পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

অর্থ সংকটে রাবির হলে পত্রিকা বন্ধ!

বাংলার খবর২৪.কমindex_49097: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শাহ মখদুম হলে অর্থ সংকটের অযুহাতে দেশের প্রথম সারির একাধিক ও স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, প্রায় দেড় মাস ধরে হলে বন্ধ পত্রিকা চালু এবং পত্রিকা কক্ষে আসবাবপত্র সংস্কারের জন্য কর্তৃপক্ষকে বলা হলেও তা কোনো কাজে আসেনি। এছাড়াও হলের বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আবাসিক শিক্ষার্থীরা।

হলের অফিস সূত্রে জানা যায়, গত দেড় মাস ধরে জাতীয় বাংলা দৈনিক কালের কন্ঠ, সমকাল, মানবজমিন, মানবকন্ঠ, যায়যায়দিন, সকালের খবর, আলোকিত বাংলাদেশ, ইনকিলাব, নয়াদিগন্ত এবং ইংরেজি দৈনিক ঢাকা ট্রিবিউন, ইন্ডিপেন্ডেন্ট, নিউএজ পত্রিকা বন্ধ রয়েছে।

এছাড়াও রাজশাহীর বহুল প্রচারিত দৈনিক সোনার দেশ ও নতুন প্রভাত পত্রিকা অর্থ সংকটের কথা বলে বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বর্তমানে হলে জাতীয় বাংলা দৈনিক প্রথম আলো, ইত্তেফাক, যুগান্তর, জনকন্ঠ, বাংলাদেশ প্রতিদিন ও সংবাদসহ ইংরেজি ডেইলি স্টার এবং ডেইলি সান পত্রিকা চালু রয়েছে।

হলের শিক্ষার্থীরা আরোও অভিযোগ করেন, দীর্ঘ দিন ধরে জাতীয় ও স্থানীয় মোট ২২টিরও অধিক পত্রিকা নেওয়া হলেও বর্তমান প্রশাসন হঠাৎ করেই গত দেড় মাস ধরে মাত্র ১০টি পত্রিকা রাখছেন।

দেশের প্রথম সারির দৈনিক ও রাজশাহীর বহুল প্রচারিত পত্রিকাগুলো বন্ধ রাখার কারণ জানেন না কেউ। তবে পত্রিকাগুলো না থাকায় দেশ-বিদেশের চলমান ঘটনাগুলো সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হলে পত্রিকা কক্ষে বসার ব্যবস্থা থাকলেও শাহ মখদুম হলে সে ব্যবস্থা নেই। এতে করে দাঁড়িয়ে থেকে অনেক কষ্ট করেই প্রতিদিন পত্রিকা পড়তে হয় হলের শিক্ষার্থীদের। এসব বিষয়ে হল প্রাধ্যক্ষকের কাছে বারবার অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

এ সম্পর্কে জানতে চাইলে শাহ মখদুম হল প্রাধ্যক্ষ ইমতিয়াজ আহমেদ শীর্ষ নিউজকে বলেন, হলের ফান্ডে অর্থ সংকটের কারণেই আমরা একাধিক পত্রিকা নেওয়া বন্ধ রেখেছি। তবে হলের এসব পত্রিকা আবারো চালুর বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা সাদেকুল আরেফিন মাতিন শীর্ষ নিউজকে বলেন, হলে কখনোই পত্রিকা বন্ধ রাখা উচিত নয়। কেন হলে পত্রিকা বন্ধ রাখা হয়েছে সে বিষয়ে হল প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলবো। এছাড়াও হলের সামগ্রিক বিষয় খতিয়ে দেখারও আশ্বাস দেন তিনি।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

অর্থ সংকটে রাবির হলে পত্রিকা বন্ধ!

আপডেট টাইম : ০৩:১২:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কমindex_49097: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শাহ মখদুম হলে অর্থ সংকটের অযুহাতে দেশের প্রথম সারির একাধিক ও স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, প্রায় দেড় মাস ধরে হলে বন্ধ পত্রিকা চালু এবং পত্রিকা কক্ষে আসবাবপত্র সংস্কারের জন্য কর্তৃপক্ষকে বলা হলেও তা কোনো কাজে আসেনি। এছাড়াও হলের বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আবাসিক শিক্ষার্থীরা।

হলের অফিস সূত্রে জানা যায়, গত দেড় মাস ধরে জাতীয় বাংলা দৈনিক কালের কন্ঠ, সমকাল, মানবজমিন, মানবকন্ঠ, যায়যায়দিন, সকালের খবর, আলোকিত বাংলাদেশ, ইনকিলাব, নয়াদিগন্ত এবং ইংরেজি দৈনিক ঢাকা ট্রিবিউন, ইন্ডিপেন্ডেন্ট, নিউএজ পত্রিকা বন্ধ রয়েছে।

এছাড়াও রাজশাহীর বহুল প্রচারিত দৈনিক সোনার দেশ ও নতুন প্রভাত পত্রিকা অর্থ সংকটের কথা বলে বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বর্তমানে হলে জাতীয় বাংলা দৈনিক প্রথম আলো, ইত্তেফাক, যুগান্তর, জনকন্ঠ, বাংলাদেশ প্রতিদিন ও সংবাদসহ ইংরেজি ডেইলি স্টার এবং ডেইলি সান পত্রিকা চালু রয়েছে।

হলের শিক্ষার্থীরা আরোও অভিযোগ করেন, দীর্ঘ দিন ধরে জাতীয় ও স্থানীয় মোট ২২টিরও অধিক পত্রিকা নেওয়া হলেও বর্তমান প্রশাসন হঠাৎ করেই গত দেড় মাস ধরে মাত্র ১০টি পত্রিকা রাখছেন।

দেশের প্রথম সারির দৈনিক ও রাজশাহীর বহুল প্রচারিত পত্রিকাগুলো বন্ধ রাখার কারণ জানেন না কেউ। তবে পত্রিকাগুলো না থাকায় দেশ-বিদেশের চলমান ঘটনাগুলো সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হলে পত্রিকা কক্ষে বসার ব্যবস্থা থাকলেও শাহ মখদুম হলে সে ব্যবস্থা নেই। এতে করে দাঁড়িয়ে থেকে অনেক কষ্ট করেই প্রতিদিন পত্রিকা পড়তে হয় হলের শিক্ষার্থীদের। এসব বিষয়ে হল প্রাধ্যক্ষকের কাছে বারবার অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

এ সম্পর্কে জানতে চাইলে শাহ মখদুম হল প্রাধ্যক্ষ ইমতিয়াজ আহমেদ শীর্ষ নিউজকে বলেন, হলের ফান্ডে অর্থ সংকটের কারণেই আমরা একাধিক পত্রিকা নেওয়া বন্ধ রেখেছি। তবে হলের এসব পত্রিকা আবারো চালুর বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা সাদেকুল আরেফিন মাতিন শীর্ষ নিউজকে বলেন, হলে কখনোই পত্রিকা বন্ধ রাখা উচিত নয়। কেন হলে পত্রিকা বন্ধ রাখা হয়েছে সে বিষয়ে হল প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলবো। এছাড়াও হলের সামগ্রিক বিষয় খতিয়ে দেখারও আশ্বাস দেন তিনি।