অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

মোড়লরা প্রেসক্লাবের স্বঘোষিত নেতা নির্বাচিত হয়েছেন

নির্বাচন নিয়ে জটিলতা কাটাতে দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভায় সরাসরি ভোট ছাড়াই জাতীয় প্রেসক্লাবের নতুন নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভাপতি পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ফোরামের মুহাম্মদ শফিকুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে বিএনপি সমর্থিত ফোরামের কামরুল ইসলাম চৌধুরী মনোনীত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ক্লাবের প্রবীণ সদস্য শাহজাহান মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় ১৭ সদস্যের নির্বাহী কমিটির মধ্যে সভাপতিসহ ১০টি পদ পেয়েছে আওয়ামী লীগ ফোরাম। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদকসহ ৭টি পদ পেয়েছে বিএনপি সমর্থিত ফোরাম। নতুন কমিটি ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে। সমঝোতার ভিত্তিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবে কমিটি ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক পীর হাবিবুর রহমান এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, আইল্যান্ড অব ডেমোক্রেসি বা গণতন্ত্রের দ্বীপ বলা হয় জাতীয় প্রেস ক্লাবকে। সেই জাতির বিবেক খ্যাত জাতীয় প্রেস ক্লাবেই আজ গণতন্ত্রের সূর্য ডুবেছে। যারা সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হবার সাহস রাখেন না, তারাই আজ সমঝোতা করে বিনা ভোটে ক্লাবের নেতা নির্বাচিত হয়েছেন।

তিনি আরও লিখেছেন, প্রথম আওয়ামী লীগ জামায়াতের সমঝোতা কমিটি হয়েছিল। প্রতিক্রিয়া তীব্র হওয়ায় লজ্জা পেয়ে দম নেন। পরে আওয়ামী লীগ-বিএনপির মোড়লরা কমিটি নির্বাচিত করে স্বঘোষিত নেতা নির্বাচিত হয়েছেন। গণতন্ত্রের এমন করুণ মৃত্যু যারা ঘটিয়েছেন তারাই গণমাধ্যমের আলোচিত মুখ হয়ে মধ্যরাতের টকশোতে নীতি বাক্য বলেন। এই লজ্জা রাখার জায়গা নেই, তারা ঢাকবেন কিভাবে। আমরা অনেকেই প্রেসক্লাবের সদস্য, আমাদের ডাকা হলোনা, জানানো হলোনা ভোট হলোনা, আমাদের না জানিয়ে শয়তানের প্ররোচনায় নেতৃত্ব হাইজাক করলো দুটি দলের অন্ধরা।

একটি পেশাদার ক্লাবের কর্তৃত্ব তারা দখল করে নিলো! কেউ প্রতিবাদও করলোনা! এই অবৈধ নেতৃত্বে যারা তাদেরকে সমাজে না বলুন। যেখানেই দেখবেন সালাম না দিয়ে মনে মনে বলবেন শেম। এদের আমন্ত্রণে কোনো অনুষ্ঠানে আমি যাব না। এরা জাতীয় প্রেসক্লাবের ইমেজ নষ্ট করেছে অতীতে দলবাজিতে।

এবার ক্ষমতাবাজি আর সুবিধাবাদীতায় গণতন্ত্রের কবর দিয়েছে। এরা আমার নেতা নয়। ক্লাবের বিনা ভোটের কমিটি বানানোর ক্ষমতা দুই ফোরাম বা দুই ইউনিয়নকে কে দিয়েছে? এদের নাম ক্লাব ইতিহাসে কালো হরফে লেখা থাকবেই। এই দিন দিন নয়। জবাব একদিন দিতেই হবে।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

মোড়লরা প্রেসক্লাবের স্বঘোষিত নেতা নির্বাচিত হয়েছেন

আপডেট টাইম : ০৬:১১:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০১৫

নির্বাচন নিয়ে জটিলতা কাটাতে দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভায় সরাসরি ভোট ছাড়াই জাতীয় প্রেসক্লাবের নতুন নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভাপতি পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ফোরামের মুহাম্মদ শফিকুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে বিএনপি সমর্থিত ফোরামের কামরুল ইসলাম চৌধুরী মনোনীত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ক্লাবের প্রবীণ সদস্য শাহজাহান মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় ১৭ সদস্যের নির্বাহী কমিটির মধ্যে সভাপতিসহ ১০টি পদ পেয়েছে আওয়ামী লীগ ফোরাম। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদকসহ ৭টি পদ পেয়েছে বিএনপি সমর্থিত ফোরাম। নতুন কমিটি ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে। সমঝোতার ভিত্তিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবে কমিটি ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক পীর হাবিবুর রহমান এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, আইল্যান্ড অব ডেমোক্রেসি বা গণতন্ত্রের দ্বীপ বলা হয় জাতীয় প্রেস ক্লাবকে। সেই জাতির বিবেক খ্যাত জাতীয় প্রেস ক্লাবেই আজ গণতন্ত্রের সূর্য ডুবেছে। যারা সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হবার সাহস রাখেন না, তারাই আজ সমঝোতা করে বিনা ভোটে ক্লাবের নেতা নির্বাচিত হয়েছেন।

তিনি আরও লিখেছেন, প্রথম আওয়ামী লীগ জামায়াতের সমঝোতা কমিটি হয়েছিল। প্রতিক্রিয়া তীব্র হওয়ায় লজ্জা পেয়ে দম নেন। পরে আওয়ামী লীগ-বিএনপির মোড়লরা কমিটি নির্বাচিত করে স্বঘোষিত নেতা নির্বাচিত হয়েছেন। গণতন্ত্রের এমন করুণ মৃত্যু যারা ঘটিয়েছেন তারাই গণমাধ্যমের আলোচিত মুখ হয়ে মধ্যরাতের টকশোতে নীতি বাক্য বলেন। এই লজ্জা রাখার জায়গা নেই, তারা ঢাকবেন কিভাবে। আমরা অনেকেই প্রেসক্লাবের সদস্য, আমাদের ডাকা হলোনা, জানানো হলোনা ভোট হলোনা, আমাদের না জানিয়ে শয়তানের প্ররোচনায় নেতৃত্ব হাইজাক করলো দুটি দলের অন্ধরা।

একটি পেশাদার ক্লাবের কর্তৃত্ব তারা দখল করে নিলো! কেউ প্রতিবাদও করলোনা! এই অবৈধ নেতৃত্বে যারা তাদেরকে সমাজে না বলুন। যেখানেই দেখবেন সালাম না দিয়ে মনে মনে বলবেন শেম। এদের আমন্ত্রণে কোনো অনুষ্ঠানে আমি যাব না। এরা জাতীয় প্রেসক্লাবের ইমেজ নষ্ট করেছে অতীতে দলবাজিতে।

এবার ক্ষমতাবাজি আর সুবিধাবাদীতায় গণতন্ত্রের কবর দিয়েছে। এরা আমার নেতা নয়। ক্লাবের বিনা ভোটের কমিটি বানানোর ক্ষমতা দুই ফোরাম বা দুই ইউনিয়নকে কে দিয়েছে? এদের নাম ক্লাব ইতিহাসে কালো হরফে লেখা থাকবেই। এই দিন দিন নয়। জবাব একদিন দিতেই হবে।