পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বরিশালে দোয়ারিকা-সিকাপুর সেতুর টোল লোপাট কোটি টাকার রাজস্ব আত্মসাৎ ! Logo বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-১,২,৩,৪ ও ঢাকা জেলা সার্কেলের আয়োজনে সড়ক নিরাপত্তায় সচেতনতামূলক রোড-শো অনুষ্ঠিত Logo রূপগঞ্জে জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে ‘ওয়েলকেয়ার গ্রীনসিটি’র কর্মকর্তার বিরুদ্ধে থানায় জিডি Logo পাটগ্রামে সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপি রাজিবের মতবিনিময়, দুস্থদের মাঝে চেক বিতরণ Logo পাটগ্রাম সীমান্তে পুশইনের জন্য আনা ১২ জনকে রাতের আঁধারে ফেরত নিল বিএসএফ Logo বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-১, সার্কেলের সহকারী পরিচালক জিয়াউর রহমান’কে নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার ফেসবুক পেজে Logo পাটগ্রামের বুড়িমারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত চার পরিবারকে এমপির গরু উপহার Logo প্রেস ক্লাবের ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রেখে উন্নয়ন করতে হবে: শেখ রবিউল আলম Logo লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ করে দিল বিজিবি Logo হাতীবান্ধা-পাটগ্রামের ৬৫ পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি

দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাচনে সেনা মোতায়েন

কুমিল্লা: বিএনপির জোর দাবি সত্বেও ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে সেনাবাহিনী না নামলেও কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। শুধু তাই নয় পুলিশের পাশাপাশি থাকছে বিপুল সংখ্যক বিজিবি, র‌্যাব, ও আনসার সদস্য।

আদালতের নিষেধাজ্ঞায় ঝুলে থাকা বহুল প্রতীক্ষিত কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাচন শনিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শেষ হয়েছে।

ইতোমধ্যে মধ্যে নির্বাচনকে ঘিরে সরগরম হয়ে উঠেছে দাউদকান্দির সর্বত্র। আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শেষ হলেও ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা।

নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ছয় জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৩ জন এবং সংরক্ষিত নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ছয় জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। তিনটি পদেই বিএনপি সমর্থিত একক প্রার্থী রয়েছেন। বাকীরা সবাই আওয়ামী লীগ সমর্থিত।

বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল হাসেম আনারস প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। তবে তার বিরুদ্ধে মামলা থাকায় তিনি প্রচারণায় নামেননি। এতে বিএনপি সমর্থিত বাকী দুই প্রার্থীর মনোবল কিছুটা হলেও ভেঙে পড়েছে।

তবে তাদের প্রতি জনসমর্থন বেশি রয়েছে এবং প্রতিটি পদেই একক প্রার্থী থাকায় তাদের বিজয় হবে বলে মনে করেন বিএনপি সমর্থিত ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা ফরিদা ইয়াসমিন ডলি।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল হাসেম যদি মাঠে থেকে প্রচারণায় অংশ নিতে পারতেন তাহলে তাদের বিজয় সুনিশ্চিত হতো।’

ফরিদা ইয়াসমিন ডলি জানান, দুই একটি সহিংস ঘটনার কারণে নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে তাদের মধ্যে ততই সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কার সৃষ্টি হচ্ছে। এ কারণে তারা সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় সংসদ সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) সুবিদ আলী ভূঁইয়ার ছেলে মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী সুমন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।

একে তো ক্ষমতাসীন দল তার ওপর সংসদ সদস্যের ছেলে প্রার্থী হওয়ায় নির্বাচনে বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন প্রতিদ্বন্দ্বীরা।

তবে তাদের এমন অভিযোগ অস্বীকার করে মোহাম্মদ আলী সুমন বলেন, ‘প্রচারণায় নেমে আমি জনগণের বিপুল সাড়া পাচ্ছি। আমার পক্ষে গণজোয়ার দেখে অন্য প্রার্থীরা অপপ্রচার চালাচ্ছেন। জনগণ ভোটের মাধ্যমে তাদের জবাব দেবে। আর আমি নিজেও চাই সেনা মোতায়েন হোক।’

শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু করতে এ নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্তও নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। একইসঙ্গে পুলিশের পাশাপাশি থাকছে বিপুল সংখ্যক বিজিবি, র‌্যাব, ও আনসার সদস্য। এতে প্রার্থী এবং ভোটারদের উৎকণ্ঠা অনেকটাই কমে গেছে।

সাধারণ ভোটাররা মনে করছেন, সুষ্ঠু ভোট হলে যারা যোগ্য এবং উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে এমন প্রার্থীকেই বেছে নেবেন তারা।

এবার উপজেলায় মোট ভোটার দুই লাখ ৪০ হাজার এবং ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৯৫টি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৩০টির মতো কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে আমলে নিলেও সাধারণ মানুষের হিসাবে প্রায় সব কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ।

এ ব্যাপারে রিটার্নিং কর্মকর্তা বিভোর কুমার বিশ্বাস জানান, প্রায় সব প্রার্থীর দাবির প্রেক্ষিতে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এবং সুষ্ঠু নির্বাচন হবে বলেও তিনি আশাবাদী।

তবে বিএনপির জোর দাবি সত্বেও ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন না করে দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এর আগে গত ৩১ মার্চ দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ২০০৯ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচন নিয়ে আদালতে মামলা চলায় উপজেলা নারী ভাইস চেয়ারম্যান পারুল আক্তার ভারপ্রাপ্ত চোরম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

৭ মে শুক্রবার থেকে নির্বাচনের পরদিন ১০ মে পর্যন্ত তিন প্লাটুন সেনা, র‌্যাবের চারটি টিম, তিন প্লাটুন বিজিবি, গোয়েন্দা সংস্থা এবং বিপুল সংখ্যক পুলিশের সঙ্গে আনসার সদস্যরা নির্বাচনী এলাকায় দায়িত্ব পালন করবেন।

উল্লেখ্য, সরকারি দলের নেতাকর্মীদের মহড়ায় অন্য প্রার্থী ও ভোটাররা শঙ্কায় রয়েছেন। আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী সুমনের সমর্থকরা গত ৪ মে গৌরীপুরে বিদ্রোহী প্রার্থী বশিরুল আলম মিয়াজী ও আওয়ামী লীগ নেতা ব্যারিস্টার নাঈম হাসানের ওপর হামলা চালায়। এছাড় গত ৫ মে গোয়ালমারী এলাকায় বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল হাসেমের দুটি মাইক্রোবাস ভাঙচুর করে বলেও অভিযোগ করেন বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল হাসেম।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে দোয়ারিকা-সিকাপুর সেতুর টোল লোপাট কোটি টাকার রাজস্ব আত্মসাৎ !

দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাচনে সেনা মোতায়েন

আপডেট টাইম : ০৬:৪৯:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০১৫

কুমিল্লা: বিএনপির জোর দাবি সত্বেও ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে সেনাবাহিনী না নামলেও কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। শুধু তাই নয় পুলিশের পাশাপাশি থাকছে বিপুল সংখ্যক বিজিবি, র‌্যাব, ও আনসার সদস্য।

আদালতের নিষেধাজ্ঞায় ঝুলে থাকা বহুল প্রতীক্ষিত কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাচন শনিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শেষ হয়েছে।

ইতোমধ্যে মধ্যে নির্বাচনকে ঘিরে সরগরম হয়ে উঠেছে দাউদকান্দির সর্বত্র। আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শেষ হলেও ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা।

নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ছয় জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৩ জন এবং সংরক্ষিত নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ছয় জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। তিনটি পদেই বিএনপি সমর্থিত একক প্রার্থী রয়েছেন। বাকীরা সবাই আওয়ামী লীগ সমর্থিত।

বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল হাসেম আনারস প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। তবে তার বিরুদ্ধে মামলা থাকায় তিনি প্রচারণায় নামেননি। এতে বিএনপি সমর্থিত বাকী দুই প্রার্থীর মনোবল কিছুটা হলেও ভেঙে পড়েছে।

তবে তাদের প্রতি জনসমর্থন বেশি রয়েছে এবং প্রতিটি পদেই একক প্রার্থী থাকায় তাদের বিজয় হবে বলে মনে করেন বিএনপি সমর্থিত ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা ফরিদা ইয়াসমিন ডলি।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল হাসেম যদি মাঠে থেকে প্রচারণায় অংশ নিতে পারতেন তাহলে তাদের বিজয় সুনিশ্চিত হতো।’

ফরিদা ইয়াসমিন ডলি জানান, দুই একটি সহিংস ঘটনার কারণে নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে তাদের মধ্যে ততই সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কার সৃষ্টি হচ্ছে। এ কারণে তারা সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় সংসদ সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) সুবিদ আলী ভূঁইয়ার ছেলে মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী সুমন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।

একে তো ক্ষমতাসীন দল তার ওপর সংসদ সদস্যের ছেলে প্রার্থী হওয়ায় নির্বাচনে বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন প্রতিদ্বন্দ্বীরা।

তবে তাদের এমন অভিযোগ অস্বীকার করে মোহাম্মদ আলী সুমন বলেন, ‘প্রচারণায় নেমে আমি জনগণের বিপুল সাড়া পাচ্ছি। আমার পক্ষে গণজোয়ার দেখে অন্য প্রার্থীরা অপপ্রচার চালাচ্ছেন। জনগণ ভোটের মাধ্যমে তাদের জবাব দেবে। আর আমি নিজেও চাই সেনা মোতায়েন হোক।’

শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু করতে এ নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্তও নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। একইসঙ্গে পুলিশের পাশাপাশি থাকছে বিপুল সংখ্যক বিজিবি, র‌্যাব, ও আনসার সদস্য। এতে প্রার্থী এবং ভোটারদের উৎকণ্ঠা অনেকটাই কমে গেছে।

সাধারণ ভোটাররা মনে করছেন, সুষ্ঠু ভোট হলে যারা যোগ্য এবং উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে এমন প্রার্থীকেই বেছে নেবেন তারা।

এবার উপজেলায় মোট ভোটার দুই লাখ ৪০ হাজার এবং ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৯৫টি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৩০টির মতো কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে আমলে নিলেও সাধারণ মানুষের হিসাবে প্রায় সব কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ।

এ ব্যাপারে রিটার্নিং কর্মকর্তা বিভোর কুমার বিশ্বাস জানান, প্রায় সব প্রার্থীর দাবির প্রেক্ষিতে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এবং সুষ্ঠু নির্বাচন হবে বলেও তিনি আশাবাদী।

তবে বিএনপির জোর দাবি সত্বেও ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন না করে দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এর আগে গত ৩১ মার্চ দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ২০০৯ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচন নিয়ে আদালতে মামলা চলায় উপজেলা নারী ভাইস চেয়ারম্যান পারুল আক্তার ভারপ্রাপ্ত চোরম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

৭ মে শুক্রবার থেকে নির্বাচনের পরদিন ১০ মে পর্যন্ত তিন প্লাটুন সেনা, র‌্যাবের চারটি টিম, তিন প্লাটুন বিজিবি, গোয়েন্দা সংস্থা এবং বিপুল সংখ্যক পুলিশের সঙ্গে আনসার সদস্যরা নির্বাচনী এলাকায় দায়িত্ব পালন করবেন।

উল্লেখ্য, সরকারি দলের নেতাকর্মীদের মহড়ায় অন্য প্রার্থী ও ভোটাররা শঙ্কায় রয়েছেন। আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী সুমনের সমর্থকরা গত ৪ মে গৌরীপুরে বিদ্রোহী প্রার্থী বশিরুল আলম মিয়াজী ও আওয়ামী লীগ নেতা ব্যারিস্টার নাঈম হাসানের ওপর হামলা চালায়। এছাড় গত ৫ মে গোয়ালমারী এলাকায় বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল হাসেমের দুটি মাইক্রোবাস ভাঙচুর করে বলেও অভিযোগ করেন বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল হাসেম।