পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

রূপগঞ্জে মাদক বাণিজ্যে পুলিশ, ডিবি পরিচয়ে সোর্সদের চাঁদাবাজি

মিয়াজান মিয়া ঃ উপজেলার চার পুলিশ সদস্য মাদক বাণিজ্যে লিপ্ত হয়ে পড়েছে। পুলিশ সদস্যদের এ কাজে সহযোগিতা করছে তাদের কথিত সোর্স। শুধু মাদক ব্যবসাই নয়, সোর্সের মাধ্যমে চাঁদাবাজিও করছে এসব পুলিশ সদস্য। সম্প্রতি একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী জেলার ২২ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে আটজন কথিত সোর্স ও ২১ জন মাদক ব্যবসায়ীর নাম উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

গত ৫ জুলাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এ কে এম মফিজুল হক স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এই চিঠিতে ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় একাধিক নেতাকর্মীর নামও রয়েছে। প্রতিবেদনে অভিযুক্ত রূপগঞ্জের পুলিশ সদস্যরা হলেন- এসআই আলাউদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ, জাহাঙ্গীর আলম ও রূপগঞ্জের ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই রবিউল ইসলাম।

অবৈধ অর্থলোভী ডিবি ও পুলিশ সদস্যরা মূলত সোর্সদের মাধ্যমে অবৈধ বণিজ্যের পথ সুগম করে থাকেন। রূপগঞ্জের সোর্সরা হলেন- মনির হোসেন, বুবির ছেলে চুই, গোলাকান্দাইলের তালাল, কায়েতপাড়ার শামীন, নগরপাড়ার মিতু। এরা অবৈধ অস্ত্র কিনে তা দিয়ে সাদা ডিবি পরিচয়ে শিল্পপতি ও ধনাঢ্য ব্যক্তিদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন- চনপাড়া এলাকার বজলুর রহমান, গোলাকান্দাইলের রনজু ভুঁইয়া, রাবী পাগলনী ও তার তিনি ছেলে মাদক পরিবহনের ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করেন। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের পাহারায় তারা মাদক নিয়ে রূপগঞ্জে প্রবেশ করেন। এরা নিয়মিত রূপগঞ্জ থানা ও ভুলতা পুলিশ ফাঁড়িকে বড় অঙ্কের মাসোহারা দিয়ে থাকে।

রূপগঞ্জ থানার ওসি মাহমুদুল ইসলাম জানান, মাদক ব্যবসায় কোনো পুলিশ জড়িত থাকলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি শুনেছেন একটি প্রতিবেদন গোয়েন্দা সংস্থা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

রূপগঞ্জে মাদক বাণিজ্যে পুলিশ, ডিবি পরিচয়ে সোর্সদের চাঁদাবাজি

আপডেট টাইম : ০৮:৪৩:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০১৫

মিয়াজান মিয়া ঃ উপজেলার চার পুলিশ সদস্য মাদক বাণিজ্যে লিপ্ত হয়ে পড়েছে। পুলিশ সদস্যদের এ কাজে সহযোগিতা করছে তাদের কথিত সোর্স। শুধু মাদক ব্যবসাই নয়, সোর্সের মাধ্যমে চাঁদাবাজিও করছে এসব পুলিশ সদস্য। সম্প্রতি একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী জেলার ২২ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে আটজন কথিত সোর্স ও ২১ জন মাদক ব্যবসায়ীর নাম উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

গত ৫ জুলাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এ কে এম মফিজুল হক স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এই চিঠিতে ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় একাধিক নেতাকর্মীর নামও রয়েছে। প্রতিবেদনে অভিযুক্ত রূপগঞ্জের পুলিশ সদস্যরা হলেন- এসআই আলাউদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ, জাহাঙ্গীর আলম ও রূপগঞ্জের ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই রবিউল ইসলাম।

অবৈধ অর্থলোভী ডিবি ও পুলিশ সদস্যরা মূলত সোর্সদের মাধ্যমে অবৈধ বণিজ্যের পথ সুগম করে থাকেন। রূপগঞ্জের সোর্সরা হলেন- মনির হোসেন, বুবির ছেলে চুই, গোলাকান্দাইলের তালাল, কায়েতপাড়ার শামীন, নগরপাড়ার মিতু। এরা অবৈধ অস্ত্র কিনে তা দিয়ে সাদা ডিবি পরিচয়ে শিল্পপতি ও ধনাঢ্য ব্যক্তিদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন- চনপাড়া এলাকার বজলুর রহমান, গোলাকান্দাইলের রনজু ভুঁইয়া, রাবী পাগলনী ও তার তিনি ছেলে মাদক পরিবহনের ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করেন। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের পাহারায় তারা মাদক নিয়ে রূপগঞ্জে প্রবেশ করেন। এরা নিয়মিত রূপগঞ্জ থানা ও ভুলতা পুলিশ ফাঁড়িকে বড় অঙ্কের মাসোহারা দিয়ে থাকে।

রূপগঞ্জ থানার ওসি মাহমুদুল ইসলাম জানান, মাদক ব্যবসায় কোনো পুলিশ জড়িত থাকলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি শুনেছেন একটি প্রতিবেদন গোয়েন্দা সংস্থা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে