পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

থাই জঙ্গলে নৃশংসতা : মানব পাচারের মূল হোতা আটক

ডেস্ক : থাইল্যান্ডের গভীর জঙ্গল থেকে মানব পাচারকারীদের ‘মূল হোতা’কে আটক করছে থাইল্যান্ডের পুলিশ। পুলিশ বলছে, তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে। গ্রেফতার ব্যক্তির নাম সু নাইং, তবে তিনি আনোয়ার নামেই বেশি পরিচিত।

থাইল্যান্ড-মালয়েশিয়া সীমান্তবর্তী ওই হোতা কাছ থেকে গত মঙ্গলবার কর্তৃপক্ষ আনোয়ারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে।

নাখোন সি থামারাট প্রদেশের পুলিশের ডেপুটি কমিশনার অনুচন চামসাট গণমাধ্যমে বলেছেন, জঙ্গলের গভীরে বেশ কিছু পাচারকারী ক্যাম্প পুলিশ উচ্ছেদ করেছে। যেগুলোতে প্রায় ৪শ’ অভিবাসীকে মুক্তিপণের জন্য আটকে রাখা হয়েছিল। মুক্তিপণ পাওয়ার পরও মুক্তি না দেয়ার অপরাধে তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

যদিও আনোয়ার মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, তিনি রাবার সংগ্রহ করে এবং রুটি বিক্রি করে জীবন ধারণ করেন।

সেখানে অনেকজন আনোয়ার আছে। আমাকেও আনোয়ার নামে ডাকা হয়। কিন্তু আমাদের ভেবে দেখতে হবে কোন আনোয়ার মূলত মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত।

মানব পাচারের শিকার হওয়া চারশ’র বেশি মানুষকে (যাদের অধিকাংশ মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠি ও বাংলাদেশি) মুক্তিপণের জন্য আটকে রাখা হয়েছিল।

মুক্তিপণ পাওয়ার পরও পাচারের শিকার হওয়া রোহিঙ্গাদের মুক্তি না দেয়ায় আনোয়ারের বিরুদ্ধে প্রথমে প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়।

সোমবার থাইল্যান্ড পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, আনোয়ারের বিরুদ্ধে এখন মানবপাচার এবং মুক্তিপণের জন্য লোকজনকে বন্দি করে রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে।

একই অভিযোগে ওই এলাকার তিনজন প্রশাসনিক কর্মকর্তাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। থাইল্যান্ডের নাগরিক পলাতক চতুর্থ একজনকে খোঁজ করছে পুলিশ।

এই চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এখন পর্যন্ত মোট আট জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান থাইল্যান্ডের রাজকীয় পুলিশ বাহিনীর প্রধান জেনারেল সমাইওত পোমপানমুয়াং।

উল্লেখ, শুক্রবার ওই শিবিরে একটি গণকবর আবিষ্কার করে পুলিশ। কবরে মোট ২৬টি মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া যায়।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

থাই জঙ্গলে নৃশংসতা : মানব পাচারের মূল হোতা আটক

আপডেট টাইম : ০৮:১৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০১৫

ডেস্ক : থাইল্যান্ডের গভীর জঙ্গল থেকে মানব পাচারকারীদের ‘মূল হোতা’কে আটক করছে থাইল্যান্ডের পুলিশ। পুলিশ বলছে, তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে। গ্রেফতার ব্যক্তির নাম সু নাইং, তবে তিনি আনোয়ার নামেই বেশি পরিচিত।

থাইল্যান্ড-মালয়েশিয়া সীমান্তবর্তী ওই হোতা কাছ থেকে গত মঙ্গলবার কর্তৃপক্ষ আনোয়ারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে।

নাখোন সি থামারাট প্রদেশের পুলিশের ডেপুটি কমিশনার অনুচন চামসাট গণমাধ্যমে বলেছেন, জঙ্গলের গভীরে বেশ কিছু পাচারকারী ক্যাম্প পুলিশ উচ্ছেদ করেছে। যেগুলোতে প্রায় ৪শ’ অভিবাসীকে মুক্তিপণের জন্য আটকে রাখা হয়েছিল। মুক্তিপণ পাওয়ার পরও মুক্তি না দেয়ার অপরাধে তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

যদিও আনোয়ার মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, তিনি রাবার সংগ্রহ করে এবং রুটি বিক্রি করে জীবন ধারণ করেন।

সেখানে অনেকজন আনোয়ার আছে। আমাকেও আনোয়ার নামে ডাকা হয়। কিন্তু আমাদের ভেবে দেখতে হবে কোন আনোয়ার মূলত মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত।

মানব পাচারের শিকার হওয়া চারশ’র বেশি মানুষকে (যাদের অধিকাংশ মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠি ও বাংলাদেশি) মুক্তিপণের জন্য আটকে রাখা হয়েছিল।

মুক্তিপণ পাওয়ার পরও পাচারের শিকার হওয়া রোহিঙ্গাদের মুক্তি না দেয়ায় আনোয়ারের বিরুদ্ধে প্রথমে প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়।

সোমবার থাইল্যান্ড পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, আনোয়ারের বিরুদ্ধে এখন মানবপাচার এবং মুক্তিপণের জন্য লোকজনকে বন্দি করে রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে।

একই অভিযোগে ওই এলাকার তিনজন প্রশাসনিক কর্মকর্তাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। থাইল্যান্ডের নাগরিক পলাতক চতুর্থ একজনকে খোঁজ করছে পুলিশ।

এই চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এখন পর্যন্ত মোট আট জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান থাইল্যান্ডের রাজকীয় পুলিশ বাহিনীর প্রধান জেনারেল সমাইওত পোমপানমুয়াং।

উল্লেখ, শুক্রবার ওই শিবিরে একটি গণকবর আবিষ্কার করে পুলিশ। কবরে মোট ২৬টি মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া যায়।