পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

মিরপুরে ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় শিক্ষকের যাবজ্জীবন

ঢাকা : রাজধানী মিরপুরের হলিক্রিসেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্লে শ্রেণীর এক ছাত্রী (৫) ধর্ষণের মামলায় ওই স্কুলের আরবি শিক্ষক মো. মিনহাজ উদ্দিনকে (২৫) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। এ দুই লাখ টাকার মধ্যে এক লাখ টাকা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে দিতে আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা ৫ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক তানজীনা ইসমাইল এ রায় দেন।

২০১৪ সালের ১১ মার্চ ওই ছাত্রীকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে স্কুলের বাথরুমে নিয়ে ধর্ষণ করেন লম্পট শিক্ষক। এ সময় রক্তক্ষরণ শুরু হলে তিনি পালিয়ে যান। ওই ছাত্রী বাসায় গিয়ে অসুস্থ হয়ে পরে এবং তার মাকে সব খুলে বলে। তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এরপর ওই দিনই ওই ছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে লম্পট শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই দিনই আসামিকে আটক করে পুলিশ।

ঘটনাটি তদন্ত করে মিরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মতিউর রহমান গত বছরের ২৬ জুন ওই শিক্ষককে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। একই বছরের ২৯ অক্টোবর আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন ট্যাইব্যুনাল।

ভিকটিম নিজেই আদালতে সাক্ষ্য দেন। এছাড়া ভিকটিমের মা, বাবা, মামা, নানীসহ ৯ জন সাক্ষ্য দেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আলী আসগর তপন।

এছাড়া বাদিকে আইনী সহায়তা দেন বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির পক্ষে অ্যাডভোকেট সালমা আলী, ফাহমিদা আক্তার রিংকী ও ফারহানা রহমান লুনা।

রায় পড়ার সময় আসামি মিনহাজ উদ্দিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এরপর তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

মিরপুরে ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় শিক্ষকের যাবজ্জীবন

আপডেট টাইম : ০২:০১:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০১৫

ঢাকা : রাজধানী মিরপুরের হলিক্রিসেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্লে শ্রেণীর এক ছাত্রী (৫) ধর্ষণের মামলায় ওই স্কুলের আরবি শিক্ষক মো. মিনহাজ উদ্দিনকে (২৫) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। এ দুই লাখ টাকার মধ্যে এক লাখ টাকা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে দিতে আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা ৫ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক তানজীনা ইসমাইল এ রায় দেন।

২০১৪ সালের ১১ মার্চ ওই ছাত্রীকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে স্কুলের বাথরুমে নিয়ে ধর্ষণ করেন লম্পট শিক্ষক। এ সময় রক্তক্ষরণ শুরু হলে তিনি পালিয়ে যান। ওই ছাত্রী বাসায় গিয়ে অসুস্থ হয়ে পরে এবং তার মাকে সব খুলে বলে। তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এরপর ওই দিনই ওই ছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে লম্পট শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই দিনই আসামিকে আটক করে পুলিশ।

ঘটনাটি তদন্ত করে মিরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মতিউর রহমান গত বছরের ২৬ জুন ওই শিক্ষককে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। একই বছরের ২৯ অক্টোবর আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন ট্যাইব্যুনাল।

ভিকটিম নিজেই আদালতে সাক্ষ্য দেন। এছাড়া ভিকটিমের মা, বাবা, মামা, নানীসহ ৯ জন সাক্ষ্য দেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আলী আসগর তপন।

এছাড়া বাদিকে আইনী সহায়তা দেন বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির পক্ষে অ্যাডভোকেট সালমা আলী, ফাহমিদা আক্তার রিংকী ও ফারহানা রহমান লুনা।

রায় পড়ার সময় আসামি মিনহাজ উদ্দিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এরপর তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়।