে শিক্ষকের বাসায় পড়তে যায় তার মেয়ে। এর মধ্যে ঝড় বৃষ্টি শুরু হয়। এ সুযোগে শিক্ষক ওই ছাত্রীকে একা পেয়ে ধর্ষণ করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে যায়।

ধর্ষক ও লম্পট শিক্ষক জহিরুল হক সোনারগাঁও উপজেলার মোগরাপাড়া ইউপির কাজিরগাঁও গ্রামের মোস্তফা মিয়ার ছেলে। তিনি বন্দর উপজেলা মুছাপুর ইউপির মালিবাগ কেরামতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অস্থায়ী শিক্ষক।

৩১ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত ঘটনাটি ধামাচাপা দিয়ে রাখে স্থানীয় প্রভাবশালী লোকজন। তবে শনিবার সকালে জানাজানি হয় ধর্ষণের এ ঘটনা। এঘটনায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে অভিভাবকদের মধ্যে। শিক্ষকের শাস্তি দাবি করেছেন তারা।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মালিবাগ কেরামতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির দাতা সদস্য বজলুর রহমান বলেন, স্কুলের বাইরে ঘটনা ঘটেছে। এজন্য স্কুলের পক্ষে উদ্যোগ নেয়া হয়নি। তবে ওই শিক্ষককে বরখাস্ত করা হবে।

বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, ধর্ষণের ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Tag :

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

শিক্ষকের যৌনতার ঝড়ে বিধ্বস্ত ছাত্রী

আপডেট টাইম : ০৩:১৬:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০১৫

নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জ বন্দর উপজেলার মুছাপুর ইউপির মালিবাগ কেরামতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বাসায় ধর্ষিত হয় নবম শ্রেনীর এক স্কুল ছাত্রী। গত ৩১ মার্চ বিকেলে এ ধর্ষনের ঘটণা ঘটে। ঘটনার সময় কালো মেঘে ঢেকে গিয়েছিল আকাশ। অন্য ছাত্রীরা আগেভাগেই চলে গিয়েছিল। আটকে গিয়েছিল শুধু নবম শ্রেণীর ওই ছাত্রী। এর মধ্যেই চারদিকে শুরু হয় প্রবল ঝড় বৃষ্টি। ঘন হয়ে আসে অন্ধকার। ওই সুযোগই কাজে লাগান শিক্ষক! প্রবল ঝড় বৃষ্টির শব্দে ঝড় শুরু হয় শিক্ষকের মধ্যেও। ছাত্রীকে জোর করে জড়িয়ে ধরেন। নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় নিরুপায় ছাত্রী। এরপরে যৌন দানবের মতো ঝাঁপিয়ে পড়েন ছাত্রীর ওপর। একদিকে বজ্রবিদ্যুৎ আর বাতাসের তাণ্ডব, অন্যদিকে একই কায়দায় ছাত্রীর ওপর চলে শিক্ষকের যৌন অভিযান! রক্তাক্ত বিধ্বস্ত ছাত্রী নিস্তেজ হয়ে পড়ে। শিক্ষকের ঝড় থেমে গেলে রক্তাক্ত-বিধ্বস্ত ছাত্রীকে ফেলে উধাও হয়ে যান শ্রদ্ধেয় সেই শিক্ষক! খবর পেয়ে ছাত্রীর মা এসে মেয়েকে ভর্তি করায় ঢাকার মাতুয়াইলে মা ও শিশু ইনস্টিটিউটে।

ছাত্রীর স্বজনরা জানায়, কেরামতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক জহিরুল হকের কাছে প্রাইভেট পড়তো তার মেয়েসহ কয়েকজন। মঙ্গলবার বিকেলে শিক্ষকের বাসায় পড়তে যায় তার মেয়ে। এর মধ্যে ঝড় বৃষ্টি শুরু হয়। এ সুযোগে শিক্ষক ওই ছাত্রীকে একা পেয়ে ধর্ষণ করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে যায়।

ধর্ষক ও লম্পট শিক্ষক জহিরুল হক সোনারগাঁও উপজেলার মোগরাপাড়া ইউপির কাজিরগাঁও গ্রামের মোস্তফা মিয়ার ছেলে। তিনি বন্দর উপজেলা মুছাপুর ইউপির মালিবাগ কেরামতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অস্থায়ী শিক্ষক।

৩১ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত ঘটনাটি ধামাচাপা দিয়ে রাখে স্থানীয় প্রভাবশালী লোকজন। তবে শনিবার সকালে জানাজানি হয় ধর্ষণের এ ঘটনা। এঘটনায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে অভিভাবকদের মধ্যে। শিক্ষকের শাস্তি দাবি করেছেন তারা।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মালিবাগ কেরামতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির দাতা সদস্য বজলুর রহমান বলেন, স্কুলের বাইরে ঘটনা ঘটেছে। এজন্য স্কুলের পক্ষে উদ্যোগ নেয়া হয়নি। তবে ওই শিক্ষককে বরখাস্ত করা হবে।

বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, ধর্ষণের ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।