পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

মনজুরের নির্বাচনী কার্যালয়ে ছাত্রলীগের হামলা, ভাঙচুর : ১০ নারী আহত

চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলন মনোনীত মেয়র প্রার্থী মনজুর আলমের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা। ঘটনায় ১০/১২ জন আহত হয়। এদের অধিকাংশই নারী।

শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ থানার বাংলাবাজার ব্রিকফিল্ড রোডে মেয়র প্রার্থী আ জ ম নাছির সমর্থক ছাত্রলীগ ক্যাডাররা এ হামলা চালায় বলে জানা গেছে।

শনিবার বিকেল সাড়ে চারটার সময় সাবেক হুইপ ও বিএনপি নেতা সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের উপস্থিতিতে স্থানীয় বিএনপি ও অংগ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা নির্বাচনী কার্যালয়ে বসে আগামীকাল (রোববার) মেয়র প্রার্থী মনজুর আলমের পূর্ব নির্ধারিত সফর ও নির্বাচনী প্রচারণা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা চলাকালে ছাত্রলীগ কর্মীরা এ হামলা চালায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সৈয়দ ওয়াহিদের উপস্থিতিতে নেতা-কর্মীদের নিয়ে সভা চলাকালে বায়েজিদ এলাকার ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী মেহেদী ও পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের ছাত্রলীগ নেতা মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে ৬০/৭০ জনের একটি মিছিল মেয়র প্রার্থী মনজুর আলমের বিরুদ্ধে অশ্লীল ও উস্কানিমূলক স্নোগান দিতে থাকে।

লাঠিসোটা ও ইটপাটকেল সজ্জিত হয়ে এক পর্যায়ে মনজুর আলমের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালায় তারা। তাদের হামলায় ১০/১২ জন বিএনপি নেতা-কর্মী আহত হয় যাদের অধিকাংশই নারী।

সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম জানান, বিনা উস্কানিতে ছাত্রলীগ নামধারী সন্ত্রাসীরা আমাদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে হামলা চালায় এবং কার্যালয় ভাঙচুর করে। আমাদের মহিলা কর্মী-সমর্থকদের হামলা করে আহত ও নাজেহাল করে।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলনের পক্ষ থেকে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বলা হয়, সন্ত্রাসের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্নিত করে জনগণের সমর্থন আদায় করা যাবে না। জনগণ ২৮ এপ্রিলের নির্বাচনে শান্তি, উন্নয়নের পক্ষে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভোট বিপ্লব ঘটিয়ে তা প্রমাণ করে দেবে।

Tag :

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

মনজুরের নির্বাচনী কার্যালয়ে ছাত্রলীগের হামলা, ভাঙচুর : ১০ নারী আহত

আপডেট টাইম : ০৮:১৬:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০১৫

চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলন মনোনীত মেয়র প্রার্থী মনজুর আলমের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা। ঘটনায় ১০/১২ জন আহত হয়। এদের অধিকাংশই নারী।

শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ থানার বাংলাবাজার ব্রিকফিল্ড রোডে মেয়র প্রার্থী আ জ ম নাছির সমর্থক ছাত্রলীগ ক্যাডাররা এ হামলা চালায় বলে জানা গেছে।

শনিবার বিকেল সাড়ে চারটার সময় সাবেক হুইপ ও বিএনপি নেতা সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের উপস্থিতিতে স্থানীয় বিএনপি ও অংগ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা নির্বাচনী কার্যালয়ে বসে আগামীকাল (রোববার) মেয়র প্রার্থী মনজুর আলমের পূর্ব নির্ধারিত সফর ও নির্বাচনী প্রচারণা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা চলাকালে ছাত্রলীগ কর্মীরা এ হামলা চালায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সৈয়দ ওয়াহিদের উপস্থিতিতে নেতা-কর্মীদের নিয়ে সভা চলাকালে বায়েজিদ এলাকার ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী মেহেদী ও পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের ছাত্রলীগ নেতা মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে ৬০/৭০ জনের একটি মিছিল মেয়র প্রার্থী মনজুর আলমের বিরুদ্ধে অশ্লীল ও উস্কানিমূলক স্নোগান দিতে থাকে।

লাঠিসোটা ও ইটপাটকেল সজ্জিত হয়ে এক পর্যায়ে মনজুর আলমের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালায় তারা। তাদের হামলায় ১০/১২ জন বিএনপি নেতা-কর্মী আহত হয় যাদের অধিকাংশই নারী।

সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম জানান, বিনা উস্কানিতে ছাত্রলীগ নামধারী সন্ত্রাসীরা আমাদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে হামলা চালায় এবং কার্যালয় ভাঙচুর করে। আমাদের মহিলা কর্মী-সমর্থকদের হামলা করে আহত ও নাজেহাল করে।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলনের পক্ষ থেকে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বলা হয়, সন্ত্রাসের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্নিত করে জনগণের সমর্থন আদায় করা যাবে না। জনগণ ২৮ এপ্রিলের নির্বাচনে শান্তি, উন্নয়নের পক্ষে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভোট বিপ্লব ঘটিয়ে তা প্রমাণ করে দেবে।